Learn SEO Free in Bangla

Be an SEO expert.

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের ক্ষেত্রে অ্যাংকর টেক্সটের প্রয়োজনীয়তা

লেখক : , প্রকাশকাল : 01 July, 2012 – পোস্টটি 47 বার দেখা হয়েছে

যারা সার্চ ইঞ্জিন অপাটিমাইজেশন বা ব্লগিংয়ের সঙ্গে জড়িত আছেন তারা অনেকেই জানেন এবছর সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন [এসইও] এর ক্ষেত্রে অনেক পরিবর্তন এসেছে। বিশেষ করে গুগলের সর্বশেষ পেঙ্গুইন ও পান্ডা আপডেটের পর এসইও রিলেটেডদের নতুন করে ভাবতে হচ্ছে। এই দুইটি আপডেটের পর অনেকেই সার্চ ইঞ্জিনে ভালো অবস্থানে এসেছেন আবার অনেকেই ফল করেছেন। বিশেষ করে ব্যাকলিংকের ক্ষেত্রে অনেক প্রভাব পড়েছে গুগলের এই ডাটাবেজ আপডেটের ফলে। আর ব্যাকলিংকের ক্ষেত্রে যে বিষয়টি কাজ করে সেটি হলো অ্যাংকর টেক্সট।

অ্যাংকর টেক্সট
প্রায় প্রতিটি পোস্টের মধ্যেই হাইপারলিংক সহকারে টেক্সট থাকে, যেটি ঐ নিদ্দিষ্ট টেক্সটির রিলেটের পূর্বের কোনো পোস্ট বা অন্য কোনো ওয়েবসাইট বা সাইটের কন্টেন্টের লিংক বসানো থাকে। আপনি হাইপারলিংক করা টেক্সটির উপর মাউসের কার্সর নিলে যে টেক্সট দেখায় সেটাই অ্যাংকর টেক্সট।

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের ক্ষেত্রে অ্যাংকর টেক্সট
বর্তমানে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের ক্ষেত্রে ডিরেক্ট ও ইন-ডিরেক্ট অ্যাডভান্টেজ রয়েছে। যেগুলো ওভারকাম করা একজন সফল সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজারের দায়িত্ব। আপনাকে যখন একটি ব্লগ পোস্ট লিখতে বলা হয়, সেসময় আপনার কিওয়ার্ড রিসার্স ও অন-পেজ অপটিমাইজেশন জরুরী। আপনার ব্লগপোস্টটিতে অবশ্যই ১/২টি কিওয়ার্ড থাকতে হবে। কিন্তু বর্তমানে অধিকাংশ ব্লগারের ক্ষেত্রে যেটি ভুল হয় সেটি হলো তারা কোনো পোস্টে তাদের পুরাতন লেখাগুলোর লিংক করতে গিয়ে এভাবে লেখেন, এখানে পড়ুন, আরো তথ্যের জন্য এখানে ক্লিক করুন ইত্যাদি। আসলে এগুলো পাঠককে আপনার আগের রিলেটেড লেখায় নিয়ে গেলেও সার্চ ইঞ্জিনের ক্ষেত্রে এটি কোনো গুরুত্ব বহন করে না। এর বিপরীতে আপনি আপনি আপনার টার্গেটেড কিওয়ার্ডয়ের দিয়ে অ্যাংকর টেক্সটের মাধ্যমে পুরাতন লেখাটি ব্যাকলিংক করতে পারেন।
এটা শুধু ইন্টারন্যাল লিংকিং নয়, আপনি যখন কোনো ব্লগ বা ফোরামে অতিথি পোস্ট করবেন, আপনি অবশ্যই নিশ্চিত হবেন যে সেখান থেকে অ্যাংকর লিংকের মাধ্যমে আপনার সাইটের ব্যাকলিংক পাবেন। তবে সেটি যেনো অকশ্যই আপনার পোস্ট রিলেটড হয় সেটি খেয়াল রাকতে হবে। এছাড়া অ্যাংকর টেক্সটি এমন হতে হবে যেনো এটি ভিজিটরকে আপনার লিংকে যেতে অনুপ্রাণিত করে। এই বিষয়টি গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। টার্গেটেড কিওয়ার্ড ব্যবহার করলে অ্যাংক টেক্সটি নূণ্যতম ৫০ শতাংশ কার্যকরী হবে ও গুগল অ্যালগরিদম আপডেটে অবশ্যই ভালো ব্যাকলিংক পাওয়া যাবে।

ওয়ার্ডপ্রেসে অ্যাংকর টেক্সট যুক্ত করা খুবই সহজ। পোস্টের যে টেক্সটির সাথে অণ্যকোনো পোস্টেও লিংক করাতে চান সে টেস্টগুলো সিলেক্ট করে উপরের দিকে টুলস থেকে Insert/edit link এ ক্লিক করতে হবে। এখন একটি পপ-আপ বক্স আসবে। সেখানে ইউআরএল ঘরে আপনি যে পোস্টটির বা ওয়েব অ্যাড্রেসের সঙ্গে লিংক যুক্ত করতে চান সে পোস্ট বা ওয়েবের লিংকটি লিখতে হবে। এখন নিচে টাইটেল এর ঘরে আপনার কিওয়ার্ড সহ পোস্টটি কি সম্পর্কিত সেটি লিখতে পারেন। এই টাইটেলই আপনার অ্যাংকর টেক্সট। এখন নিচের অ্যাডলিংক বাটনটি ক্লিক করলেই অ্যাংকর টেক্সটটি সহকারে আপনার ব্যাকলিংকটি তৈরি হবে।

নিচের স্কিনশর্টটি দেখলে বুঝতে পারবেন।

অ্যাংকর টেক্সটের ডিরেক্ট ও ইন-ডিরেক্ট লাভ

পাঠকদের ক্ষেত্রে: পাঠকদের ক্ষেত্রে অ্যাংকর টেক্সটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভ’মিকা পালন করে। কারণ তারা আপনার পোস্টটি থেকে আরো বেশি রিলেটেড লিংকে প্রবেশ করে প্রয়োজনীয় তথ্যটি পেতে পারে। রিলেটেড লিংকটি আপনার সাইটের হলে স্বাভাবিকভাবেই তারা বেশিক্ষণ আপনার সাইটে ঘোরাঘুরি করবে এবং পেজভিউ বাড়বে। তারা এটা নিশ্চিত হবে যে আপনার সাইটে আসলে নিদিষ্ট বিষয় সম্পর্কিত প্রায় সব তথ্যই পাওয়া যায়। তবে আপনার লিংকটি রিলেভেন্ট না হলে পাঠক বিরক্তি পাবে। তাই অ্যাংকর টেক্সট যুক্ত করার সময় অবশ্যই এটি সে সম্পর্কিত হতে হবে।

এসইও এর ক্ষেত্রে: এসইও এর ক্ষেত্রে অ্যাংকর টেক্সট খুবই গুরুত্ববহণ করে। পাঠকের দিক থেকে প্রয়োজনীয়তার কথা বিবেচনা করলেই বোঝা যায় এটা এসইওর ক্ষেত্রে কতোটা ভ’মিকা রাখে। অ্যাংকর টেক্সটের একটি ব্যাকলিংকের মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিনে অনেক ভালো পজিশন পাওয়া সম্ভব। হোমপেজের পরিবর্তে আপনার সাইটের ইন্টারন্যাল পেজের লিংক করলে আরো বেশি সাড়া পাওয়া যায়।

Leave a comment »

সাজিয়ে নিন আপনার ব্লগস্পট ব্লগ [ পর্ব-৬ ] : আপনার ব্লগ পোস্টের তারিখ, সময় এবং লেখকের নাম লুকিয়ে রাখুন

লেখক : , প্রকাশকাল : 26 September, 2011 – পোস্টটি 35 বার দেখা হয়েছে

কেমন আছেন সবাই ? আশাকরি সবাই ভালো আছেন । আমিও আপনাদের দোয়ায় ভালই আছি। আজ অনেক দিন পর পোস্ট করতে বসলাম, আসলে পোড়া লেখার ঝামেলার ভিতর আছি। আপনারে জানেন যে আমি ব্লগস্পটের ব্লগ ডিজাইন নিয়ে চেইন টিউন করে যাচ্ছি। তারি ধারাবাহিকতায় আজকে আমি পর্ব ৬ শুরু করছি।

যাক আর কথানা বাড়িয়ে শুরু করা যাক।

আজ আমি লিখব কিভাবে আপনার ব্লগস্পট ব্লগের পোস্ট তারিখ, সময় এবং লেখকের নাম লুকিয়ে রাখবেন।

  • ১)  প্রথমেই আপনি  আপনার ব্লগে সাইন ইন করুন।
  • ২) তারপর আপনি  “Deshboard>Layout>Edit Html”  এ যান।
  • ৩) তারপর “Expand Wedget Templates” এ ক্লিক করুন।

পোস্টের তারিখ লুকানোর জন্য

প্রথমে নিচের কোডটি Ctrl+F  দিয়ে খুঁজুন এবং পরে কোডটি ডিলেট করে দিন ।

   <data:post.dateHeader/>

পোস্টের সময় লুকানোর জন্য

নিচের কোডটুকু খুঁজুন এবং খেজে পেলে কোডটুকু ডিলেট করে দিন

<span class=’post-timestamp’> <b:if cond=’data:top.showTimestamp’> <data:top.timestampLabel/> <b:if cond=’data:post.url’> <a class=’timestamp-link’ expr:href=’data:post.url’ rel=’bookmark’ title=’permanent link’><abbr class=’published’ expr:title=’data:post.timestampISO8601′><data:post.timestamp/></abbr></a> </b:if> </b:if> </span>

পোস্টে লেখকের নাম লুকানোর জন্য

এর জন্য প্রথমে নিচের কোডটুকু খুঁজুন এবং কোডটুকু খুজে পেলে ডিলেট করে দেন ।

<span class='post-author vcard'>
<b:if cond='data:top.showAuthor'>
<data:top.authorLabel/>
<span class='fn'><data:post.author/></span>
</b:if>
</span>

এই কাজ গুলি করা একেবারেই সহজ আশাকরি সবাই পারবেন তারপরও কার কোন সমস্যা হলে জানাতে ভুলবেন না। টিউনটি ভালো লাগলে কমেন্ট করতে ভুলবেন না এবং কোন ভুল হলে ক্ষমা সুন্দর দিষ্টিতে দেখবেন।

সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন, ভালবাসাসহ আপনাদেরই আসিফ পাগলা সাব্বির।

Leave a comment »

অন-পেজ অপটিমাইজেশনের সময় যে ১০ জিনিস অবশ্যই খেয়াল রাখবেন!

লেখক : , প্রকাশকাল : 04 December, 2012 – পোস্টটি 216 বার দেখা হয়েছে

কোন সাইটকে নির্দিষ্ট কিওয়ার্ডে সার্চ ইঞ্জিনে ভালো অবস্থানে নিয়ে আসার জন্য আপনাকে অন-পেইজ অপটিমাইজেশন করতেই হবে। আর এ অন-পেজ অপটিমাইজেশনের বেস্ট প্র্যাকটিসগুলো ইতিমধ্যে আপনারা জেনেছেন। তবে কাজের সময় যেন কোন অন-পেইজ অপটিমাইজেশন পয়েন্ট বাদ না পড়ে যায় সেজন্য আমি একটি চেকলিস্ট করার চেষ্টা করেছি আপনাদের জন্য। কাজের সময় এ লিস্টটি আশা করছি আপনাদের উপকারে আসবে।

 পোস্ট টাইটেল: একটি লেখাকে জীবন্ত করে তোলে লেখাটির শিরোনাম। লেখাটিকে আকর্ষনীয় করে তোলার জন্য তাই পোস্টের টাইটেলে বেশ গুরুত্ব দিতে হবে। এমনভাবে টাইটেলটি লিখতে হবে যেন পাঠক লেখাটির প্রতি আকৃষ্ট হয়, এটি পড়তে চায় এবং সামাজিক যোগাযোগ সাইটে শেয়ার করতে চায়। আর এসইও ভ্যালু পাওয়ার জন্য টাইটেল ৭০ অক্ষরের মধ্যে রাখতে হবে। আর টাইটেলের মধ্যে আপনার কিওয়ার্ডটি ঢুকিয়ে দেয়ার চেষ্টা করুন। এতে প্রতিযোগি সাইটগুলোর চেয়ে একটু বেশি সুবিধা পাওয়া যায়। পোস্ট টাইটেলে যাতে “STOP Word” না আসে সেদিকে লক্ষ্য রাখুন।

মেটা ডেসক্রিপশন ট্যাগ: সার্চ ইঞ্জিনে রেজাল্ট পেজ থেকে যাতে ভিজিটর আপনার পোস্টের প্রতি ভাল ধারনা পায় সেভাবেই মেটা ডেসক্রিপশন টা লিখতে হবে। আর মেটা ডেসক্রিপশন ট্যাগ আপনি ১৫৫ থেকে ১৬০ অক্ষর ভিতর রাখবেন। অবশ্যই মেটা ডেসক্রিপশন ট্যাগের কনটেন্ট পোস্ট থেকে কপি-পেস্ট করে বসাবেন না। পুরো পোস্টের একটি ছোট্ট ১৬০ অক্ষরের মধ্যে লেখার চেষ্টা করুন। মেটা ডেসক্রিপশন ট্যাগে কোন কোটেশন বা নন-আলফাবেটিক ক্যারেকটার ব্যবহার করা উচিত না। মেটা ডেসক্রিপশন ট্যাগে মূল কি-ওয়ার্ডের প্রাধান্য থাকা উচিত।

অন-পেজ অপটিমাইজেশনের ১০ পয়েন্ট

 মেটা কিওয়ার্ড ট্যাগ: একটা সময় ছিল যখন মেটা কি-ওয়ার্ড ট্যাগ সার্চ ইঞ্জিনে বেশ গুরুত্ব পেত। গুগলের সাম্প্রতিক কিছু আপডেটে মেটা কি-ওয়ার্ড ট্যাগ-কে প্রায় মূল্যহীন করে দিয়েছে বলতে গেলে। এ বিষয়টিতে এখন তাই খুব গুরুত্ব না দিলেও চলবে। অনেকে বেশি বেশি মেটা কিওয়ার্ড ব্যবহার করেন। এটি কোনভাবেই করা যাবেনা! সাবধান!!

তবে চাইলে এক থেকে দুটি মেটা কিওয়ার্ড ব্যবহার করতে পারেন, তবে সেটি পোস্টের সঙ্গে অবশ্যই সংগতিপূর্ন হতে হবে।

 কনটেন্ট লেখার আগে!: গুগলের সর্বশেষ পাণ্ডা আপডেটে সবচেয়ে বেশি জোর দেওয়া হয়েছে কনটেন্টের উপর। সাইটের কনটেন্ট হতে হবে ইউনিক এবং সাইটের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ। আপনার যদি একাধিক পেজ থাকে আর সেই সব পেজের কনটেন্ট যদি একই থাকে, তাহলে অবশ্যই আপনি পেনাল্টি খাবেন।

মনে রাখতে হবে, সার্চ ইঞ্জিনকে খুশি করার জন্য কন্টেন্ট লিখবেন না। লিখবেন আপনার কাঙ্ক্ষিত ভিজিটরের কথা মাথায় রেখে যাতে সে উপকৃত হয়। কন্টেন্টকে সহজ এবং সরল রাখুন যাতে ভিজিটর খুব সহজেই বুঝতে পারে। কনটেন্ট যাতে ৪৫০ শব্দের বেশি হয় সেই দিকে খেয়াল রাখুন।

কিওয়ার্ড ডেনসিটি: কনটেন্টের মাঝে টার্গেটেড কিওয়ার্ডের ব্যবহার বাড়াতে হবে। কনটেন্টের মোট ক্যারেকটারের ১.৫ থেকে ২ শতাংশ হবে টার্গেটেড কিওয়ার্ড। অর্থাৎ আপনার যদি ৫০০ শব্দের কনটেন্ট হয় তাহলে আপনাকে (৫০০*১.৫/১০০=৭.৫) ৭ অথবা ৮ বার কিওয়ার্ডটি পোস্টের বিভিন্ন স্থানে রাখতে হবে।

হেডার ট্যাগ: লেখার মধ্যে অবশ্যই হেডার ট্যাগের ব্যবহার করতে হবে। পোস্টের ভিতরে বিভিন্ন গুরুত্ব পূর্ণ লাইন বা টাইটেল গুলোতে এই <H2> ও <H3> ট্যাগ ব্যবহার করে টার্গেটেড কিওয়ার্ডকে সার্চ ইঞ্জিনের কাছে হাইলাইট করতে পারেন। এজন্য এ ট্যাগগুলোতে কিওয়ার্ডের উপস্থিতি থাকাটা বাঞ্চনীয়। অতিরিক্ত হেডার ট্যাগ ব্যবহার করা স্প্যামিংয়ের পর্যায়ে পড়ে। এজন্য ২ বার <H2> ও ২ বার <H3> ট্যাগের বেশি ব্যবহার করবেন না।

 ইন্টারনাল/এক্সটারনাল লিংক: প্রচুর পরিমাণে ইন্টারনাল লিংক বাড়াতে হবে। কারণ ইন্টারনাল লিংক সাইটের লিংক জুস বাড়াবে, সাইটের পেজ র‍্যাংক বাড়াতে ইন্টারনাল লিংকের কোন জুড়ি নেই। তবে একটা কথা মনে রাখতে হবে, ইন্টারনাল লিংকিং করতে হবে আপনার ভিজিটর যাতে উক্ত বিষয় নিয়ে আরও বিস্তারিত জানতে পারে সে বিষয়টি মাথায় রেখে। অর্থ্যাৎ, আপনি লিখছেন মার্সিডিজ বেঞ্জ সি ক্লাসের গাড়ি নিয়ে। এখন মার্সিডিজ বেঞ্জ গাড়ির জন্য কিছু রিলেভেন্ট কনটেন্টের ইন্টারনাল লিংকিং করতে পারেন। এখানে কোনভাবেই নন-রিলেভেন্ট (যেমন: লেবার ম্যানেজমেন্ট!) পোস্টের ইন্টারনাল লিংকিং করবেন না। আর এক্সটারনাল লিংকের ব্যাপারে বলবো, এক্সটারনাল লিংক যত কম পারা যায় ততই ভাল। অবশ্যই এক্সটারনাল লিংকে নোফলো HTML কোড ব্যবহার করুন।

 ছবি: ছবি ব্যবহারে একটু সতর্ক হওয়া দরকার। কারো কপিরাইটেড ছবি ব্যবহার করবেন না। ছবি আপলোডের পর তাতে Image ALT Tag ব্যবহার করুন। ছবিটা কি সম্পর্কিত তা অল্প শব্দের ভিতর বোঝাতে হবে।

বোল্ড/ইটালিকঃ পোস্টের গুরুত্বপূর্ন অংশ গুলো বোল্ড করুন মাঝে মাঝে ইটালিক করুন। যাতে ভিজিটরের দৃষ্টি আর্ষন করাতে পারেন। মনে রাখবেন অতিমাত্রায় বোল্ড ও ইটালিক ব্যবহার করা স্প্যামিং এর সামিল।

পার্মালিংকঃ পোস্টের পার্মালিংক খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। পার্মালিংক স্ট্রাকচার %পোস্ট নেম% থাকা ভাল। তবে পোস্ট পাবলিশড করার সময় যদি পার্মালিংক অনেক বড় হয়ে যায় তাহলে তা পাবলিশড করা পূর্বেই এডিট করে ছোট করে নিন। খেয়াল রাখবেন ছোট করতে গিয়ে যাতে লিংকের অর্থ না হারিয়ে যায়।

Leave a comment »

ওডেস্ক নিয়ে যত কথা

শীর্ষস্থানীয় ওডেস্ক নিয়ে মেগা টিউন<br /> আমার ব্লগ এর সকল পাঠক ভাই ও বোনেরা কেমন আছেন? আমি অনেক ভালো আছি ।আপনারা যে আমার টিউন খুব মনোযোগ দিয়ে পরেন ও মন্তব্য করেন এতে আমার খুব ভালো লাগে। আমি আজ oDesk নিয়ে কিছু তথ্য আপনাদের সামনে তুলে ধরবো।এই টিউনে থাকবে ভুয়া প্রোফাইল চেনার উপায়,ভুয়া প্রোফাইল বন্ধ করে দেবার উপায়,কিভাবে oDesk এ তারাতারি কাজ পাওয়া যায়,oDesk এ Account সাসপেন্ড এর হাত থেকে কিভাবে বাঁচা যায়,ফিডব্যাক কিভাবে নিতে হয় ইত্যাদি।<br /> ভুয়া প্রোফাইল গুলো কিভাবে আমাদের ক্ষতি করেঃ<br /> oDesk এ কাজ বিড করতে গেলে প্রায় চোখে পরে ভুয়া প্রোফাইল গুলো ।তখন মনটা সত্যই খারাপ হয়।কারন যারা জেনুইন oDesk এ কাজ করে তারাই কাজ সহজে পায় না তার মধ্যে আবার ২ নাম্বার লোক!</p> <p>আপনি কি জানেন, কাদের জন্য আপনার কাজ পেতে দেরি হয়? ঠিক ধরেছেন।মুলত এদের জন্য আপনার কাজ পেতে দেরি হয়।কারন আগে যখন কাজে বিড করতাম তখন প্রতিদিন আর্টিকেল এ গড়ে বিড পড়তো ১০-২০ টি ।কিন্তু এখন বিড পরে ৫০-১০০,কখনও তারও উপরে।PTC সাইট গুলো বন্ধ হবার পর সবাই oDesk  এ Account খুলছে ।এরা জেনে ,না জেনে oDesk Account করে জব বিড করে যাচ্ছে । কারো প্রফাইল দেখলেই বোঝা যায় এর প্রফাইল এখন ১০০% হয় নি ।না জেনে Account করে ভাল,তারপরও তথ্য গুলো দেয় ভুয়া । এভাবে ভুয়া প্রফাইল হতে থাকলে আপনাকেই কিছুদিন পরে খুঁজে পাওয়া যাবে না ।<br /> কিভাবে আমারা একজোট হবোঃ<br /> আমারা যারা অনলাইন এ কাজ করি তারা ৮০% মানুষ বিভিন্ন ব্লগ সাইটে সময় দেই।কারন শেখার সবচেয়ে ভাল জায়গা ব্লগ সাইট।আমার আগেও অনেকে এব্যাপারে লিখেছে ,আজ আমিও লিখছি,কাল আপনিও লিখবেন এ নিয়ে।তারপর দেখবেন ওই ২ নাম্বার লোকগুলো এমনিতেই oDesk ছেরে দিবে,আর যদি না দেয় তবে আমারা তাদের oDesk ছাড়া করব।oDesk এ বেশি কাজ করে বাংলাদেশ,ভারত,ফিলিপাইন এবং পাকিস্থান।আমার লিখাটা যেহেতু ভারত,ফিলিপাইন এবং পাকিস্থান এর মধ্যে ছড়িয়ে দিতে পারব না।কিন্তু আমি চাই আমারা বাঙ্গালীরা একজোট হয়ে ইদুর তাড়ানোর মত এদের তাড়াব।<br /> ভুয়া প্রোফাইল চেনার উপায়ঃ<br /> আমারা যখন জব বিড করতে যাই তখন আমারা উক্ত জব বিড দাতাদের প্রোফাইল দেখে আসি।কারন বাকিদের দেখলে বোঝা যায় আমি কাজ পেতে পারি কিনা।তাই যখন বিড দাতাদের প্রোফাইল দেখবেন তখন একটু লক্ষ্য করবেন উনার প্রোফাইলে দেওয়া তথ্য গুলো আসল না ভুয়া।আপনি মনে করছেন? এটা কি ভাবে সম্ভব? হ্যাঁ এটাও সম্ভব!আমরা যারা বাংলাদেশে থাকি তাদের তো বাংলাদেশের প্রায় সব জায়গা সমন্ধে ধারনা আছে।তাই আপনার সেই ধারনাই পারবে ভুয়া প্রোফাইল খুজে বের করতে।নিজের জেলার প্রোফাইল গুলো ভুয়া কিনা সেটা তো ধরতে পারবেন? আমরা ইচ্ছা করলে নিজ নিজ জেলার প্রোফাইল গুলো সনাক্ত করতে পারব ।<br /> ভুয়া প্রোফাইল এর ক্ষেত্রে আমাদের করনীয়ঃ<br /> এইসব ভুয়া প্রোফাইল এ গিয়ে Flag as inappropriate এ ক্লিক করে ফ্লাগ করুন।Flag as inappropriate টি প্রফাইল এর উপরে থাকে।অথবা একটু কষ্ট করে oDesk লগিন থাকা অবস্থায় Contact Support এ যান এবং Create a support Ticket এ ক্লিক করে উক্ত প্রোফাইল এর লিঙ্ক দিয়ে বিস্তারিত লিখুন।ভয় পাবার কোন কারন নেই।তারপর oDesk আপনার সাথে যোগাযোগ করবে এবং সত্যতা যাচাইয়ের পর উক্ত Account oDesk সাসপেন্ড করে দিবে।<br /> এতে আপনার এবং আমার লাভঃ<br /> এতে করে oDesk থেকে ভুয়া লোক গুলো চলে যাবে এবং এতে মাথাপিছু কাজ বাড়বে,জব বিড কম হবে এবং আপনি প্রতিনিয়ত কাজ পেতে থাকবেন।<br /> কিভাবে এরা সমস্যা সৃষ্টি করে চলছেঃ<br /> ভুয়া প্রোফাইল গুলো বেশি পরিমানে থাকার জন্য Client/ক্রেতা বুঝতে পারছেনা কোনটা আসল প্রোফাইল এবং কোনটা নকল প্রোফাইল।যারা ভুয়া তারা সবসময় কম রেটে বিড করে ফলে Client তাকে হায়ার করে। কিন্তু কাজ না করে দেবার কারনে Client ভাবে সব কন্ট্রাক্টরাই ওকর্মঠ বা কাজ জানে না।আমরাও যখন জব বিড করতে যাই তখন দেখি উক্ত Client জব পোস্ট করেছে ২০ টি আর পেইড করেছে ১০ জনকে।তখন মনে করি উক্ত Client ই খারাপ ,ঠিক মত পেমেন্ট করে না।কিন্তু একটু মাথা খাটান-ধরুন ওই Client ভুয়া ৪ জনকে হায়ার করেছিল কিন্তু কাজ না পারার জন্য পুনারায় Client জব পোস্ট করেছে।এখন বুঝুন এরা কত বড় সমস্যা তৈরি করেছে।Client এবং আমাদের ভিতর দ্বিমত তৈরি করেছে।<br /> যেভাবে আমি শুরু করলামঃ<br /> আমি কিছু দিন আগে একটি ভুয়া প্রোফাইল খুজে পাই।ওই প্রোফাইল এ সকল তথ্যই ছিল ভুয়া যা দেখে আমি oDesk এ কমপ্লিন করতে বাধ্য হই। প্রোফাইল এর মালিকের বাসা ঢাকাতে কিন্তু সকল তথ্য ছিল বগুড়ার।আমার বাসা বগুড়াতে তাই আমি খুব সহজই বুঝতে পারলাম এই প্রোফাইল পুরটাই ভুয়া।</p> <p>প্রমানঃ১<br /> Employment History<br /> grammen phone grammen phone,Bogra<br /> January 2008 - January 2010<br /> I am software engineer of grammenphone in bogra.<br /> data entry Ring sine company ,dhaka<br /> January 2008 - January 2011<br /> I am a highly expert to data entry. I am a experience for the work.</p> <p>দেখুন ২০০৮ থেকে ২০১০ পর্যন্ত বগুরাতে কাজ করেছেন।তিনি গ্রামীণ ফোন এ Software Engineer হিসাবে ছিলেন।<br /> দেখুন ২০০৮ থেকে ২০১১ পর্যন্ত ঢাকায় কাজ করেছেন।তিনি Ring Sine কোম্পানি তে ডাটা এন্ট্রি কাজ করতেন।</p> <p>আমার প্রস্নঃ<br /> ১. একই সময়ে একজন বাক্তি দুই জেলায় কিভাবে কাজ করে?<br /> ২. তিনি কি হেলিকাম্পারে যাতায়াত করতেন?<br /> ৩. যে Software Engineer সে কি Data Entry এর কাজ করে?</p> <p>প্রমানঃ২<br /> Education<br /> Bachelors, bogra bogra university<br /> January 2008 - January 2011<br /> I have completed the graduation from Bogra.<br /> Diploma, Electrice engeniering sherpur zila school<br /> January 1993 - January 2004<br /> I am student of computer science.<br /> My experience at this educational institution<br /> * Highlights any clubs, groups, societies that were part of your experience<br /> * Highlights any awards that you received<br /> * Includes a ranking or grade point average</p> <p>বগুরাতে দুইটি University আছে।<br /> ১.Govt.AzizulHaqueCollege, Bogra<br /> 2. Govt.ShahSultanCollege, Bogra<br /> এবং শেরপুরে কোন Zilla School নেই।Zilla School আছে বগুরা সাত মাথায়,যার নাম Bogra Zilla School,Bogra</p> <p>আমার প্রস্নঃ<br /> ১. বগুরাতে কি Bogra University নামে কোন University আছে?<br /> ২. কোন থানা পর্যায়ে কি কোন Zilla School থাকে?কারন শেরপুর হল একটি থানা মাত্র।<br /> ৩. ১৯৯৩-২০০৪=১১ বছর।আমি জানি Diploma শেষ করতে ৪ বছর লাগে।কারো কি ১১ বছর লেগেছে?</p> <p>oDesk প্রোফাইল টিকে সাসপেন্ড করে দিয়েছে।প্রোফাইল টি খুবই দেখতে ইচ্ছা করছে তাই না?প্রোফাইল এর লিঙ্ক টি কোন লিখার মধ্যে ঢুঁকে না দিয়ে নিচে দিয়ে দিচ্ছি।</p> <p>https://www.odesk.com/users/SEO-expert_~01ba4bcac13836a524</p> <p>অনেক তো হল!এখন আপনাদের কিছু মূল্যবান তথ্য দেই।</p> <p>কিভাবে oDesk এ তারাতারি কাজ পাওয়া যায়ঃ<br /> ১. প্রোফাইল ১০০% তৈরি করুন এবং প্রোফাইল সুন্দর ভাবে সঠিক তথ্য দিয়ে সাজান।<br /> ২. বেশি বেশি স্কিল টেস্ট দিন।<br /> ৩. নির্ভুল ভাবে কভার লেটার লিখুন।<br /> ৪. নিজে একটি ব্লগ Account খুলুন এবং আপনার কিছু কাজের নমুনা সেখানে রাখুন। জব বিড করার সময় কভার লেটারে সেই লিঙ্ক দিয়ে দিন ।<br /> ৫. ভালভাবে ইন্টার্ভিউ দিন।<br /> ৬. Client এর সাথে ভাল আচরণ করুন এবং<br /> ৭. নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ করে দিন।</p> <p>কিছু নিয়ম মেনে চলুনঃ<br /> আমাদের অনেকেরই Account সাসপেন্ড হয়।কেন হয় তা আমারা জানিনা।তাই নিচের শর্তাবলী মেনে চলুন।<br /> ১. একই কভার লেটার সব Client দের দিবেন না ।জবটি ভাল ভাবে পড়ুন এবং সে অনুসারে কভার লেটার লিখুন।<br /> ২. নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করুন।<br /> ৩. কোন Client আপনার বিরুদ্ধে কমপ্লিন করলে oDesk যা বলে তাই করুন।নিজে মাতাব্বর হবেন না।<br /> ৪. Hourly জব এর ক্ষেত্রে কাজ ও সময়ের মিল রাখুন।Client যাতে বুঝতে না পারে যে আপনি বেশি সময় নিচ্ছেন।<br /> ৫. নিজের নাম ও ছবি পালটাবেন না।এতে oDesk আপনাকে সন্দেহ করতে পারে।<br /> ৬. একই কম্পিউটার থেকে একাধিক Account চালাবেন না, এমনকি খুলবেনও না।<br /> ৭. তারপরও যদি আপনার Account সাসপেন্ড হয় তবে হেল্প এ গিয়ে oDesk এর সাথে যোগাযোগ করুন।</p> <p>আশাকরি এর পর থেকে আপনাদের কোন প্রকার সমস্যা হবে না।আর সমস্যা হলে চিন্তা কি বাংলাদেশের oDesk Facebook Help পেজ এ গিয়ে আপনার সমস্যার কথা তুলে ধরুন আশা করি সমাধান খুব তারাতারি পেয়ে যাবেন। সবাই ভাল থাকবেন এবং মন দিয়ে oDesk এ কাজ করবেন।
শীর্ষস্থানীয় ওডেস্ক নিয়ে মেগা টিউন
আমার ব্লগ এর সকল পাঠক ভাই ও বোনেরা কেমন আছেন? আমি অনেক ভালো আছি ।আপনারা যে আমার টিউন খুব মনোযোগ দিয়ে পরেন ও মন্তব্য করেন এ

তে আমার খুব ভালো লাগে। আমি আজ oDesk নিয়ে কিছু তথ্য আপনাদের সামনে তুলে ধরবো।এই টিউনে থাকবে ভুয়া প্রোফাইল চেনার উপায়,ভুয়া প্রোফাইল বন্ধ করে দেবার উপায়,কিভাবে oDesk এ তারাতারি কাজ পাওয়া যায়,oDesk এ Account সাসপেন্ড এর হাত থেকে কিভাবে বাঁচা যায়,ফিডব্যাক কিভাবে নিতে হয় ইত্যাদি।
ভুয়া প্রোফাইল গুলো কিভাবে আমাদের ক্ষতি করেঃ
oDesk এ কাজ বিড করতে গেলে প্রায় চোখে পরে ভুয়া প্রোফাইল গুলো ।তখন মনটা সত্যই খারাপ হয়।কারন যারা জেনুইন oDesk এ কাজ করে তারাই কাজ সহজে পায় না তার মধ্যে আবার ২ নাম্বার লোক!আপনি কি জানেন, কাদের জন্য আপনার কাজ পেতে দেরি হয়? ঠিক ধরেছেন।মুলত এদের জন্য আপনার কাজ পেতে দেরি হয়।কারন আগে যখন কাজে বিড করতাম তখন প্রতিদিন আর্টিকেল এ গড়ে বিড পড়তো ১০-২০ টি ।কিন্তু এখন বিড পরে ৫০-১০০,কখনও তারও উপরে।PTC সাইট গুলো বন্ধ হবার পর সবাই oDesk এ Account খুলছে ।এরা জেনে ,না জেনে oDesk Account করে জব বিড করে যাচ্ছে । কারো প্রফাইল দেখলেই বোঝা যায় এর প্রফাইল এখন ১০০% হয় নি ।না জেনে Account করে ভাল,তারপরও তথ্য গুলো দেয় ভুয়া । এভাবে ভুয়া প্রফাইল হতে থাকলে আপনাকেই কিছুদিন পরে খুঁজে পাওয়া যাবে না ।
কিভাবে আমারা একজোট হবোঃ
আমারা যারা অনলাইন এ কাজ করি তারা ৮০% মানুষ বিভিন্ন ব্লগ সাইটে সময় দেই।কারন শেখার সবচেয়ে ভাল জায়গা ব্লগ সাইট।আমার আগেও অনেকে এব্যাপারে লিখেছে ,আজ আমিও লিখছি,কাল আপনিও লিখবেন এ নিয়ে।তারপর দেখবেন ওই ২ নাম্বার লোকগুলো এমনিতেই oDesk ছেরে দিবে,আর যদি না দেয় তবে আমারা তাদের oDesk ছাড়া করব।oDesk এ বেশি কাজ করে বাংলাদেশ,ভারত,ফিলিপাইন এবং পাকিস্থান।আমার লিখাটা যেহেতু ভারত,ফিলিপাইন এবং পাকিস্থান এর মধ্যে ছড়িয়ে দিতে পারব না।কিন্তু আমি চাই আমারা বাঙ্গালীরা একজোট হয়ে ইদুর তাড়ানোর মত এদের তাড়াব।
ভুয়া প্রোফাইল চেনার উপায়ঃ
আমারা যখন জব বিড করতে যাই তখন আমারা উক্ত জব বিড দাতাদের প্রোফাইল দেখে আসি।কারন বাকিদের দেখলে বোঝা যায় আমি কাজ পেতে পারি কিনা।তাই যখন বিড দাতাদের প্রোফাইল দেখবেন তখন একটু লক্ষ্য করবেন উনার প্রোফাইলে দেওয়া তথ্য গুলো আসল না ভুয়া।আপনি মনে করছেন? এটা কি ভাবে সম্ভব? হ্যাঁ এটাও সম্ভব!আমরা যারা বাংলাদেশে থাকি তাদের তো বাংলাদেশের প্রায় সব জায়গা সমন্ধে ধারনা আছে।তাই আপনার সেই ধারনাই পারবে ভুয়া প্রোফাইল খুজে বের করতে।নিজের জেলার প্রোফাইল গুলো ভুয়া কিনা সেটা তো ধরতে পারবেন? আমরা ইচ্ছা করলে নিজ নিজ জেলার প্রোফাইল গুলো সনাক্ত করতে পারব ।
ভুয়া প্রোফাইল এর ক্ষেত্রে আমাদের করনীয়ঃ
এইসব ভুয়া প্রোফাইল এ গিয়ে Flag as inappropriate এ ক্লিক করে ফ্লাগ করুন।Flag as inappropriate টি প্রফাইল এর উপরে থাকে।অথবা একটু কষ্ট করে oDesk লগিন থাকা অবস্থায় Contact Support এ যান এবং Create a support Ticket এ ক্লিক করে উক্ত প্রোফাইল এর লিঙ্ক দিয়ে বিস্তারিত লিখুন।ভয় পাবার কোন কারন নেই।তারপর oDesk আপনার সাথে যোগাযোগ করবে এবং সত্যতা যাচাইয়ের পর উক্ত Account oDesk সাসপেন্ড করে দিবে।
এতে আপনার এবং আমার লাভঃ
এতে করে oDesk থেকে ভুয়া লোক গুলো চলে যাবে এবং এতে মাথাপিছু কাজ বাড়বে,জব বিড কম হবে এবং আপনি প্রতিনিয়ত কাজ পেতে থাকবেন।
কিভাবে এরা সমস্যা সৃষ্টি করে চলছেঃ
ভুয়া প্রোফাইল গুলো বেশি পরিমানে থাকার জন্য Client/ক্রেতা বুঝতে পারছেনা কোনটা আসল প্রোফাইল এবং কোনটা নকল প্রোফাইল।যারা ভুয়া তারা সবসময় কম রেটে বিড করে ফলে Client তাকে হায়ার করে। কিন্তু কাজ না করে দেবার কারনে Client ভাবে সব কন্ট্রাক্টরাই ওকর্মঠ বা কাজ জানে না।আমরাও যখন জব বিড করতে যাই তখন দেখি উক্ত Client জব পোস্ট করেছে ২০ টি আর পেইড করেছে ১০ জনকে।তখন মনে করি উক্ত Client ই খারাপ ,ঠিক মত পেমেন্ট করে না।কিন্তু একটু মাথা খাটান-ধরুন ওই Client ভুয়া ৪ জনকে হায়ার করেছিল কিন্তু কাজ না পারার জন্য পুনারায় Client জব পোস্ট করেছে।এখন বুঝুন এরা কত বড় সমস্যা তৈরি করেছে।Client এবং আমাদের ভিতর দ্বিমত তৈরি করেছে।
যেভাবে আমি শুরু করলামঃ
আমি কিছু দিন আগে একটি ভুয়া প্রোফাইল খুজে পাই।ওই প্রোফাইল এ সকল তথ্যই ছিল ভুয়া যা দেখে আমি oDesk এ কমপ্লিন করতে বাধ্য হই। প্রোফাইল এর মালিকের বাসা ঢাকাতে কিন্তু সকল তথ্য ছিল বগুড়ার।আমার বাসা বগুড়াতে তাই আমি খুব সহজই বুঝতে পারলাম এই প্রোফাইল পুরটাই ভুয়া।প্রমানঃ১
Employment History
grammen phone grammen phone,Bogra
January 2008 – January 2010
I am software engineer of grammenphone in bogra.
data entry Ring sine company ,dhaka
January 2008 – January 2011
I am a highly expert to data entry. I am a experience for the work.

দেখুন ২০০৮ থেকে ২০১০ পর্যন্ত বগুরাতে কাজ করেছেন।তিনি গ্রামীণ ফোন এ Software Engineer হিসাবে ছিলেন।
দেখুন ২০০৮ থেকে ২০১১ পর্যন্ত ঢাকায় কাজ করেছেন।তিনি Ring Sine কোম্পানি তে ডাটা এন্ট্রি কাজ করতেন।

আমার প্রস্নঃ
১. একই সময়ে একজন বাক্তি দুই জেলায় কিভাবে কাজ করে?
২. তিনি কি হেলিকাম্পারে যাতায়াত করতেন?
৩. যে Software Engineer সে কি Data Entry এর কাজ করে?

প্রমানঃ২
Education
Bachelors, bogra bogra university
January 2008 – January 2011
I have completed the graduation from Bogra.
Diploma, Electrice engeniering sherpur zila school
January 1993 – January 2004
I am student of computer science.
My experience at this educational institution
* Highlights any clubs, groups, societies that were part of your experience
* Highlights any awards that you received
* Includes a ranking or grade point average

বগুরাতে দুইটি University আছে।
১.Govt.AzizulHaqueCollege, Bogra
2. Govt.ShahSultanCollege, Bogra
এবং শেরপুরে কোন Zilla School নেই।Zilla School আছে বগুরা সাত মাথায়,যার নাম Bogra Zilla School,Bogra

আমার প্রস্নঃ
১. বগুরাতে কি Bogra University নামে কোন University আছে?
২. কোন থানা পর্যায়ে কি কোন Zilla School থাকে?কারন শেরপুর হল একটি থানা মাত্র।
৩. ১৯৯৩-২০০৪=১১ বছর।আমি জানি Diploma শেষ করতে ৪ বছর লাগে।কারো কি ১১ বছর লেগেছে?

oDesk প্রোফাইল টিকে সাসপেন্ড করে দিয়েছে।প্রোফাইল টি খুবই দেখতে ইচ্ছা করছে তাই না?প্রোফাইল এর লিঙ্ক টি কোন লিখার মধ্যে ঢুঁকে না দিয়ে নিচে দিয়ে দিচ্ছি।

https://www.odesk.com/users/SEO-expert_~01ba4bcac13836a524

অনেক তো হল!এখন আপনাদের কিছু মূল্যবান তথ্য দেই।

কিভাবে oDesk এ তারাতারি কাজ পাওয়া যায়ঃ
১. প্রোফাইল ১০০% তৈরি করুন এবং প্রোফাইল সুন্দর ভাবে সঠিক তথ্য দিয়ে সাজান।
২. বেশি বেশি স্কিল টেস্ট দিন।
৩. নির্ভুল ভাবে কভার লেটার লিখুন।
৪. নিজে একটি ব্লগ Account খুলুন এবং আপনার কিছু কাজের নমুনা সেখানে রাখুন। জব বিড করার সময় কভার লেটারে সেই লিঙ্ক দিয়ে দিন ।
৫. ভালভাবে ইন্টার্ভিউ দিন।
৬. Client এর সাথে ভাল আচরণ করুন এবং
৭. নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ করে দিন।

কিছু নিয়ম মেনে চলুনঃ
আমাদের অনেকেরই Account সাসপেন্ড হয়।কেন হয় তা আমারা জানিনা।তাই নিচের শর্তাবলী মেনে চলুন।
১. একই কভার লেটার সব Client দের দিবেন না ।জবটি ভাল ভাবে পড়ুন এবং সে অনুসারে কভার লেটার লিখুন।
২. নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করুন।
৩. কোন Client আপনার বিরুদ্ধে কমপ্লিন করলে oDesk যা বলে তাই করুন।নিজে মাতাব্বর হবেন না।
৪. Hourly জব এর ক্ষেত্রে কাজ ও সময়ের মিল রাখুন।Client যাতে বুঝতে না পারে যে আপনি বেশি সময় নিচ্ছেন।
৫. নিজের নাম ও ছবি পালটাবেন না।এতে oDesk আপনাকে সন্দেহ করতে পারে।
৬. একই কম্পিউটার থেকে একাধিক Account চালাবেন না, এমনকি খুলবেনও না।
৭. তারপরও যদি আপনার Account সাসপেন্ড হয় তবে হেল্প এ গিয়ে oDesk এর সাথে যোগাযোগ করুন।

আশাকরি এর পর থেকে আপনাদের কোন প্রকার সমস্যা হবে না।আর সমস্যা হলে চিন্তা কি বাংলাদেশের oDesk Facebook Help পেজ এ গিয়ে আপনার সমস্যার কথা তুলে ধরুন আশা করি সমাধান খুব তারাতারি পেয়ে যাবেন। সবাই ভাল থাকবেন এবং মন দিয়ে oDesk এ কাজ করবেন।

Leave a comment »

পিং করুন আপানর সাইট

কেমন আছেন সবাই।আশা করছি ভালো আছেন। আজ ছোট একটা টিপস আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। আমরা অনেকেই জানি যে Ping কাকে বলে। বিশেষ করে আমরা যারা ব্যাকলিংকের কাজ করি তারা বেশি ভালো করে জানেন।কিন্তু আমরা অনেকেই আছি যারা এই কাজ করার জন্য ম্যানুয়্যেলি করে থাকি।যা অনেক সময় সাপেক্ষ।

 

আমরা যেসকল সাইটে পিং করি তার মধ্যে রয়েছে

 

http://pingomatic.com/

http://pingler.com/

http://www.pingmyblog.com/

http://autopinger.com/

http://blogsearch.google.com/ping

http://ping.in/

 

আমার মতে তার মধ্যে http://pingomatic.com/  বেশ ভালো কাজ দেয়।তাছাড়া আপনি এখান থেকে এক ক্লিকেই ২০টি মত সাইটে একসাথে পিং করতে পারবেন। কিন্তু আপনি যখন কোন লিংককে পিং করতে যাবেন তখন দেখবেন যে সেখান বেশ কিছু ডিটেইলস আপনাকে পূরণ করা লাগছে যা আপনার মূল্যবান সময় নষ্ট করবে।একসময় আমার এমন অনেক সময়  নষ্ট হয়েছে। তাছাড়া এক কাজ বার বার করা বিরিক্তিকর ও বটে। বিস্তারিত পড়ুন-!>

Leave a comment »

গুগল পাণ্ডা” কি,?পাণ্ডার সংক্ষিপ্ত জীবন কাহিনী

কে এই গুগল পাণ্ডা?

প্রশ্ন জাগতেই পারে গুগল আবার কবে থেকে Panda পোষা শুরু করলো। আসলে এই “Google panda” কোন উন্নত জাতের চাইনিজ পাণ্ডা নয়, এটা একটি গুগল এর অ্যালগোরিদম এর পরিবর্তনের নাম। যেটা আমরা সার্চ রেজাল্ট ফিল্টারিং ও বলে পারি। গুগল তাদের সার্চ রেজাল্টকে আরও সহজ ও স্প্যামিং এর হাত থেকে রক্ষা করার জন্য নতুন একটি আপডেট ২৪শে ফেব্রুয়ারি ২০১১ সালে প্রকাশ করে, যেটি “গুগল পাণ্ডা” নামে এখন সবার কাছেই বেশ পরিচিত। বিশেষ করে যারা এসইও নিয়ে কাজ করেন তাদের জন্য এক প্রকার বাড়তি চাপ। এটা এমন একটি অ্যালগোরিদম যেটি অনেক শক্তিশালী, এটি একটি ওয়েব সাইটের সকল প্রধান বিষয় গুলোকে প্রাধান্য দেয়, যেমন কন্টেন্ট, বাউন্স রেট,ভিজিটর ডাটা, ডোমেইন এর বয়স, কোয়ালিটি ব্যাক লিংক, সাইট স্পীড সহ সব কিছু। এটা কিছুটা মানুষের মত কাজ করে থাকে। নিজে নিজে অনেক ক্ষেত্রে নতুন পদক্ষেপ নেয়, এবং প্রয়োজন মাফিক তা বাদ ও দিয়ে দেয় ।এসকল তথ্যের মধ্যে যদি কোন একটি বিষয় তার কাছে মনে হয় যে এটি রেংকিং পাওয়ার যোগ্য না তাহলে তাকে একদম নিচে ফেলে দিবে। মোট কথা এটা বললে ভুল হবে না যে, গুগল পাণ্ডা= No(Spamming+copy/past+low quality content+low quality backlink)।
না হলে :(
যে কারনে গুগল পাণ্ডার আগমন বিস্তারিত পড়ুন !

Leave a comment »

জেনে নিন ওয়েব পেইজের টাইটেল এর গুরুত্ব

search engine optimization এর প্রধান একটি ফ্যাক্টর ওয়েব পেইজ এর টাইটেল। অর্থ্যাৎ, “আপনার পেইজের কন্টেন্ট কি নিয়ে লিখা হয়েছে” – তা কেবল টাইটেল দেখেই সহজে বুঝতে পারা যায়। কিন্তু দুর্ভাগ্যের ব্যাপার হলো, সাইটের ডেভোলপাররা প্রায় সময়ই এর গুরুত্বের কথা ভুলে যান। “লিখলে লিখলাম-না লিখলে নাই“-এমন একটি মনোভাব!! সার্চ ইঞ্জিন গুলোর কাছে আপনার সাইটের কন্টেন্ট এর গুরুত্ব বুঝানোর জন্য অবশ্যই আপনাকে পেইজ এর টাইটেল এর প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে। টাইটেলটি যেন অর্থবহ, প্রাসঙ্গিক, সঠিক বানানে লেখা হয়- সে দিকে দৃস্টি রাখা জরুরী।

ওয়েব পেইজ টাইটেল কি? বিস্তারিত পড়ুন !

Leave a comment »

বাংলাই এস ই ও

বাংলাই এস এ ও শেখার আমার এই ওয়েব সাইট এ আপনাদের জানায় আন্তরিক সুভেচ্ছা।আসা করি আমার এই বাংলা এস ই ও সাইটটি আপনাদের জন্য কিছু  উপকারে আসবে।আমার সাথেই থাকুন আর বাংলাই শিখুন এস ই ও(সাচ্ ইঞ্জিন অপটিমাইজেসন)।

4 Comments »

Follow

Get every new post delivered to your Inbox.

Join 1,457 other followers

%d bloggers like this: