Learn SEO Free in Bangla

Be an SEO expert.

এস ই ও ক্লাস

এখানে এস ই ও এর এক একটি করে ক্লাস আকারে  পোস্ট দেওয়া আসে।প্রত্তেকটি লেসন মনোযোগ দিয়ে পরুন আর সেগুলা নিয়ে কাজ করতে থাকুন আসা করসি এস ই ও সম্পরকে অনেক কিছহু জানতে এবং সিখতে পারবেন।প্রত্তেকটি ক্লাস এর শেষে অবসসয় মতামত দিতে ভুলবেন না।

ক্লাস এ প্রথম দিন

আমি মোঃফরহাদ হাসান,আপনাদের দোয়ায় আমার এই বাংলা এস ই ও ক্লাস শুরু করলাম।আজ যেহেতু প্রথম ক্লাস আজ আমরা শেখা বাদ দিয়ে গল্প করি।আপনারা আপনাদের গল্প বলেন আমি শুনি।আপনাদের গল্প গুলো অবসসয় কমেন্ট এর মধ্যে লিখবেন।আগামিকাল ক্লাস এর ২য় দিন থেকে আমরা এস ই ও সিখব।

আমাদের সাথে থাকার জন্য সবাইকে ধন্নবাদ।

ক্লাস এর ২য় দিন

আজকে শুধু এসইও এর সাধারন বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করবো

SEO কি ???

  • SEO হচ্ছে Search Engine Optimization.

#Search Engine কি ???

  • Google, Yahoo, Ask ইত্যাদি হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন। এর মধ্যে গুগল সবচেয়ে জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন। সার্চ ইঞ্জিন এর মাধ্যমে আপনি সার্চ ইঞ্জিনকে কোন বিষয়ের উপর তথ্য জানতে চাইলে সে আপনাকে সেই অনুযায়ী সম্ভাব্য সবচেয়ে ভালো সাইট গুলা আপনার কাছে দেখাবে। যেইগুলাতে ভিসিট করে আপনি আপনার সেই বিষয় সম্পর্কে জানতে পারবেন। মনে করুন আপনি

গুগল এ ওয়ার্ডপ্রেস বিগিনার টিউটোরিয়াল লিখে সার্চ দিলেন।

http://i45.tinypic.com/23m2ecz.jpg

তাহলে গুগল আপনাকে সেই সব সাইট এর একটা লিস্ট দেখাবে যেগুলার মধ্যে ওয়ার্ডপ্রেস এর বিগিনিং টিউটোরিয়াল আছে। আর এইটাই সার্চ ইঞ্জিন এর কাজ। যা চাবো সেই অনুযায়ী সে আমাদেরকে সেই সব সাইট এর রেসাল্ট দেখাবে।

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন কি ????

  • তাহলে আবার আগের কথায় আসি। মনে করুন আপনি গুগল এ ওয়ার্ডপ্রেস বিগিনার টিউটোরিয়াল লিখে সার্চ দিলেন এখন সে আপনাকে একটা রেসাল্ট দিল। লক্ষ করুন এখানে সবার আগে আছে www.wpbeginner.com সাইটটি।

http://i50.tinypic.com/346w4y1.jpg

এখন এই সাইট এতোগুলা সাইট এর মধ্যে থেকে যেইভাবে করে গুগল এর প্রথম পেজ এর প্রথম এ এসেছে এইটাই সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন। অর্থাৎ গুগল এ আপনি যেইভাবে করে নিজের সাইটকে সবার উপরে প্রথম পেজ এ আনবেন এই কাজটাকেই এসইও বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বলে।

সার্চ ইঞ্জিন কেন করবো ???

  •  প্রথম কথা সাইট এর ভিজিটর বাড়ানোর জন্য।
  • নিজের সাইটকে জনপ্রিয় সাইট এ তৈরি করার জন্য।
  •  বিভিন্ন বিজ্ঞাপন দিয়ে আয় করার জন্য। আর নিজের সাইট এ বিজ্ঞাপন লাগানোর জন্য প্রথমে ভিজিটর বেশি থাকা লাগবে।

সার্চ ইঞ্জিন এর প্রয়োজনীয়তা !!!

  • সার্চ ইঞ্জিন এর প্রয়োজনীয়তা ব্যাপক। এইটা বলে শেষ করা যাবে না। ধরেন আপনি একটা সাইট করলেন কিন্তু সেই সাইট সম্পর্কে কেউ জানেই না তাহলে ভিজিটর আসবে কোথা থেকে। তখন আপনি ছাড়া ঐ সাইট এর ভিজিটর আর কেউ নাই😛 এখন আপনি ফেসবুক এ বা বিভিন্ন সোশ্যাল সাইট এ শেয়ার করে আর আপনার বন্ধুবান্ধবদেরকে বলে সাইট এর কিছু ভিজিটর আনতে পারেন কিন্তু সাইট এর মুল ভিজিটর পেতে হলে এসইও অনেক জরুরি।
  •  আবার দেখুন বিডিতে প্রতিদিন কত সাইট তৈরি হচ্ছে। এখন মানুষ এর মধ্যে হাতেগোনা ১০টা সাইট এর নাম মনে রাখে। কিছু বুকমার্ক এ রাখে। কিন্তু তারা যখন কোন কিছুর দরকার হয় তখন সে গুগল এ সার্চ দেয় তখন সে যদি রেসাল্ট এ আপনার সাইট পেয়ে যায় এবং ভালো কন্টেন্ট পায় ভিতরে তাহলে সে আপনার সাইট এ আবার ঘুরতে আসবেই😀
  • আপনি যদি সাইট এ গুগল আডসেন্স এর মাধ্যমে আয় করার প্লান করে থাকেন তাহলে আপনাকে এসইও ছাড়া কোন উপায় নাই। কারন গুগল কখনও আপনার এমন সাইটকে অ্যাডসেন্স দিবে না যার সাইট এর ট্রাফিক কম।

এটা আমার প্রথম ক্লাস .আজকে এই পর্যন্তই। সবার কাছে ক্লাস কেমন লাগলো অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন।চলবে ……………ক্লাস এর ৩য় দিন

ক্লাস এর ৩য় দিন

আজকে আমরা শুধু এসইও এর প্রকারভেদ সম্পর্কে জানবো।

এসইও ২ধরনের হয়।

  •  হোয়াইট হ্যাট এসইও (White Hat SEO)
  •  ব্ল্যাক হ্যাট এসইও (Black Hat SEO)

হোয়াইট হ্যাট এসইও আবার ২ প্রকার।

  •  অনপেজ অপটিমাইজেশন
  •  অফপেজ অপটিমাইজেশন

হোয়াইট হ্যাট এসইওঃ

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর নিয়মনীতি না ভেঙ্গে যদি এসইও করা হয় তাহলে সেইটা হোয়াইট হ্যাট এসইও । হোয়াইট হ্যাট এসইও এর সবচেয়ে বড় নিয়ম হচ্ছে এখানে সার্চ ইঞ্জিনের এর তুলনায় সাইট এর কন্টেন্ট এবং অন্যান্য বিষয় এর উপর কাজ করতে হবে। হোয়াইট হ্যাট এসইও এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম হচ্ছে এটি এমন ভাবে তৈরি করুন যা ভিজিটর এর জন্য উপকারি। সার্চ ইঞ্জিনের এর জন্য না। হোয়াইট হ্যাট এসইও এর আরেক নাম এথিকাল এসইও

ব্ল্যাক হ্যাট এসইওঃ

সার্চ ইঞ্জিনের নিয়মনীতি ভেঙ্গে যে এসইও করা হয় তাহলো ব্ল্যাক হ্যাট এসইও। এইটা আনএথিকাল উপায়। তাই এইটার আরেকনাম আনএথিকাল এসইও।

ব্ল্যাক হ্যাট এসইও এর মাধ্যমে কোন সাইট কখন লং টাইম ধরে টপ এসইও রাঙ্কিং এ থাকতে পারবে না। এইটা শর্ট টাইম এর জন্য সাইটকে এসইও রাঙ্কিং এ  এগিয়ে রাখে। এইজন্য ব্ল্যাক হ্যাট এসইও করলে প্রতিনিয়ত নিজের সাইটকে নতুন নতুন এসইও করতে হয়।

হোয়াইট হ্যাট এসইও ২ প্রকার।

  • অনপেজ অপটিমাইজেশন
  •  অফপেজ অপটিমাইজেশন

অনপেজ অপটিমাইজেশনঃ

একটা ওয়েবসাইট এর মধ্যে যেসকল অপটিমাইজেশন করা হয় সব অনপেজ অপটিমাইজেশন। একটা ওয়েবসাইট তৈরির সময় এর ভিতরে কিছু এসইও  অপটিমাইজেশন এর কাজ করতে হয়। কারন এর মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিন আপনার সাইট খুজে পাবে। তাই একটা ওয়েবসাইট এর ভিতরে এসইও এর যা কিছু করা হয় সব অনপেজ অপটিমাইজেশন।

অফপেজ অপটিমাইজেশনঃ

ওয়েব সাইট এর বাইরে থেকে ওয়েবসাইট এর জন্য যেসকল কাজ করা হয় সেগুলা হচ্ছে অফপেজ অপটিমাইজেশন। একটা সাইট এর ট্রাফিক জত বেশি এর মূল্য সার্চ ইঞ্জিনের কাছে তত বেশি। এইটা অনেকটা মার্কেটিং এর মত। অর্থাৎ আপনার ওয়েবসাইট প্রচারের জন্য যেই মার্কেটিং করা হয় সেইতা হচ্ছে অফপেজ অপটিমাইজেশন।

অফপেজ অপটিমাইজেশন এর গুরুত্ব অনেক বেশি। এর মাধ্যমে আপনার সাইট এ প্রচুর ট্রাফিক বা ভিজিটর আনতে পারবেন। আর সাথে এটি সার্চ ইঞ্জিন এর রাঙ্কিং এ উপরে উঠতেও সাহায্য করবে।

অনপেজ অপটিমাইজেশন এর বিষয়বস্তুঃ

১। কি- ওয়ার্ড রিসার্চ

২। কনটেন্ট

৩। মেটা ট্যাগ এবং মেটা ডিস্ক্রিপশন

৪। গুগল সাইট ম্যাপ

৫। XML সাইট ম্যাপ

এগুলা হচ্ছে সবচেয়ে দরকারি জিনিস। এছারাও আরও কিছু আছে যেমন

৬। টাইটেলে ট্যাগের ব্যবহার

৭। ALT ট্যাগের ব্যবহার

৮। h1-h6 ট্যাগের ব্যবহার

অফপেজ অপটিমাইজেশন এর বিশয়বস্তুঃ

১। ব্যাক লিঙ্কিং

২। ফোরাম পোস্টিং

৩। সোশ্যাল বুকমারকিং

৪। ইয়াহু এন্সার ব্যাকলিঙ্কং

৫। আর্টিকেল সাবমিশন

৬। আর্টিকেল রাইটিং

৭। অ্যাংকর টেক্সট

৮। ব্লগ কমেন্ট

৯। ভিডিও পোস্টিং

১০। ইমেজ পোস্টিং

১১। পিডিএফ সাবমিশন

১২। RSS সাবমিশন

১৩। Review Site সাবমিশন

১৪। Classified সাবমিশন

১৫। সার্চ ইঞ্জিন সাবমিশন

১৬। ডিরেক্টরি সাবমিশন

১৭। লিঙ্ক হুইল

১৮। লিঙ্ক এক্সচেন্জ

১৯। প্রোফাইল পোস্টিং

২০। CSS সাবমিশন

আজকে এই পর্যন্তই। সবার কাছে ক্লাস কেমন লাগলো অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন।চলবে ……………ক্লাস এর ৪থ্ দিন

ক্লাস এর 8থ্ দিন

~~~কী ওয়ার্ড~~~

এখন থেকে আমরা অনপেজ অপটিমাইজেশন এর বিভিন্ন বিষয় শিখবো। আজকে কী ওয়ার্ড সম্পর্কে জানবো।

কী ওয়ার্ড কি ???

>> আপনি এখন সার্চ ইঞ্জিন এ যা লিখে সার্চ দিবেন সেই শব্দগুলাকে এক একটা কী ওয়ার্ড বলে। যেমনঃ গুগল এ গিয়ে সার্চ মারলেন Online Newspaper. এখন এই Online Newspaper  ই কী ওয়ার্ড।

কেন কী ওয়ার্ড রিসার্চ করবো ???

>> ধরেন আপনার একটা ওয়েবসাইট আছে গেম রাঙ্কিং এর । এখন কোন ভিজিটর যাদের গেম রাঙ্কিং  এর ওয়েবসাইট দরকার তখন তারা তো আর সার্চ ইঞ্জিন এ Bangla Music লিখে সার্চ দিবে না। তারা PC Game Ranking লিখেই অধিকাংশ সার্চ দিবে। তাই গুগল তখন কি করে চিনবে যে আপনার সাইট এ বাংলা গান আছে নাকি গেম এর রাঙ্কিং এর রিভিউ আছে। আর এই কাজটা করার জন্য অর্থাৎ গুগল কে নিজের সাইট সম্পর্কে জানাবেন নিজের সাইট এর টপিক এর উপর কীওয়ার্ড রিসার্চ করে সবচেয়ে হাই সার্চ করা কী ওয়ার্ডগুলো ব্যবহার করে।

কী ওয়ার্ড এর রিসার্চ কি???

>> ধরেন আপনার গেম রাঙ্কিং এর সাইট আসে। এখন কোন ভিজিটর যখন গেম রাঙ্কিং এর সাইট খুজবে সার্চ ইঞ্জিন এ তখন সে হয় Game Ranking Sites, Game Rainking for PC, Top ten games for pc, PC Game Reviews ইত্যাদি লিখে সার্চ দিবে। এখন আপনাকে সাইট এর এসইও এর জন্য কোন কোন কী ওয়ার্ড গুলা ভিজিটররা সবচেয়ে বেশি সার্চ দেয় এবং সেই তুলুনায় সেই কী ওয়ার্ড এর উপর প্রতিযোগী অন্যান্য সাইট গুলা কম সেগুলা নিয়ে রিসার্চ করাকেই কী ওয়ার্ড রিসার্চ বলে😀

কী ওয়ার্ড রিসার্চ টুলঃ

https://adwords.google.com/

http://www.google.com/trends/

https://freekeywords.wordtracker.com/

আরও অনেক টুল আছে আপনার চাইলে এরপরের ক্লাস এ দিবো😀

কী ওয়ার্ড রিসার্চ করে সেইটা কোথায় ব্যবহার করবো  ???

>> কী ওয়ার্ড এর গুরুত্ব অনেক। সাইট এর এসইও নিয়ে যতক্ষণ আছেন ততোক্ষণ কী ওয়ার্ড আপনার পিছন ছারবে না।

১। ডোমেইনের নামের মধ্যে

২। সাইট এর টাইটেলে

৩। আর্টিকেল বা সাইট এর কন্টেন্ট বা সাইট এর পোস্ট এর ভিতরে

৪। মেটা ট্যাগের মাধ্যমে

পরবরতি ক্লাস এ এইসব বিষয় গুলা নিয়ে  আলোচনা করবো ।

ক্লাস এর ৫ম দিন

আজ আপনাদের কে এস ই ও এর কিছহু বিস্তারিত বলব

What is SEO, How Search Engine Works & Website indexing in Search Engine. Elements of SEO. অর্থাৎএসইও  কি, কেন , সার্চইঞ্জিনকিভাবেকাজকরেএবংসার্চইঞ্জিনঅপটিমাইজেশনএরএলিমেন্টগুলোকিতোশুরুকরাযাকআজকেরক্লাশ

  • সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন কী

সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন কে ইংরেজীতে সংক্ষেপে SEO বলে।এর পূর্ণাংগ অর্থ হল Search engine Optimization।সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন এমন একটা পদ্বতি যার মাধ্যমে আপনি সার্চ ইন্জিন ব্যবহার করে আপনার সাইটকে সকলের কাছে বিনামূল্য সকলের কাছে পৌছে দিতে পারেন। মোট কথা যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে একটি ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিন উপযোগী করে তুলতে হয় বা সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম দিকে নিয়ে আসেতে হয় সেটাকেই সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বলা হয়। আসুন উদাহারন দিয়ে বিষয়টি আরো পরিস্কার হয়ে নিই।

আমরা যারা ইন্টারনেট ব্যবহার করি তারা সবাই প্রায় সার্চ ইন্জিন এর সাথে পরিচিত। google, yahoo,ask ইত্যাদি।তার মধ্যে গুগল খুবই জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন।আমরা যখন কোন কিছুএ সম্পর্কে জানতে চাই তখন আমরা সার্চ ইন্জিনে তা সার্চ করে থাকি।যেমন আপনি যদি বাংলাদেশের সকল খবরের কাগজের ওয়েব সাইটের লিংক চান তাহলে হয়তো গুগলে গিয়ে সার্চ বক্সে লিখবেন “Bangladesh newspaper links”।এর পর সার্চ দিলে দেখবেন কিছুক্ষণ পর অনেক গুলো ওয়েব সাইটের লিংক আপনার সামনে এসে হাজির।

এখন আমি মনে মনে ভাবতে পারেন সাইট গুলোর লিংক কী ভাবে এখানে এলো।গুগল কি সাইটগুলোকে বাছাই করেছে না কি সাইটগুলোকে গুগলে সাবমিট করার জন্য কেউ আবেদন করেছে।উপরের দুটো ভাবনাই ঠিক।তবে আগে আবেদন তার পর বাছাই করা।আর সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন হল এই দুই এর সমন্বয়।অর্থাৎ সঠিক ভাবে সার্চ ইন্জিনে সাইট সাবমিট থেকে শুরু করে এর বাছাইকরণ করার সবই সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন।

সার্চ ইন্জিনে সাবমিট করা সকল সাইটকে গুগল একটা লিস্ট বা ফলাফল প্রকাশ করে।সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন এর প্রধান কাজ থাকে এই তালিকায় প্রথম পেজে থাকা।আর গুগল এই তালিকা প্রকাশ করে একটি সাইটের জনপ্রিয়তা, প্রয়োজনীয়তা,গুরুত্বপূর্ণতা সহ সকল কোয়ালিটি বিবেচনা করে।আর এসইও এর কাজ হল একটি সাইটের সার্চ ইন্জিনের জন্য কোয়ালিটি সম্পন্ন করে তোলা।

  • কি কারণে এই সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন করা :

আপনাদর অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে কেন আমরা এসইও করবো।এর সহজ উত্তর হয় ওয়েব সাইটের ভিজিটর বা ট্রাফিক বাড়ানো।একটি ভিজিটর ছাড়া ওয়েব সাইট এর কোন মূল্য নেই।আর ভিজিটর বাড়ানোর মূল্য রয়েছে সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনের এর গুরুত্ব।সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনের প্রধান প্রধান উদ্দেশ্য গুলোর মধ্যে রয়েছে

  1. এর মাধ্যমে আপনার সাইটকে সকলের কাছে সহজে পৌছে দেওয়া
  2. আপনার ওয়েব সাইটের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি করা
  3. সাইটের ভিজিটর বৃদ্ধি করা।
  4. বিভিন্ন ধরনের অনলাইন আয় করার প্লাটফর্ম হিসাবে কাজ করে।
  5. তথ্য বিনিময় ও প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার শক্ত ভিত হিসাবে কাজ করে।
  • সার্চ ইঞ্জিন কয় প্রকার :

অনেকের মনেই প্রশ্ন আসতে পারে সার্চ ইঞ্জিন কত প্রকার । হুম , অবশ্যই এই ধরনের প্রশ্ন করাটা স্বাভাবিক অস্বাভাবিক কিছু না ।

সার্চ ইঞ্জিনকে আমরা মুলত  ৫ ভাগে ভাগ করতে পারি যেমন –

  1. ক্রলার নির্ভর সার্চ ইঞ্জিন
  2. ডাইরেক্টরিস সার্চ ইঞ্জিন
  3. হাইব্রিড সার্চ ইঞ্জিন
  4. ম্যাটা সার্চ ইঞ্জিন
  5. স্পেশিয়ালিটি সার্চ ইঞ্জিন

এবার আমরা এগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো

  • ক্রলার নির্ভর সার্চ ইঞ্জিন –

ক্রলার নির্ভর সার্চ ইঞ্জিন স্বয়ংক্রিয় সফ্টওয়্যার প্রোগ্রামের মাধ্যমে এবং ওয়েব পেজ শ্রেণীবিভক্তকরনের মাধ্যমে জরিপ করে থাকে। এই ক্রলার নির্ভর এই কাজটি যেই প্রোগ্রামের মাধ্যমে করা হয় তাকে আমরা বিভিন্ন নামে চিনি যেমন – স্পাইডারস, ক্রলারস, রোবটস অথবা বুটস । এই ক্রলার নির্ভর সার্চ ইঞ্জিন এর প্রধান এবং একমাত্র কাজ হল নতুন নতুন ওয়েব পেইজকে ইনডেক্স করা এবং সেটা কী- ওয়ার্ড এর উপর নির্ভর করে সার্চ রেজাল্টে দেখানো ।

ক্রলার নির্ভর সার্চ ইঞ্জিন হল এগুলো , যেমন –

  • ডাইরেক্টরিস সার্চ ইঞ্জিন

ডিরেক্টরিস সার্চ ইঞ্জিন মানবীয় সম্পাদনায় পরিচালিত এবং তারাই সিদ্ধান্ত নেয় কি বিষয়শ্রেণীতে সাইট ব্যবহার করা হয়েছে। এবং তারাই নির্দিষ্ট বিভাগের ‘ডিরেক্টরি’ ডাটাবেস এর কাজ সম্পাদন করে।

আমরা উদাহরন সুরুপ দুইটি ডাইরেক্টরিস এর নাম উল্লেখ করতে পারি ।

  • হাইব্রিড সার্চ ইঞ্জিন

আমরা ইতি মধ্যেই জেনে গেছি ক্রলার নির্ভর সার্চ ইঞ্জিন এবং ডাইরেক্টিরিস সার্চ ইঞ্জিন এর কাজ । কিন্তূ যখন ক্রলার নির্ভর সার্চ ইঞ্জিন এবং ডাইরেক্টরিস সার্চ ইঞ্জিন এক সাথে কাজ করে তাকেই আমরা হাইব্রিড সার্চ ইঞ্জিন বলি । আমরা হাইব্রিড সার্চ ইঞ্জিনের উদাহরন সুরুপ দেখাতে পারি –

  • ম্যাটা সার্চ ইঞ্জিন :

ম্যাটা সার্চ ইঞ্জিন অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিন থেকে ফলাফল নিয়ে থাকে এবং সকল রেজাল্টকে একত্র করে রেজাল্ট দেখায়।

ম্যাটা সার্চ ইঞ্জিনের উদাহরন , যেমন –

  • স্পেশিয়ালিটি সার্চ ইঞ্জিন :

স্পেশালিষ্ট সার্চ ইঞ্জিনের প্রধান কাজ নিশ রিলেটেড সার্চের কাঠামো উন্নত করা।

স্পেহালিস্ট সার্চ ইঞ্জিন অনেক রয়েছে , যেমন –

  • Shopping

–  Froogle (www.froogle.com)

–  Yahoo Shopping (www.shopping.yahoo.com)

–  BizRate (www.bizrate.com)

–  PriceGrabber (www.pricegrabber.com)

–  PriceSpy (www.pricespy.co.nz)

  • Local Search 

–  NZPages (www.nzpages.co.nz)

–  SearchNZ (www.searchnz.co.nz)

–  NZS (www.nzs.com)

  • Domain Name Search

–  iServe (www.iserve.co.nz)

–  Freeparking (www.freeparking.co.nz)

  • Freeware & Shareware Software Search

–  Tucows (www.tucows.com)

–  CNET Download.com (www.download.com)

  • সার্চ ইঞ্জিন কিভাবে কাজ করেঃ

এখন আপনাদের মনে প্রশ্ন আসতে পারে সার্চ ইঞ্জিন গুল কিভাবে কাজ করে। প্রতিটি সার্চ ইঞ্জিনের একটি স্বকীয় ধরন আছে কাজ করার জন্য। তবে প্রায় সব সার্চ ইঞ্জিনের কর্ম পদ্ধতি এর জন্য একই উপকরন ব্যাবহার করে। মূলত ৩ টি প্রধান সফটওয়্যার এর মাধ্যমে কাজ করে থাকে সার্চ ইঞ্জিন সমূহ। আর এই

তিনটি সফটওয়্যার হলঃ

১। স্পাইডার সফটওয়্যার

২। ইনডেক্স সফটওয়্যার

৩। কুয়েরি সফটওয়্যার

এবার আমরা দেখি এরা কে কি কাজ করে। আর এদের সমন্বিত কাজ ই হোল একটা সার্চ ইঞ্জিন এর কাজ।

স্পাইডার সফটওয়্যার (Spider Software)

প্রথমেই আসি স্পাইডার সফটওয়্যার এর কথায়। আমারা অনেকেই একে “সার্চ বট” বা “রোবট” হিসাবেও বলে থাকি। সাধারণত বলা হয়, স্পাইডার সফটওয়্যার ওয়েব  এ ভেসে বেড়ায় এবং নতুন পেজ এর সন্ধান করে  এবং তা সার্চ ইঞ্জিন এ যোগ করে। আসলে মূলত সার্চ স্পাইডার এর কাজ হল একটি ওয়েব পেজের মধ্যকার সকল ইলিমেন্ট গুলকে কালেকশন করা। এই ধরনের সফটওয়ার গুলো ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার, মজিলা ফাইয়ার ফক্স বা গুগল ক্রোম এর মত কাজ করে। অর্থাৎ আপনার ব্রাউজার যেমন কোন পেজ আপনার ডিসপ্লে এর সামনে হাজির হওয়ার জন্য অনুরোধ করে, ঠিক তেমনি এইটি ও অনুরোধ  করে একটি পেজকে।

তবে এখানে পার্থক্য হল, স্পাইডার সফটওয়্যার কোণ ডিজাইন, ইমেজ, ফ্ল্যাশ ইত্যাদি র প্রতি কোন আগ্রহ দেখায় না। সে সুধুমাত্র আগ্রহ দেখায়  ওয়েবসাইটের HTML , টেক্সট, ইউআরএল, লিঙ্ক এইসব এর প্রতি।

এর আগ্রহ শুধুমাত্র টেক্সট, ইউআরএল, লিঙ্ক এইসব এর প্রতি। আর এইসকল তথ্য জোগাড় করে স্প্যাইডার সফটওয়্যার।

ইনডেক্স সফটওয়্যার (Index Software)

ইনডেক্স সফটওয়্যার এর প্রধান কাজ হল একটি ওয়েব সাইট এর সকল ডাটা গুলো স্পাইডার থেকে গ্রহন করে তা সার্চ ইঞ্জিন এ সংরক্ষণ করা বা  ক্যাচ ধরে রাখা। আসলে ইনডেক্স সফটওয়্যার সফটওয়্যার স্পাইডার সফটওয়্যার এর কালেক্ট করা ডাটা এনালাইজ করে। স্পাইডার সফটওয়্যার যখন অনুরধ করে, ইনডেক্স সফটওয়্যার তা এনালাইজ করে। এখানে এক এক সার্চ ইঞ্জিন এর একেক রকম এলগরিদম আছে। যেমন গুগল ও বিং এর সিক্রেট এলগরিদম আছে। ইনডেক্স সফটওয়্যার কোণ পেজ এর টেক্সট,লিঙ্ক, ইউআরএল যা স্পাইডার সফটওয়্যার দেয়, সেইগুলো এনালাইজ করে স্কোরিং করে যে মানুষ যা সার্চ করছে, তার সাথে এই পেজটি কতটুকু সম্পর্কযুক্ত ও গুরুত্বপূর্ণ।  সুতরাং ইনডেক্স সফটওয়্যার তাই স্কোরিং করে যা স্পাইডার সফটওয়্যার কালেক্ট করে।

কুয়েরি সফটওয়্যার (Query Software)

আমরা যখন কোন সার্চ ইঞ্জিনে কোন কিছু লিখে থাকি তখন এটাকেই দেখে থাকে। যখন আমরা কোন কিছু লিখে সার্চ দেই তখন কুয়েরি সফটওয়্যার ইনডেক্স সফটওয়ার থেকে ডাটা গুলো এন্যালাইজ করে সবচেয়ে রিলিভেন্ট রেজাল্ট প্রকাশ করে।

তার মানে প্রথমে স্প্যাইডার সফটওয়্যার একটি ওয়েব পেজ এর সকল তথ্য কালেকশন করে তা যাচাই বাছাই করা জন্য ইনডেক্স সফট এ পাঠায় এবং ইনডেক্স সফট তা এন্যালাইজ করে লিস্টিং করে এবং কুয়েরি সফটওয়্যার এর প্রয়োজন অনুসারে তা ভিজিটর এর কাছে প্রদর্শন করে।

সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশনের এলিমেন্ট :

বন্ধুরা আমরা আমাদের ক্লাসের একেবারেই শেষ প্রান্তে চলে এসেছি J

এখন আমরা সার্চ ইঞ্জিনের ইলিমেন্টস নিয়ে আলোচনা করবো।

সার্চ ইঞ্জিনের ইলিমেন্টস গুলো হল :

  1. HTML Content  
  2.  Titles, Descriptions, and Metatags 
  3.  Internal Link Structure
  4.  External Links  
  5.  Sitemap
  6. Link building
  7. Content
  8. Keywords
  9. Anchor text

 

 

বন্ধুরা আমাদের আজকের ক্লাশ এই পর্যন্ত ।

ক্লাস এর ৬ষ্ঠ দিন

প্রথমেই কী-ওয়ার্ড কি

সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনে কী-ওয়ার্ড একটা গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক বিষয়।মূলত কী-ওয়ার্ডকে দুই ভাবে বলা যেতে পারে।১ম টি হচ্ছে যে সকল শব্দসমষ্টিকে কী-ওয়ার্ড বলে নিয়ে আপনি আপনার ওয়েব সাইটটি গঠন করেন তাকে আর ২য় টি হচ্ছে যে সকল মূলশব্দকে আপনি SEO করার জন্য বাছাই করেছেন তাকে কী-ওয়ার্ড।তবে আমার মত ২য় টাই SEO এর জন্য যথার্থ।কেননা SEO এর ভাষায় কী-ওয়ার্ড হল যে শব্দকে নিয়ে আপনি কাজ করবেন।
একটা উদাহারণ দেয়া যাক।যেমন আপনার একটা মুভি ডাউনলোডের সাইট আছে।সেক্ষেত্রে আপনার সাইটের কী-ওয়াড Download movie,Free download movie,movie watch and download এমন হওয়াই স্বভাবিক।আমরা যখন কোন কিছু সার্চ করার জন্য সার্চ বক্সে লিখি তখন সার্চ ইন্জিন সে শব্দের উপর ভিত্তি করেই ফলাফল প্রকাশ করে।আর আপনার প্রদত্ত শব্দটাই হয় কী-ওয়ার্ড।যেমন আপনি “bangladesh newspaper” লিখে সার্চ করলেন।এখানে “bangladesh newspaper” হল আপনার সার্চ কী-ওয়ার্ড।এতে সার্চ ইন্জিন আপনাকে অনেক গুলো সাইটের ফলাফল দেখাবে ।এই ফলাফল দেখানোর মানে হল সার্চ ইন্জিন আপনার প্রদত্ত সার্চ কী-ওয়ার্ডের উপর ভিত্তি করে আপনাকে ফলাফল দেখাচ্ছে।এই ফলাফলের তালিকাই যেসকল সাইট আছে তারা সবাই bangladesh newspaper কী-ওয়ার্ড নিয়ে সাইটটি বানিয়েছে।তাহলে বুঝাই যায় যে কী-ওয়ার্ড সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনে কতটা গুরুত্বপূর্ণ।

কিভাবে ব্যবহার করবেন কী-ওয়ার্ড

কী-ওয়ার্ড সম্পর্কে আমরা মোটামুটি একটা ধারণা পেয়েছি।এখন দেখা যাক কিভাবে এই কী-ওয়ার্ড ব্যবহার করবেন।কী-ওয়ার্ড আপনি ২ ভাবে ব্যবহার করতে পারেন।যেমন

  • মেটা ট্যাগের মাধ্যমে
  • সাইটের কনটেন্ট বা আর্টিকেল এর মাধ্যমে।

আসুন নিচে থেকে আরো বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক।

১. মেটা ট্যাগের মাধ্যমে

ওয়েব সাইট ডিজাইনের সময় আমরা অনেক ধরনের মেটা ট্যাগ নিয়ে কাজ করি। এর মধ্যে
< meta name=”keywords” content=”some keyword,another keyword” />
এই ট্যাগটি “মেটা কী-ওয়ার্ড ট্যাগ” নামে পরিচিত।এই মেটা কী-ওয়ার্ড ট্যাগ দ্বারা আপনি আপনার সাইটের কী-ওয়ার্ড ব্যবহারের কাজ করতে পারবেন।এ জন্য আপনি আপনার সাইটের HTML এডিটর পেজে গিয়ে ও ট্যাগ এর মধ্যে আপনার বাছাই করা কী-ওয়ার্ডটি বসিয়ে দিন। নিচের লিঙ্কে গিয়ে ছবিটি দেখুন –

ব্যাস হয়ে গেল আপনার সাইটে মেটা ট্যাগ ব্যবহার করা।আরো অনেক মেটা ট্যাগ আমরা সাইটে ব্যবহার করে থাকি ।এসব ট্যাগের ব্যবহার জানতে এই টিউনটি আপনারা দেখতে পারেন।তবে মেটা ট্যাগ ও কী-ওয়ার্ড এর ব্যবহারের বেশ কিছু নিয়ম বা টিপস মেনে চলা উচিত।ড়তে করে আপনি আরো ভালো ফলাফল পেতে পারেন।যেমন:

  • আপনর সাইটের যে কী-ওয়ার্ডটির উপর ভিত্তি করে বানাবেন সেই কী-ওয়ার্ডটি যেন আপনার মেটা কী-ওয়ার্ড ট্যাগে ৩ বারের বেশি না থাকে।
  • আপনার সাইটে মেটা কী-ওয়ার্ড ট্যাগ ব্যবহার করুন সর্বোচ্চ ১ বার।
  • মেটা কী-ওয়ার্ড ট্যাগে একটি কী-ওয়ার্ড বার বার না লিখে অন্য ভাবে তা লেখার চেষ্টা করুন,যেমন প্রথমে যদি লেখেন Download hindi movie, hindi movie তা হলে সেটাকে একটু ঘুরিয়ে নিয়ে download hindi movie বা আরএকটু পরিবর্তন করে download hindi movie online, hindi movie download করে নিতে পারেন।
  • কী-ওয়ার্ড এর বানান যেন কোনমতেই ভুল না যায় সেদিকে কড়া নজরদারি রাখতে হবে।যেমন বুশ লাদেন কে নজরদাড়িতে রেখেছিল
  • প্রতিটি কী-ওয়ার্ডের পর একটি করে কমা(,) ব্যবহার করুন এবং এর পর একটা স্পেস দিয়ে পরবর্তী কী-ওয়ার্ড দিবেন।

তারপর আপনি আপনার বাছাই করা কী-ওয়ার্ড গুলো অন্যান ট্যাগে ব্যবহার করুন।যেসকল ট্যাগে আপনি আপনার কী-ওয়ার্ড ব্যবহার করতে পারেন সেগুলো হলো:

  • Description- Meta Tag
  • Titel – Meta Tag
  • ALT- Meta Tag

২.সাইটের কনটেন্ট বা আর্টিকেলের মাধ্যমে

আমরা অনেক মনে করি যে সার্চ ইন্জিন গুলো কেবল মেটা ট্যাগ নিয়ে সাইট ইনডেক্স করে।অনেক আবার এ ও মনে করেন যে মেটা কী-ওয়ার্ড ট্যাগ ব্যবহার না করলে হয়তো সাইট ইনডেক্স হবে না,ভালো ফল পাবে না ইত্যাদি ইত্যাদি।তাই তাদের জন্য বলছি মেটা কী-ওয়ার্ড ট্যাগটি সার্চ ইন্জিনের জন্য অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ।কিন্তু তা মানে এই নয় যে সাইট ইনডেক্স হবে না কিংবা সাইট ইনডেক্স হলেও ভালো ফল পাওয়া যাবে না।মেটা কী-ওয়ার্ড ট্যাগটি সার্চ ইন্জিনের ক্রাউলিং করার কাজকে অনেক সহজ করে দেয়।যেমন আপনি যদি একটি বই পড়ার সময় বইয়ের সূচিপত্র দেখে কোন তথ্য খোজ করেন তা সহজেই আপনি খুজে পাবেন।আর মেটা কী-ওয়ার্ডটি আপনার সাইটের সূচিপত্রের মত কাজ করে।যেটা থাকলে সার্চ ইন্জিন গুলোর কাজ করতে সুবিধা হয়।তো আসল কথায় আসি,
আপনি যখন আপনার সাইটের কোন কনটেন্ট বা আর্টিকেল লিখবেন তখন আপনি যে সকল শব্দ ব্যবহার করবেন তাই হল কী-ওয়ার্ড।তাই আপনার বাছাই করা কী-ওয়ার্ড এর উপর ভিত্তি করে আপনার কনটেন্ট বা আর্টিকেল লিখুন।এটাই আপনার প্রথম কাজ।তাছাড়া অন্যান টিপস গুলো হলো….

  • প্রথমে আপনি আপানর বাছাই করা কী-ওয়ার্ড গুলোর একটা খসড়া তালিকা তৈরী করুন।এই খসড়া তালিকায় কী-ওয়ার্ড গুলো আপনার পছন্দ আনুসারে সাজান।
  • আপনার বিষয় বস্তুর সাথে কোন কী-ওয়ার্ডটি বেশি মানায় সেটা নির্বাচন করুন।
  • আপনি আপনার কনটেন্ট বা আর্টিকেল লেখার সময় কী-ওয়ার্ড ব্যবহারের উপর জোর দিন।
  • আপনি আপনার বাছাই করা কী-ওয়ার্ডটি আপনার লেখা কনটেন্ট বা আর্টিকেলের প্রথম ২০০টি শব্দের মধ্যে রাখুন।এটা কিন্তু খুবই গুরুত্বপূর্ণ।এতে করে সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনে অনেক ভালো ফল পাওয়া সম্ভব।
  • শুধু মাত্র ১ টি কী-ওয়ার্ড নিয়ে পড়ে থাকবেন না।একই ধরণের কী-ওয়ার্ড গুলো ঘুরিয়ে ফিরিয়ে ব্যবহার করার চেষ্টা করুন।
  • গুগল সহ অন্যান সার্চ ইন্জিন কিন্তু কনটেন্ট বা আর্টিকেলে দেয়া কী-ওয়ার্ড গুলোর দিকে বেশি নজর দেয়,যা মেটা ট্যাগের চেয়ে অনেক গুন বেশিকিভাবে? আসুন দেখে নিই

মনে করুন আপনি গুগল সার্চ ইন্জিনে গিয়ে সার্চ করলেন “download indian movie” লিখে।এর পর যে সাইট গুলো আসবে তার পাশে লেখা “Cached” এ ক্লিক করুন। নিচের লিঙ্কে গিয়ে ছবিটি দেখুন –

তারপর গুগলের Cached করা সাইটের পাতাটি আপনার সামনে হাজির হবে। নিচের লিঙ্কে গিয়ে ছবিটি দেখুন –

সেখানে তারা মার্কিং করে দেখাবে যে সাইটে আপনার দেয়া কী-ওয়ার্ড গুলো কেমন ভাবে তারা ব্যবহার করেছে।

তো বুঝলেন সাইটের কনটেন্ট বা আর্টিকেলে আপনি যদি আপনার সার্চ কী-ওয়ার্ড ব্যবহার না করেন তাহলে কেমন ফল আপনি পেতে পারেন।

কেন এই কী-ওয়ার্ড বাছাইকরণ

আপনাদের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে কী-ওয়ার্ড তো হল কিন্তু এ আবার বাছাই করবো কেন।আমরা কোন ভালো জিনিস পেতে যেমন বাছাই করি তেমনি সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনে ভালো ফল পেতে সঠিক কী-ওয়ার্ড বাছাইয়ের তুলনা হয় না।

আমরা অনেক সময় ভলো ফল পাবার জন্য বিভিন্ন হাই-কম্পিটেশন কী-ওয়ার্ড নিয়ে সাইট তৈরী করে থাকি।যেমন Download Software,Download Movie,Song,Music,Tips ইত্যাদি।এসব কী-ওয়ার্ড গুলো হাই ট্রাফিক সম্পূর্ণ।এক বার যদি এসব কী-ওয়ার্ডের ১ম পেজে থাকতে পারেন তাহলে কেল্লা ফতে।ভিজিটর নিয়া নো চিন্তা।কিন্তু এমন সব হাই-কম্পিটেশন কী-ওয়ার্ডে আছে প্রচুর প্রতিযোগীতা।ভালো ভালো ওয়েবমাষ্টাররা ও মাথার ঘাম পায়ে ফেলেন এসকল কী-ওয়ার্ড নিয়ে। তবে আমরা যেহেতু প্রথম থেকে শুরু করছি তাই এত বড় বড় কী-ওয়ার্ড নিয়ে মাথা ঘামাবো না। তাই আমাদের বের করতে হবে কিভাবে অন্যান কী-ওয়ার্ড ব্যবহার করে ভালো ফল পাওয়া যায়। আর এই ভালো ভালো কী-ওয়ার্ড পাওয়ার জন্যই আপনার এই কী-ওয়ার্ড বাছাইকরণ।

চমৎকার সব কী-ওয়ার্ড বাছাইয়ের মাধ্যমে আপনি পেতে পারেন অনেক ভালো ট্রাফিক। আসুন দেখা যাক কিভাবে আমরা কী-ওয়ার্ড বাছাই করবো।
কী-ওয়ার্ড বাছাই এর সময় আমাদের কিছু বিষয় নিয়ে গবেষনা করতে হবে। এই ট্রামগুলা বিবেচনা করে আপনাকে আপনার সাইট এর জন্য সঠিক কী-ওয়ার্ড বাছাই করতে হবে। নিম্নে তা সংক্ষেপে আলচনা করেছেন সানি আহমেদঃ

কী-ওয়ার্ড রিলিভেন্স (Keyword relevance)

প্রথমে আপনার বিজনেস/সাইটটি কোন বিষয়বস্তুর উপর তা নির্ধারণ করুন। তারপর ওই বিষয়বস্তুটির Keyword কি সেটা নির্ধারণ করুন। ধরুন আপনার গাড়ীর পার্টস সেলিং (Car parts selling) রিলেটেড। লক্ষ্য করে দেখুন কার (CAR) কিওয়ার্ডটি highest volume keyword । এখন আপনাকে দেখতে হবে কতজন লোক গাড়ীর পার্টস (buy car parts) কিনতে CAR শব্দটি ব্যবহার করছে। এক্ষেত্রে আপনার কিওয়ার্ড কার (Car) হবে না। আপনার কিওয়ার্ড হবে আপনার সাইটের সাথে আরও Specific সম্পর্কযুক্ত। যেমন: BUY CAR PARTS, GETTING YOUR CAR PARTS। আপনার বিজনেস যদি গাড়ীর জানালা (CAR WINDOWS ) রিলেটেড হয় তাহলে আপনি আরও Specific কিওয়ার্ড ব্যবহার করবেন। যেমন: buy car window। তখন আপনি সহজেই আপনার গ্রাহকের নিকট পৌছাতে পারবেন এবং গ্রাহকও আপনাকে সহজে খুজে বের করতে পারবে। আপনি হয়তো ভাবছেন এই কিওয়ার্ডটির Search Volume কম। তাই না? search volume কম হলেও Keyword Relevancy এর কারণে আপনার traffic ratio বাড়বে। তাই সারকথা হলো যতটুকু সম্ভব আপনি আপনার ‍ সাইট/বিজনেস এর সাথে Specific সম্পর্কযুক্ত Keyword নির্বাচন করুন।

অর্থাৎ, আপনি আপনার ভিজিটরকে ঠিক কোন বিষয়টির দিকে (অর্থাৎ Keyword) আকৃষ্ট করতে চান কিংবা কোন ভিজিটরদের নিকট আপনি পৌছতে চান যা আপনার ব্যবসা/সাইটের সাথে সম্পর্কিত সেটাই কি-ওয়ার্ড রিলিভেন্সী।

কি-ওয়ার্ড সার্চ ভলিউম (Keyword Search Volume) :

যে পরিমাণ লোক কোনো নিদিষ্ট কিওয়ার্ডে সার্চ দেয় সেটাই ওই Keyword এর Search Volume । ধরুন ১০,০০০ লোক Education কিওয়ার্ডটি দিয়ে সার্চ দেয়। তাহলে ওই ১০,০০০ লোক হলো উক্ত কিওয়ার্ড এর Search Volume। সার্চ ভলিউম একটি একক শব্দের হতে পারে কিংবা একটি শব্দগুচ্ছেরও হতে পারে। আবার কোনো নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটেরও সার্চ ভলিউম হতে পারে। web analytics Tools দিয়ে এই সার্চ ভলিউম পরিমাপ করা হয়। যেমন: Google Keyword tool, Word tracker ইত্যাদি।

উপযুক্ত Keyword নির্বাচন করা ভালো ভিজিটর এর প্রথম শর্ত। High Search volume এর কিওয়ার্ডগুলোতে বেশি traffic পাওয়া যায়। তাই Keyword নির্বাচন করার সময় বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে যেন কিওয়ার্ডটির সার্চ ভলিউম ভালো হয়।

এবার আসুন দেখি সার্চ ভলিউম এর রেজাল্টগুলো নিয়ে।
Search volume এর রেজাল্ট ৩ ধরনের হয়:

  • Broad
  • Exact
  • Phrase

আপনি যখন Google Adwords Keyword Tool ব্যবহার করবেন তখন দেখতে পাবেন Left Sidebar এর ছোট্ট একটি বক্স আছে যাতে তিনটি চেকবক্স দেখা যাচ্ছে।

এটি ব্যবহার করে কিওয়ার্ড এর সার্চ ভলিউম সম্পর্কে তিন ধরনের তথ্য বের করতে পারবেন।
১. (Broad)- উক্ত কি-ওয়ার্ড দিয়ে সামগ্রিকভাবে সার্চ ভলিউম কত
২. শুধুমাত্র (Exact) আপনার কিওয়ার্ড এর শব্দ/শব্দগুলো দিয়ে কি পরিমাণ সার্চ ভলিউম
৩. এবং Phrase এর সাথে Match করা কিওয়ার্ডগুলো দিয়ে সার্চ ভলিউম কি পরিমাণ।

প্রতিটিতে চেকবক্স এ টিক চিহ্ন বসিয়ে দেখুন একরকম রেজাল্ট দেখাবে আবার Broad এবং Phrase এর চেকবক্স উঠিয়ে দিলে অন্যরকম রেজাল্ট দেখাচ্ছে। এটি ব্যবহার করে কিওয়ার্ড এর বিভিন্ন Search Volume সম্পর্কে ধারণা পেতে পারেন।

কি-ওয়ার্ড প্রতিযোগীতা এবং প্রতিযোগী বিশ্লেষণ: (Keyword Competition & Competitor Analysis)-

Keyword Competition কি? কোনো Keyword কে rank এ নিয়ে আসার বাধাগুলোই মূলত Keyword Competition। Keyword এর জনপ্রিয়তার উপর নির্ভর করে উক্ত Keyword টিতে কি পরিমাণ Competition হবে। সার্চ মার্কেটাররা এ বিষয়গুলো বিবেচনা করে কিছু বিষয় নির্ধারণ করেন। যেমন এই কিওয়ার্ডটি রেঙ্ক এ আনতে কতটুকু শ্রম এবং কি পরিমাণ সময় লাগাতে পারে ইত্যাদি ইত্যাদি। তাই সহজে কিওয়ার্ডকে rank এ আনার জন্য তুলনামূলক less competitive keyword গুলো নির্বাচন করা উচিত। এখন প্রশ্ন হলো কিভাবে keyword competitiveness বিবেচনা/নির্ধারণ করা হবে? আর competitive Keyword Analysis এর সাথে কি কি বিষয় জড়িত? keyword competition কে effectively করার জন্য সুনির্দিষ্ট কোনো Keyword tool আছে কি?

এখন বিষয় হলো, আপনি ১০ জন Internet Marketer কে সঠিক keyword competition কিভাবে পরিমাপ করা এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করুন। দেখবেন ১০ জন ১০ টি ব্যাতিক্রম সমাধান দিয়েছে। কিন্তু competition analyze করার জন্য সাধারণ কিছু বিষয় রয়েছে যেগুলো জানলে আপনি নিজেই ভালো analyzer হয়ে যাবে। আপনার প্রতিযোগীর সাইটগুলা বিবেচনা করলে আপনি আপনার কি-ওয়ার্ড এর কম্পিটিসন আন্দাজ করতে পারবেন।
এগুলো হলো:-

  • Relevant Content: keyword টি কি কনটেন্ট এর মধ্যে আছে?
  • Optimized Title : প্রতিযোগীর সাইটে আপনার নির্বাচিত keyword টি কি Title এ ব্যবহার করা হয়েছে?
  • Targeted Content: সাইটটিতে কি আপনার কিওয়ার্ডের উপর? নাকি জাস্ট পেজে কিওয়ার্ডটি মেনসন করা হয়েছে?
  • Page Links: উক্ত প্রতিযোগীর পেজে কতগুলো লিংক আছে?
  • Site Links: Root Domain এর উপর কতগুলো লিংক আছে?
  • Authority Links: উক্ত সাইটটিতে কি .edu, .gov, DMOZ, or Yahoo Directory link আছে?
  • Google Page Rank: সাইটটির Google Page Rank কত?
  • Site Age: Site টি কতদিন আগে তৈরী করা হয়েছে?
  • গুগল এ কত গুলো লিংক ইনডেক্স আছে ।
  • উক্ত সাইট গুলোর ব্যাক লিংক কত এবং তারা কি কি ধরনের ওয়েব সাইট থেকে ব্যাক লিংক পেয়েছে, আর এর জন্য আপনি backlinkwatch.com সাইট এর সাহায্য নিতে পারেন।
  • উক্ত সাইট গুলোর মধ্যে কতো গুলো সাইটের হোম পেজ এসেছে, অর্থাৎ ঐ কী-ওয়ার্ড যে রেজাল্ট এসেছে ওর মধ্যে কতো গুলো সাইটের মেইন ডোমেইন আছে।
  • Type of Site: রেঙ্ক এ থাকা বা প্রতিযোগী সাইটটি কি দুর্বল প্রকৃতির সাইট? যেমন: article directories, forums, Yahoo Answers, other Q&A sites, social sites, অথবা অন্য user generated type সাইট?

উপরোক্ত প্রশ্নগুলোর যখন উত্তর আপনার জানা হয়ে যাবে তখন আপনি নিজেই Keyword টি কতটুকু Competitive তা বুঝতে পারবেন। তাছাড়া আপনি board search result এবং exact search result ব্যবহার করেও keyword টির competition সম্পর্কে ধারণা পেতে পারেন। আপনি গুগলে সার্চ দিয়েই এ সম্পর্কে আরও ধারণা পেতে পারেন। আমি শুধু আপনার সাথে কিছু টিপস শেয়ার করেছি। এর বেশি কিছু না। এটাকে কোনো মেথড মনে করবেন না। কারণ এটি সব categories তে কাজ নাও করতে পারে।

আপনি কিওয়ার্ডটি গুগলে সার্চ দেন। প্রথম ১০ টি সাইটকে বিশ্লেষণ করেন। যদি দেখে সবগুলোর মোট পেজরেঙ্ক ২৫ এবং exact match index count যদি 10K এর নীচে হয় তখন বুঝবেন এখানে minimal link building করে গুগুল সার্চে প্রথম চারের ভেতর পৌছা সম্ভব।

যদি মোট পেজরেঙ্ক ৩৫ এবং index count যদি 60K এর নীচে হয় তাহলে আপনাকে TOP-4 এ পৌছতে ২ কিংবা ৩ মাস সময় লাগবে। এক্ষেত্রে index count যদি 100K এর নীচে হয় তবে দ্বিগুণ সময় লাগবে পারে।
আর যদি দেখেন পেজরেঙ্ক ৩৫ এর উপরে তখন index count যাই হোক না কেন বুঝতে হবে এটা inaccessible । এটি জাষ্ট একটা ট্রিকস. Don’t take it seriously কারণ একটি সকল niches সাইট অথবা ভিন্নধর্মী কোনো কিওয়ার্ডের ক্ষেত্রে কাজ নাও করতে পারে। আমি জাস্ট আপনাদের সাথে একটা উদাহরণ শেয়ার করলাম কিভাবে board search result এবং exact search result দিয়েও আপনি কম্পিটিসন বুঝতে পারবেন।

তা ছাড়া সবার ব্যাক লিংক যদি Avg. ১০০-১,০০০ এর মধ্যে থাকে ( এখানে শুধুমাত্র সেই লিংক এর ব্যাক লিংক এর কথা বলা হয়েছে যে লিংক সার্চ রেজাল্ট এ এসেছে, ঐ ওয়েব সাইটের হোম পেজ এর নয়) তাহলে ধরে নিতে হয়ে যে সেটি লো কম্পেটিশন ।
আর যদি ঐ কী-ওয়ার্ড দিয়ে সার্চ দিলে ৫০% ওয়েব সাইটের এর হোম পেজ আসে তাহলে ধরে নিতে হবে তা মোটামুটি হাই- কম্পেটিশন কী-ওয়ার্ড।

এবার আপনাদের সামনে সব কী ওয়ার্ড রিসার্চ টুলস, লং টেইল কীওয়ার্ড কি কেন কিভাবে নিয়ে লিখছেন রামকৃষ্ণ ভট্টাচার্য

কী ওয়ার্ড রিসার্চ টুলস

আপনার সাইট কে ভালভাবে অপটিমাইজ করার জন্য কীওয়ার্ড খুবই গুরত্তপুর্ণ ভূমিকা পালন করে। যদি আপনার প্রত্যেকটি পেজ ভাল ভাল কীওয়ার্ড দ্বারা ভালভাবে অপটিমাইজ করা থাকে, তাহলে তারা সার্চ ইঞ্জিন থেকে ভাল এবং টার্গেটেড ভিজিটর আনতে পারে খুব সহজেই।

এখানে অনেক নিয়ম আছে আপনার পেজ এর জন্য ভাল কীওয়ার্ড খুজে বাহির করার। তাদের মধ্যে খুব ভাল এবং জনপ্রিয় হচ্ছে ফ্রী কীওয়ার্ড রিসার্চ টুলস গুলো কে কাজে লাগানো। তাই কিছু ভাল অনলাইন টুলস ( ফ্রি টুলস, ব্রাউজার এক্সটেনশান এবং কিছু পেইড সার্ভিস এর ফ্রি ভার্সান) নিয়ে আলোচনা করব। কীওয়ার্ড রিসার্চ টুলস গুলো রিয়েল টাইম কোন ডাটা দিতে পারেনা কীওয়ার্ড সম্পর্কে প্রতি সার্চ এ। তারা তাদের ক্যাশ থেকে তথ্য গুলা দিয়ে থাকে।

নিচে কিছু কী ওয়ার্ড রিসার্চ টুলস নিয়ে আলোচনা করছিঃ

১. গুগল অ্যাডওয়ার্ডস টুলস

(https://adwords.google.com/select/KeywordToolExternal):
নিচের লিঙ্কে গিয়ে ছবিটি দেখুন –

সম্ভবত এটা হচ্ছে সব ফ্রি রিসার্চ টুলস গুলোর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় টুল এসইও এর জন্য এবং এটা গুগল এর নিজস্ব কীওয়ার্ড টুল। শুধুমাত্র একটা কীওয়ার্ড অথবা প্রতি লাইনে একটি একটি বাক্য বসিয়ে রিলেটেড কীওয়ার্ড গুলো খুব সহজেই খুজে পাওয়া যায়। এখানে আপনি কীওয়ার্ড রিসার্চ করার সময় ফিল্টার করতে পারবেন প্রয়োজনভেদে যেমন এক্সেট অথবা ফ্রেজ ম্যাচ টাইপ যা এসইও এর জন্য দরকার হয়। এরপর ও আপনি বিভিন্ন ভাষায় এবং দেশ ভেদে কীওয়ার্ড সার্চ করতে পারবেন। এর সাথেও আরো কিছু ফিচার আছে এটার যেমন আপনি কীওয়ার্ড আইডিয়া পেতে পারেন ডেক্সটপ এবং ল্যাপটপ ডিভাইস এবং মোবাইল ডিভাইস এর জন্য (ওয়াপ, মোবাইল ডিভাইস যাদের স্মার্ট ফোনের সুবিধা আছে), নিচের লিঙ্কে গিয়ে ছবিটি দেখুন –

কীওয়ার্ড আইডিয়া ট্যাব এ আপনি একটা কলাম দেখবেন যেখানে থাকবে Competition, Global Monthly Searches, Global Local Searches, Ad Share, Google Search Network, Search Share, Approximate CPC (cost-per-click bid), Local Search Trends graph and Extracted From Webpage, আমি আপনাকে সাজেস্ট করব All Columns বাটন এ ক্লিক দিয়ে সবগুলো এনাবল করে দেয়ার জন্য ভাল সার্চ কীওয়ার্ড খুজে পেতে যা সাহাজ্য করবে। নিচের লিঙ্কে গিয়ে ছবিটি দেখুন

রিসার্চ শেষ করার পর আপনি আপনার রিসার্চ করা কীওয়ার্ড রেজাল্ট গুলো CSV format এ ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। সবার মত আমরাও বলব যে এটা খুবই ইফেক্টিভ রিসার্চ টুল যার কাছে সব ধরনের ফিচার গুলো পাওয়া যায় এবং তা অবশ্যয় ফ্রিতে।

২. গুগল ইনসাইট/ ট্রেন্ড (http://www.google.com/trends/)

নিচের লিঙ্কে গিয়ে ছবিটি দেখুন –

ইন সাইট গুগল হচ্ছে গুগল এর অন্য একটি উপকারি টুল কীওয়ার্ড রিসার্চ এর জন্য। এটার মাধ্যমে আপনি মাল্টিপল কীওয়ার্ড তুলনা করতে পারবেন কিছু প্যারামিটার এর উপর যেমন সিলেক্টেড ক্যাটাগরি অনুযায়ী, দেশ অনুযায়ী এবং টাইম ফ্রেম অনুযায়ী। এখানেও আপনি ফিল্টার করার সুযোগ পাবেন যেমন ওয়েব সার্চ, ইমেজ সার্চ, নিউজ এবং প্রোডাক্ট সার্চ। এখানে আরো একটি মজার অপশন হচ্ছে আপনি আপনার তথ্য কে ওয়ার্ল্ড ম্যাপ এর মাধ্যমে তুলনা করতে পারবেন। নিচের ছবিটি দেখুন –

৩. Ubersuggest.org

নিচের ছবিটি দেখুন –

এটা হচ্ছে ফ্রি কীওয়ার্ড সাজেশন টুল যা গুগল কে ব্যাবহার করেই প্রায় তৈরি হয়েছে। এটার প্রধান কাজ হচ্ছে সাজেশান করা। এখানেও আপনি আপনার পছন্দমত ভাষা এবং আপনার কী ওয়ার্ড এর ধরন (ওয়েব, নিউজ, শপিং, ভিডিও অথবা রেসিপি) সিলেক্ট করতে পারবেন। Ubersuggest আপনার কীওয়ার্ড কে বিভিন্নভাবে পরিবর্তন করে আপনাকে সাজেস্ট করতে সক্ষম কীওয়ার্ড এর সাথে বর্ণ লাগিয়ে অথবা ডিজিট লাগিয়ে। সাজেশান করা কীওয়ার্ড গুলো দিয়ে যদি আপনি আবার সার্চ করেন তাহলে আরো লং টেইল সাজেশান পাবেন।
যেমন এস ই ও এর জন্য আমি ৩৮০ সাজেশান পেলাম। নিচের ছবিটি দেখুন –

এটার কাজ ও কিছুটা ubersuggest এর মত কিন্তু এটা কোন কীওয়ার্ড সাজেশান করবেনা। এটার কাজ হচ্ছে মার্জ করা যা হচ্ছে ৩ টা ভিন্ন কীওয়ার্ড কে একটি অর্থবোধক বাক্যে একত্র করে দিবে এটা। যা ডোমেইন রেজিস্ট্রেশান এর সময়, অ্যাডওয়ার্ডস এও ব্যাবহার করা হয়ে থাকে। যা আমরা এস ই ও এর ভাষাই বলি সাফিক্স অথবা প্রিফিক্স যোগ করা।

৫. SEO Book free Keyword suggestion Tool

(http://tools.seobook.com/keyword-tools/seobook/):
নিচের ছবিটি দেখুন –

এটিও কীওয়ার্ড সাজেশন টুল যা Wordtracker দ্বারা পরিচালিত। এটা ব্যাবহার করতে হলে অবশ্যই একটা অ্যাকাউন্ট ক্রিয়েট করতে হবে। এটা আপনার টপিক এর সাথে রিলেটেড সার্চ রেজাল্ট এবং রিলেটেড প্রেস দেখাবে। আপনি এটার ডাটা গুলো ও CSV file format এ ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। এটা ফ্রি শুধুমাত্র রেজিস্ট্রেশান এর মাধ্যমে ওদের মেম্বারশিপ হতে হচ্ছে।

৬. SEO Book Keyword Typo Generator (http://tools.seobook.com/spelling/keywords-typos.cgi) :

নিচের ছবিটি দেখুন –


এই টুল এর মাধ্যমে আপনি আপনার কীওয়ার্ড এর কিছু কমন বানান ভুল, ডাবল ওয়ার্ড খুব সহজেই বাহির করতে পারবেন যা ডোমেইন সিলেক্ট এবং কীওয়ার্ড সাজেশান এও খুব সাহাজ্য করবে।

৭. Wordtracker’s Free Keywords Suggestion Tool (https://freekeywords.wordtracker.com/ ):

নিচের ছবিটি দেখুন –

এটাও মোটামুটি জনপ্রিয় একটা কীওয়ার্ড সাজেশান টুল যার মাধ্যমে আপনি পাবেন ১০০ কী ওয়ার্ড প্রেস এবং এটা প্রতিদিন এর কীওয়ার্ড সার্চ দেখায়। এটা সার্চ ইঞ্জিন অনুসন্ধানের প্রতিদিনের কীওয়ার্ড সার্চ নাম্বার দেখায় তাই আপনার যদি মাসিক সার্চ দরকার হয় তাহলে ৩০ দ্বারা গুন দিলেয় মাসিক সার্চ বাহির হয়ে যাবে।

৮. Wordtracker’s Keyword Questions (https://freekeywords.wordtracker.com/questions ):

নিচের ছবিটি দেখুন –

এটা wordtracker এর অন্য একটি জনপ্রিয় ফিচার যার মাধ্যমে আপনি কিছু ইম্পরট্যান্ট তথ্য বাহির করতে পারবেন আপনার কীওয়ার্ড এর। শুধুমাত্র আপনার কীওয়ার্ড টা লিখে দেন এবং এটা আপনাকে ১০০ কীওয়ার্ড রিলেটেড প্রশ্ন বাহির করে দিবে যা আপনি আর্টিকেল লেখার টপিক হিসেবে ব্যাবহার করতে পারবেন এবং নতুন কী ওয়ার্ড আইডিয়া খুজে পেতে পারেন।

৯. SEMRUSH.com

নিচের লিঙ্কে গিয়ে ছবিটি দেখুন –

এটা যদিও নাম করা একটি পেইড টুল কিন্তু আপনি এটার ফ্রি ভার্শান কে কাজে লাগিয়ে ভাল কীওয়ার্ড খুজে বের করতে পারেন সহজেই। কারণ যার ডাটাবেজ এ আছে ৯৫ লক্ষ + কীওয়ার্ড এবং ৪৩ লক্ষ + ডোমেইন। শুধুমাত্র ফ্রি ভার্শান এ কিছু লিমিট আছে, সেমরাশ লং টেইল কীওয়ার্ড বাহির করে দিতে সাহাজ্য করে।

১০. Keyword Spy (http://www.keywordspy.com/ ):

নিচের ছবিটি দেখুন –

এটাও একটি জনপ্রিয় পেইড কীওয়ার্ড রিসার্চ টুল কিন্তু আপনি ফ্রি তে ১০ টা কীওয়ার্ড রিসার্চ করতে পারেন।

১১. Soovle.com

নিচের ছবিটি দেখুন –

এটা একটি ফ্রি কীওয়ার্ড রিসার্চ টুল যার মাধ্যমে ইন্টারনেট এ টপ সার্চ ইঞ্জিন (Google, Amazon, Youtube, Netflix, Ebay, Buy, Bing, Answers, Wikipedia, Weather.com) গুলোতে একই সময়ে যে কোন কীওয়ার্ড কে তুলনা করতে পারেন। আপনি রেজাল্ট গুলো ডাউনলোড করে নিতে পারবেন বামে কর্নারে উপরে সেভ বাটন এ ক্লিক করে।

১২. Trafic Travis (http://www.traffictravis.com/)

আর এখানে কী ওয়ার্ড রিসার্চ এর আরো একটি ভালো সফট হল Traffic Travis. এই সফটওয়্যার এর ফ্রি ভার্সন আমার কাছে অনেক ভালো লাগে, আপনি এখান থেকে কী ওয়ার্ড রিসার্চের যাবতীয় সব ডাটা খুব সহজেই কালেকশন করতে পারেন।

আরো কিছু ফ্রি কীওয়ার্ড রিসার্চ টুলস এর লিঙ্ক নিচে দেয়া হলঃ

১২। https://ads.youtube.com/keyword_tool/
১৩। http://www.alexa.com/siteinfo
১৪। http://www.bing.com/toolbox/keywords
১৫। http://www.getrank.org/tools/keyword-suggestion-generator/
১৬। http://www.google.com/trends/correlate/
১৭। http://www.seoquake.com/
১৮। http://actualkeywords.com/freekeywords.aspx
১৯। http://www.keyworddiscovery.com/search.html
২০। http://www.wordstream.com/keywords
২১। http://www.spyfu.com/
২২। http://www.wordze.com/
২৩। http://www.webseoanalytics.com/free/seo-tools/keyword-research.php
২৪। http://www.nichebotclassic.com/
২৫। http://labs.ebay.com/erl/demoto/to?
২৬। http://www.keywordeye.com/

কিছু ডেক্সটপ পেইড রিসার্চ টুলস-

২৭। http://www.goodkeywords.com/good-keywords/
২৮। http://www.marketsamurai.com/
২৯। http://keywordresearcher.org/
৩০। http://keywordscoutlite.com/free.html
৩১। http://www.advancedwebranking.com/feats-keyword-research-tool.html
৩২। http://www.link-assistant.com/rank-tracker/

প্রায় সব রিসার্চ টুলস এর কাজ একই রকম তাই একটা টুল যদি ভাল করে ব্যাবহার শিখতে পারেন তাহলে সব টুলস গুলো সহজেই ব্যাবহার করতে পারবেন। তবে আমি মনে করি যত বেশি টুলস তত বেশি দ্বন্দ্ব তাই যে কোন ভাল ২ টা অথবা ৩ টা টুলস কাজে লাগান।

লং টেইল কীওয়ার্ড কি কেন কিভাবেঃ

নিচের ছবিটি দেখুন –

মনে করেন একজন ব্যক্তি মোবাইল ব্যাবহারকারী হিসেবে গুগল সার্চ করতে গেল একটা মোবাইল কেনার জন্য। তাহলে সাধারনত সে কখনই “Buy a mobile phone” লিখে সার্চ দিবেনা কারণ তার অবশ্যই কোন একটা মডেল পছন্দ থাকতে পারে। উদাহরণ দেয়া যাই তার একটি ৫ মেগাপিক্সেল এর নোকিয়া মোবাইল দরকার বাংলাদেশের কোন একটা স্পেসিফিক লোকেশান এ। তাহলে তার সার্চ অনুসন্ধান হবে “Nokia Mobile with 5 mega pixel camera in Bangladesh” তাহলে দেখা যাচ্ছে এখানে ব্র্যান্ড এর নাম উল্লেখ করা আছে, কিছু ফিচার ও আসছে এবং সাথে লোকেশান।

এটাকেই বলা হয়ে থাকে লং টেইল কীওয়ার্ড, যখন কোন কীওয়ার্ড ২, ৩ ও ৪ ওয়ার্ড ছেড়ে যাই তখন এটাকে লং টেইল কীওয়ার্ড বলা হয়ে থাকে। এটা খুবই প্রয়োজনীয়। কারণ, এই কীওয়ার্ড গুলোর কম্পিটিশন কম থাকে এবং লোকাল মাসিক সার্চ বেশি থাকে। এবং ব্যাবহারকারী দের দিক থেকে চিন্তা করলে ভাল একটা পন্য খুজে বাহির করতে লং টেইল কীওয়ার্ড হচ্ছে বেস্ট কীওয়ার্ড।

কেন এই কী-ওয়ার্ড ভালঃ

  • লং টেইল কীওয়ার্ড এর কম্পিটিশন কম থাকে।
  • লোকাল মাসিক সার্চ বেশি থাকে।
  • লো কম্পিটিশন থাকায় সহজেই রেঙ্ক করানো যায়।
  • লং টেইল কীওয়ার্ড এর সাথে শর্ট প্রেজ কীওয়ার্ড গুলো ও চলে আসে তাই ওগুলোসহ তাড়াতাড়ি রেঙ্ক হউয়ার চান্স অনেক বেশি থাকে।
  • লং টেইল কীওয়ার্ড টার্গেটেড ট্রাফিক সাইট এ পাঠাতে সাহাজ্য করে।
  • CTR অনেক বেশি থাকে।
  • ব্যবসা এর জন্য লং টেইল কীওয়ার্ড খুবই দরকারি।

কিভাবে বাছাই করবেনঃ

আপনি গুগল অ্যাডওয়ার্ডস কে কাজে লাগিয়ে খুব সহজেই লং টেইল কীওয়ার্ড বাছাই করতে পারবেন অথবা যে কোন শর্ট কীওয়ার্ড কে সেমরাশ এ দিয়ে দিলে আপনি লং টেইল কীওয়ার্ড পেয়ে যাবেন। এছারা আপনি যদি Ubersuggest.org এর ব্যাবহার জানেন তাহলে অনেক লং টেইল কীওয়ার্ড খুজে বাহির করতে পারবেন আপনার টার্গেটেড টপিক এর উপর।
Google Adwords এ কী-ওয়ার্ড রিসার্চ এর পদ্ধতিঃ

এখন আমি আপনাদের দেখাবো কিভাবে Google Adwords এ কী-ওয়ার্ড রিসার্চ এর করবেন। নিচের ধাপ গুলো একে একে অনুসরন করেলেই আশা করছি বুঝতে পারবেন।

নির্বাচন করুন আপনার কী-ওয়ার্ডঃ

প্রথমে Google Adwords এ যান। মনে মনে আপনার কাঙ্ক্ষিত কী-ওয়ার্ড নির্বাচন করুন। মনে করুন আপনি FootBall বিষয়ক একটি সাইট বানাতে চান। কি ধরনের সাইট বানাতে চান Football নিয়ে? যেটি নিয়ে আপনি সহজেই কাজ করতে পারবেন বা আর্টিকেল লিখতে পারবেন সেটা নির্বাচন করুন। যেমন সেটি হতে পারে fantasy football . কিংবা আপনি শুধু Football লিখে সার্চ দেন। তাহলে দেখবেন অনেক রিলিভেন্ট কী-ওয়ার্ড চলে এসেছে। এবার যেই কী-ওয়ার্ড আপনার কাছে ভালো মনে হবে সেটা কি নির্বাচন করুন।

এখন আপনি দেখবেন যে কী-ওয়ার্ড এ সার্চ ভলিয়ম মোটামুটি ২,০০০-৫০,০০০ (Exact সার্চ) আছে সেগুলো বাছাই করতে।

আপনার মনের মতো কী-ওয়ার্ড খুজে পেলে সেই কী-ওয়ার্ডকে সার্চ দিন গুগল ট্রেন্ডস এ। এতে করে আপনি বুঝতে পারবেন যে এই কী-ওয়ার্ডটি এখনো লাইভ মানে সার্চ হয় কিনা। তাছাড়া ওখান থেকে আপনি দেখে নিতে পারবেন যে কোন কোন দেশ এ ঐ কী-ওয়ার্ড বেশি সার্চ হয়। এতে করে আপনি ঐ কী-ওয়ার্ড এর CPC ও নির্ধারণ করতে পারেন।

কম্পিটিটর এন্যালাইসিসঃ

কম্পিটিটর এন্যালাইসিস মানে হল আপনি যে কী-ওয়ার্ড নির্বাচন করেছেন সেই কী-ওয়ার্ড এ যে প্রথম ১০ টি সাইট আছে সেগুলোর কম্পিটিশন বা তাদের ভ্যালু কেমন সেটা নির্বাচন করা। আপনাকে আগে ভাবতে হবে আপনি যে কী-ওয়ার্ড নিয়ে কাজ করছেন সেই কী-ওয়ার্ড এ আপনি সহজেই রাংক করাতে পারবেন কিনা। কারন সব কী-ওয়ার্ডএর কম্পিটেশন এক থাকে না, এমন অনেক কী-ওয়ার্ড আছে যার সার্চ ভলিয়ম অনেক বেশি কিন্তু এই ধরনের কম্পেটিশন অনেক কম। ঠিক ধরেছেন! আপনাকে ঐ ধরনের কী-ওয়ার্ড নিয়েই কাজ করতে হবে।

এখন আসুন দেখে নেই কোন কোন বিসয়ের উপর নির্ভর করে আপনি নির্ধারণ করবেন যে আপনি ঐ কী-ওয়ার্ড এ কাজ করতে পারবেন কি না।

আর এই কাজ করার জন্য আপনাকে ব্যবহার করতে হবে SEO Quack এডঅন্স। যাদের এখন ও এই এডন্স নেই তারা ডাউনলোড করে আপনার ব্রাউজার এ ইন্সটল করে নিন।

কাজের ধাপঃ

প্রথমে আপনি যে কী-ওয়ার্ড সিলেক্ট করেছেন সেই কী-ওয়ার্ডটি গুগল এ সার্চ করুন।
এরপর যে ওয়েব সাইট গুলো আসবে সেখান থেকে দেখে নিন তাদের ভ্যালু গুলো। আর কি কি বিষয় গুলো দেখবেন তা উপর থেকে সানি ভাই এর লেখা কি-ওয়ার্ড প্রতিযোগীতা এবং প্রতিযোগী বিশ্লেষণ: এর পয়েন্ট গুলো পরে দেখেন।

আশা করি ঐ বিষয় গুলো ফলো করলে আপনি সহজেই বুঝতে পারবেন যে আপনার নির্বাচিত কী-ওয়ার্ড দিয়ে আসলেই র্যাংিক আপ করাতে পারবেন কিনা।

আর যদি আপনি সফটওয়্যার এর মাধ্যমে করতে চান তাহলে আমি আপনাদের রিকমেন্ড করব ট্রাফিক ট্রাভিস ব্যবহার করতে। তবে ম্যানুয়েলি করাই সবচেয়ে ভালো।

Keyword ROI কি এবং কিভাবে নির্ধারণ করবেন।

এতক্ষণে হয়তো অনেক কষ্ট করে আপনি আপনার কাঙ্ক্ষিত কী-ওয়ার্ড পেয়ে গেছেন। যাক খুবই ভালো কথা, কিন্তু এই কী-ওয়ার্ডটি আসলেই কতটুকু লাভজনক হবে আপনার জন্য তা কি কখন ও ভেবে দেখেছেন?? হয়তো না। আর এই লাভ বা লোকসানই হল Keyword ROI। ROI এর মানে হল Return On Investment । কত লাভ করবেন আপনি, কত সময় লাগবে এই সব বিষয় হিসাব করাকেই বলা হয় Calculating Keyword ROI for SEO। আসুন দেখে নেই কিভাবে আপনি এর হিসাব নিকাশ করবেন।

সার্চ রেজাল্ট এর CRT রেটঃ

CRT= Click Through Rate । আমরা যখন সার্চ ভলিঊম দেখতে পাই একটি কী-ওয়ার্ড এ তখন সবারই ধারনা যে ভলিউম দেখায় ঠিক সেই ভলিউমই পাওয়া যায়। আসলে ধারনাটি সম্পূর্ণ ভুল। কারন একটি সার্চ রেজাল্ট পেজ এ ১০টি পেজ থাকে এবং প্রতিটা ওয়েব সাইট ই ভিজিটর পায় সেটা কম বা বেশি, যেমন আপনার সার্চ ভলিউম যদি হয় ৫০,০০০ প্রতিমাসে এবং আপনি যদি ১ম রেংক এ থাকেন তাহলে আপনি ৫০,০০০ ই পাবেন না, আপনার কী-ওয়ার্ড অনুসারে আপনি ৩০-৬০% পর্যন্ত পাবেন। তার মানে হলো আপনি ৫০,০০০ ভলিউম এর থেকে ১৫,০০০-৩০,০০০ ভিজিটর পাবেন। বাকি ভিজিটর গুলো অন্য রেংকিং এ থাকা ওয়েব সাইট গুলতে ভাগ হয়ে যায়।

আবার ভিন্ন ভিন্ন টাইপ এর কী-ওয়ার্ডএর CRT ও ভিন্ন হয়। SEOMoz থেকে পাওয়া কিছু তথ্য আজ আমি আপনাদের সামনে দেখাবো। তাহলে আপনি ও বুঝতে পারবেন যে আপনি যা টার্গেট করেছেন তার থেকে ঠিক কতোটুকু ভিজিটর আপনি পাবেন।

এটা হল কী-ওয়ার্ড টাইপ এর ছক

Average CTR of all queries

এখানে দেখা যাচ্ছে এভারেজ সব ধরনের কী-ওয়ার্ড এর ১ম পজিশনে থাকা ওয়েব সাইট ভিজিটর পায় ৫২%, ২য় পায় ৩২%, এভাবে ক্রামানুসারে ১০ম পজিশন এর সাইট পায় ৮%। এখানে দেখা যায় যে সব গুলোর CRT যোগ করলে হয় ২০৮%! এর মানে হল একজন মানুষ একটি কী-ওয়ার্ড দিয়ে সার্চ করলে শুধু ১টি সাইট ই ভিজিট করে না, গড়ে প্রতিটি ভিজিটর সার্চের ২টি করে সাইট ভিজিট করে।

এভাবে অন্য সব কী-ওয়ার্ড এর CRT এর মধ্যে রয়েছে।

Average CTR of brand queries

Average CTR of product queries

Average CTR of general queries

Long tail queries

যেভাবে keyword RIO নির্ধারণ করবেন

নিচে keyword RIO নির্ধারণের পদ্ধতি গুলো স্টেপ বাই স্টেপ দেয়া হল।

১ম ধাপঃ প্রথমে আপনি আপনার কী-ওয়ার্ড এর Monthly Search Volume বের করুন। আর কিভাবে বের করবেন এতক্ষণে নিশ্চয়ই জেনে গিয়েছেন।

২য় ধাপঃ এবার আপনি আপনার সার্চ ভলিউম এর CRT নিন এবং দেখুন আপনি কতজন ভিজিটর পাবেন। যদি আপনার টার্গেট কী-ওয়ার্ড এর ভলিউম হয় ৪০,০০০ এবং আপনি ১ম পজিশন এ থাকেন তাহলে ধরুন ৬০% ভিজিটর আপনি পাবেন। অর্থাৎ ২৪,০০০ প্রতিমাসে। এখন এই ভলিউম থেকে আপনাকে আপনার Conversation রেট বের করতে হবে, এখানে আপনি আপনার যে ম্যাথড এর উপর আয় করতে চান তার উপর নির্ভর করে, যেমন আপনি যদি এডসেন্স ব্যবহার করেন তাহলে আপনি আপনার এড এর CRT ধরতে পারেন ৬-১০% এর মধ্যে। তাহলে আপনি প্রতিমাসে ২৪,০০০ ভিজিটর থেকে ১০% Conversation পাবেন। অর্থাৎ ২,৪০০ ক্লিক।

৩য় ধাপঃ এবার আপনি আপনার Conversation কে গুন করবেন আপনার CPC (Cost Per Click) দিয়ে, এখানে এডসেন্স হলে CPC আর এফিলিয়েট হলে আপনার কমিশন রেট। আমি এখানে এডসেন্স এর CPC ধরে হিসাব করলাম। অর্থাৎ আপনার CPC যদি $০.৮০ হয় তাহলে তা Conversation দিয়ে গুন করুন। তার মানে ২৪০০X০.৮০= $১৯২০ ডলার প্রতিমাসের আয়।

৪র্থ ধাপঃ এবার আপনি এই প্রতিমাসের আয়কে ৩০ দিন দিয়ে ভাগ করে বের করতে পারেন আপনার প্রতিদিনের আয়। আর উপরের হিসাব থেকে দেখা যায় আপনার প্রতিদিনের আয় হয় ৬৪ ডলার।

৫ম ধাপঃ এখানেই শেষ নয়, আপনার কাজ শুরু করার আগে টার্গেট নিতে হবে আপনি কয়মাস পর এই অবস্থানে যেতে পারবেন, সেটা হতে পারে ৩ মাস, ৬ মাস বা ১ বছর। যদি তা ৩মাস হিসাবে ধরেন তাহলে কিন্তু আপনি ৩মাসের আগে এই এমাউন্ট পাবেন না। অর্থাৎ আপনাকে ৩মাস ইনভেস্ট করতে হবে,( এখানে সময় ও অর্থ এর কথা বলা হয়েছে). এখন আপনার এই ৩ মাসে যে সময় এবং অর্থ ঐ ওয়েবসাইট র্যাং কিং এর জন্য ব্যয় করেছেন তার সমষ্টি যদি ৩ মাস পরের আয়ের সাথে মিলে যায় তাহলে বুঝবেন আপনার RIO ঠিক আছে। অর্থাৎ আপনি যা ইনভেস্ট করেছেন তা আপনার উঠে এসেছে, এবং আপনি যদি সব মিলিয়ে এই ৩ মাসে ১০০০ ডলার ইনভেস্ট করেন এবং ৩ মাস পর যদি আপনি ২০০০ ডলার ব্যাক পান তাহলে আপনার RIO হবে ২০০% মানে আপনার ইনভেস্ট এর দ্বিগুণ আপনি ফেরত পেলেন।

অনেক হিসাব নিকাশ হল তাই না?? আসলে একটু ঠাণ্ডা মাথায় সব কিছু দেখলেই এই RIO সম্পর্কে আপনার আর কোন সমস্যা হবে না, আজ এই পর্যন্তই। ইচ্ছা ছিলো আর অনেক কিছু নিয়ে আলোচনা করার, কিন্তু এতো লেখা একবারে অসম্ভব। আর কী-ওয়ার্ড রিসার্চ এর ব্যাপকতা অনেক, যা আসলে ধীরে ধীরে আপনাকে অর্জন করতে হবে, টেকনিক্যাল পথের সাথে অভিজ্ঞতার ও প্রয়োজন আছে আর সেটা সময় সাপেক্ষ। আর সময় দিতে থাকুন এবং শিখতে থাকুন কী-ওয়ার্ড রিসার্চ।

ধন্যবাদ সবাইকে।

ক্লাস এর ৭ম দিন

পেজ র‌্যাঙ্ক:

"পেজ র‍্যাঙ্ক "

পেজ র‍্যাঙ্ক

যার মাধ্যমে গুগল কোন একটি ওয়েব সাইট এর প্রতিটি পেজ এর গুরুত্ব পরিমাপ করে থাকে তাই হচ্ছে পেজ র‌্যাঙ্ক। গুগল সার্চ ইঞ্জিন এ আমরা যখন সার্চ করি তখন সেখানে জেই সার্চ রেজাল্ট দেখতে পারি তার অনেকটাও এই পেজ র‌্যাঙ্ক এর উপর এবং কিছু অন্যান্য বিষয় এর উপর নির্ভর করে থাকে । পেজ র‌্যাঙ্ক এর উদ্ভাবন করেন গুগল এর জনক ল্যারি পেজ এবং সারজে ব্রিন । এই পেজ র‌্যাঙ্ক বেশ কিছু বিষয়ের উপর নির্ভর করে থাকে যার মধ্যে ব্যাকলিঙ্ক , কি ওয়ার্ড ডেনসিটি এমনি কিছু অন্য বিষয় এর উপর । গুগুল ধরে নেয় যে যখন একটি সাইট অপর একটি সাইটের লিঙ্ক নিজের মধ্যে স্থাপন করে তখন সেটি প্রকৃতপক্ষে অপর সাইটিকে একটি ভোট দিল। তাই আপনার সাইটের জন্য যত বেশি ভোট থাকবে তত বেশি সেটির গুরুত্ব গুগুলে কাছে বৃদ্ধি পাবে। এছাড়াও গুগুল অন্যান্য যেসব সাইট আপনার সাইটটিকে লিঙ্ক করে থাকে তাদের নিজস্ব প্রাপ্ত ভোটকেও গুরুত্ব দিয়ে থাকে। তাই অন্যান্য সাইট যেগুলো আপনার সাইটটিকে লিঙ্ক করেছে বা ভোট দিয়েছে তাদের নিজের প্রাপ্ত ভোট যদি বেশি হয়, তবে গুগুলের দৃষ্টিতে আপনার সাইটের গুরুত্ব ততই বৃদ্ধি পাবে এবং আপনার পেজ র‌্যাঙ্ক বৃদ্ধি পাবে ।

এনকর টেক্সটঃ

"এনকর টেক্সট "

এনকর টেক্সট

এনকর টেক্সট হচ্ছে একটা ক্লিকযোগ্য টেক্সট যেটা ইউজার দেখে। এবং এই এনকর টেক্সট প্রধানত এইচটিএমএল বা এক্সএইচটিএম এল ব্যাবহার করে করা হয়ে থাকে । এখানে ইউজার ক্লিক করে একটা নতুন পেজে যেতে পারে।এটা এনকর ট্যাগের মধ্যে থাকে <a href=”/…”>এনকর টেক্সট</a> । এস ই ও তে এই এনকর টেক্সট অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় ।এটি সার্চ ইঞ্জিন এর জন্য অন্যতম একটি প্রয়োজনীয় বিষয় । আমরা সাধারনত কোন ওয়েব সাইট এ গেলে দেখতে পাই যে লিখা আছে “CLICK HERE” বা “READ MORE” ওগুলো ও একধরনের এনকর টেক্সট । এই এনকর টেক্সট ব্যাবহার করে আপনি আপনার কোন লিখার মধ্যে পূর্বের কোন লিখা যা বর্তমানে আপনি জেই বিষয়ে লিখছেন তার সাথে সম্পর্কিত বা এমন কোন লিখা বা ওয়েব সাইট এর ঠিকানা যা এই লিখার পড়ার সময় দরকার হবে তা লিঙ্ক করে দেয়া কে বুজায় ।

ব্যাকলিংকস কি?

"ব্যাকলিংকস "

ব্যাকলিংকস

ব্যাকলিংকস হল আপনার সাইটের একটি লিংক যা অন্য কোন সাইটে প্রকাশ করা হবে অর্থাৎ অন্য সাইটে প্রকাশিত আপনার লিংককেই ব্যাকলিংক বলা হয়। ব্যাকলিংক হচ্ছে একটি ওয়েব সাইটের পেজ র‌্যাঙ্ক বাড়ানোর মূল হাতিয়ার।

<a href=”http://www.google.com/” target=”_blank”>Google Website</a>

ব্যাকলিংক তো বুঝতে পারলেন এবার চলুন দেখে নেই কোয়ালিটি ব্যাকলিংক কি ?

কোয়ালিটি ব্যাকলিংক হচ্ছে একটি সম্পর্কিত ব্যাকলিংক অর্থাৎ আপনি যদি স্বাস্থ্য সম্পর্কে ব্লগ তৈরি করে থাকেন তবে স্বাস্থ্য সম্পর্কিত কোন সাইটে প্রকাশিত লিঙ্ককেই কোয়ালিটি ব্যাকলিংক বলা হয়ে থাকে । ১০০ টি সাধারন ব্যাকলিংক যে পরিমান কাজ করবে ১ টি কোয়ালিটি ব্যাকলিংক সেই পরিমান কাজ করে থাকে ।

অনেকেই না বুঝে যেন তেন সাইটে ব্যাকলিংক দিতে থাকেন এতে করে তার ব্যাকলিংক এর পাহাড় গড়ে উঠে ঠিকই কিন্তু সার্চ ইঞ্জিন সাইটটিকে স্পাম তালিকাভুক্ত সাইটের তালিকায় ফেলে দেয় এতে নিজের অজান্তে সাইট ক্ষতিগ্রস্থ হয়। তাই কোয়ালিটি ব্যাকলিংক তৈরির দিকে মনোযোগ দিন ।

প্রকারভেদের দিক থেকে ব্যাকলিংক সাধারণত দুই প্রকার । নিম্নে দেওয়া হল-

• ১, ডু-ফলো ব্যাকলিংক

• ২ নো-ফলো ব্যাকলিংক

ডুফলো ব্যাকলিংক কি?

ডুফলো ব্যাকলিংক হচ্ছে একটি সাধারন এইচটিএমএল লিংক। যার মাধ্যমে লিংকটি সরাসরি আপনার সাইটকে রেফার করবে এবং ব্লগ বা পোস্ট এই লিংকটিকে সমর্থন দেবে। ডুফলো ব্যাকলিংক হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী লিংক। আপনি কি ধরনের ব্লগের কাজ থেকে ডুফলো ব্যাকলিংক পাচ্ছেন তার উপরে নির্ভর করে আপনি কি ধরনের রেঙ্ক পাবেন।

উদাহরণস্বরূপ, আমি একটি সাধারন এইচটিএমএল সোর্স কোডের লিংকের মাধ্যমে একটি সাইটের ডুফলো ব্যাকলিংক উপস্থাপন করছি।

<a href=”http://www.google.com/” target=”_blank” rel=”dofollow”>Google Website</a>

নো-ফলো ব্যাকলিংক কি?

নো-ফলো ব্যাকলিংক হচ্ছে এমন একধরনের লিংক যার মাধ্যমে ওয়েবসাইট সার্চ ইঞ্জিনকে তার প্রকাশিত ব্যাকলিংক কে ক্রাওল/ ইন্ডেক্স করতে নিষেধ করে ।। তবে এর মাধ্যমে কিছু ভিজিটর পেতে পারেন। বিশ্বের জনপ্রিয় সাইটগুলো নোফলো ব্যাকলিংক ব্যাবহার করে থাকে যেমন ফেসবুক, টুইটার, উইকিপিডিয়া ইত্যাদি। নোফলো ব্যাকলিংক এর সাথে rel=”nofollow” কোডটি যুক্ত থাকে যা সার্চ ইঞ্জিনকে ইন্ডেক্স করতে বাঁধা দেয়।

উদাহরণস্বরূপ, আমি একটি সাধারন এইচটিএমএল সোর্স কোডের লিংকের মাধ্যমে একটি সাইটের নোফলো ব্যাকলিংক উপস্থাপন করছি।

<a href=”http://www.google.com/” target=”_blank” rel=”nofollow”>Google Website</a>

এলেক্সা র‌্যাঙ্কঃ-

"এলেক্সা "

এলেক্সা

অ্যালেক্সা ইন্টারনেট (Alexa Internet, Inc.) সাইটটি ক্যালিফোর্নিয়ার আমাজন সাইটের একটি সাবসিডিয়ারি সাইট। যা আমরা সাধারনত এলেক্সা.Com নামে চিনি । এই ওয়েবসাইট থেকে বিভিন্ন ওয়েবসাইটের সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যায়। এই ওয়েব ইনফরমেশন কোম্পানি থেকে আরো জানা যায় ওয়েব ট্রাফিক সম্পর্কে রিপোর্ট। সাইটটি ১৯৯৬ সালে চালু হয় এবং এই সাইটের মালিক ব্রুস জিলাট ।

এলক্সা হতে আপনি একটি ওয়েব সাইট সম্পর্কে বেশ কিছু তথ্য যেমন ওয়েবসাইটের মালিক, হোস্টিং দেশ ইত্যাদি তথ্য ছাড়াও ওয়েবসাইটের ট্রাফিক সম্পর্কে ধারণা পাবেন । এছাড়া বিশ্বের ওয়েবসাইটগুলোর মধ্যে কোনো ওয়েবসাইটের র‍্যাংকিং কত তা জানতে পারবেন । এসইও’র কাজে অ্যালেক্সা বহুল ব্যবহৃত হয়ে থাকে। ওয়েব বিশেষজ্ঞদের মতে, অ্যালেক্সা র‍্যাংকিং-এ যদি কোনো সাইট প্রথম ১,০০,০০০-এর মধ্যে না থাকে, তাহলে যে রিপোর্ট দেখায়, তা প্রকৃতপক্ষে ভুল হয়ে থাকে। অ্যালেক্সা র‍্যাংকিং যদিও বিশ্বনন্দিত, কিন্তু যারা অ্যালেক্সা টুলবার ব্যবহার করেন কেবল তাদের ভিযিটই অ্যালেক্সা গোণে, তাই অ্যালেক্সার তথ্য ১০০ ভাগ নিরপেক্ষ নয় । এস ই ও তে সাধারন ভাবে এলেক্সা এর তেমন চাহিদা না থাকলেও ক্ষেত্র বিশেষ এলেক্সা অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে । উদাহরন স্বরূপ আপনার যদি কোন ওয়েব সাইট থাকে এবং আপনি তা বিক্রয় করতে চান তখন আপনার বায়ার বা ক্রেতা বেশ কিছু বিষয় এর উপর নির্ভর করে আপনার সাইট কে পর্যালোচনা করবে এবং দাম নিদ্ধারন করবে । এখত্রে ভাল এলেক্সা র‍্যাঙ্ক থাকলে আপনার ভাল দাম পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে । কারন এতে করে ক্রেতার মনে হয় যে সাইট টি একটি কোয়ালিটি সাইট এবং এতে ভাল ভিসিটর আছে যার কারনে আপনার এলেক্সা র‍্যাঙ্ক অনেক ভাল । এছাড়াও আপনার সাইট এ বিভিন্ন এডভারটাইসার কোম্পানি এড দিতে আসলে তখন আপনি এলেক্সা র‍্যাঙ্ক এর কারনে তার এড আপনার সাইট এ দেয়ার জন্য সে আকৃষ্ট হবে ।

এলেক্সা র‍্যাঙ্ককিং প্রধানত নির্ভর করে তাদের এলেক্সা টুলবার , উইজেট সমূহ , সাইট ক্লেমিং ইত্যাদি বিষয়ের উপর । যেমন এলেক্সা র‍্যাঙ্কিং এর ক্ষেত্রে এলক্সা তাদের টুলবার হতে ডাটা গ্রহন করে থাকে । আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যা আমার এলেক্সা হতে জানতে পারি তা হল ভৌগলিক তথ্য অর্থাৎ আপনার সাইট এ কোন দেশ হতে সবচেয়ে বেশি ভিসিটর আসছে , কোন দেশে আপানার ওয়েব সাইট টি সবচেয়ে জনপ্রিয় । এলেক্সা হতে বর্তমানে সবচেয়ে হট টপিক টি সম্পর্কে জানতে আপনি What’s Hot নামে মেনু টি ব্যাবহার করতে পারেন । বর্তমানে কোন ওয়েব সাইট টি শীর্ষে অবস্থান করছে তা দেখতে পারেন শুধু মাত্র নিউমেরিকালি না ক্যাটাগরি অর্থাৎ বিভাগ ভিত্তিক ভাবে , দেশ ভিত্তিক ভাবে । এলেক্সা তে একটি সাইট সম্পর্কে রিভিউ দেয়া জায় যেখান হতে সাইট টি সম্পর্কে আপনি সেই সাইট এর ভিসিটর দের রিভিউ জানতে পারবেন । তাই জদিও এস ই ও এলক্সা র‍্যাঙ্ক এর খুব বড় কোন ভূমিকা নেই তবে এর অর্থনৈতিক ভুমিকার জন্য একে আপনি অবহেলা না করাই উচিত এবং চেস্টা করা উচিত ভাল এলেক্সা র‍্যাঙ্ক পাওয়ার ।

সাইট ম্যাপঃ-

"সাইটম্যাপ "

সাইটম্যাপ

সাইট ম্যাপ প্রধানত হচ্ছে ওয়েবমাস্টারদের জন্য একটি সহজ প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে একটি ওয়েব সাইট এর অভ্যন্তরীন পেজ গুলোর একটি লিস্ট যা সেই ওয়েব সাইট এর ইউসারদের জন্য বা সার্চ ইঞ্জিন ক্রলার এর জন্য বানানো হয়ে থাকে । এই সাইটম্যাপ এর মাধ্যমে আপনি গুগল কে বলতে পারবেন আপনার সাইট টির কোন অংশ আপনি চান গুগল বা অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিন ক্রল করবে বা কোন পেজ গুলো ক্রল করবে না । সাধারনভানে এক্সএমএল সাইটম্যাপ কে সাইটম্যাপ বলা হয়ে থাকে । জদিও গুগল বেশ কিছু পদ্ধতিতে বা বেশ কিছু ফরমেট এ ক্রল করতে পারে তবে আমরা এক্স এম এল সাইটম্যাপ তৈরি করার জন্য রিকমেন্ড করে থাকি । তবে সাইট ম্যাপ ২ ধরনের হয়ে থাকে ।

১ . এক্স এম এল সাইটম্যাপ

২ .  এইচ টি এম এল সাইটম্যাপ ।

এখানে মনে রাখতে হবে যে এক্স এম এল সাইটম্যাপ প্রধানত তৈরি করা হয়ে থাকে বিভিন্ন ক্রলার বা স্পাইডার বা বোট এর জন্য এবং এইচ টি এম এল সাইটম্যাপ তৈরি করা হয় একটি সাইট এর ইউসারদের জন্য । এইচ টি এম এল সাইটম্যাপ এ সেই সাইট এর সব গুলো লিখাসমূহের একটি আউটলাইন বা বিশদ লিংক থাকে । এটিও এস ই ও এর জন্য একটি গুরুত্ব পূর্ণ বিষয় ।

এখানে একটি উদাহরন দেয়া হল একটি ইমেজ এবং ভিডিও ইউ আর এল এর সাইটম্যাপ –

<?xml version=”1.0″ encoding=”UTF-8″?> <urlset xmlns=”http://www.sitemaps.org/schemas/sitemap/0.9” xmlns:image=”http://www.google.com/schemas/sitemap-image/1.1” xmlns:video=”http://www.google.com/schemas/sitemap-video/1.1“> <url> <loc>http://www.example.com/foo.html</loc> <image:image> <image:loc>http://example.com/image.jpg</image:loc> </image:image> <video:video> <video:content_loc>http://www.example.com/video123.flv</video:content_loc> <video:player_loc allow_embed=”yes” autoplay=”ap=1″>http://www.example.com/videoplayer.swf?video=123</video:player_loc> <video:thumbnail_loc>http://www.example.com/thumbs/123.jpg</video:thumbnail_loc> <video:title>Grilling steaks for summer</video:title> <video:description>Get perfectly done steaks every time</video:description> </video:video> </url> </urlset>

===========================================================

আপনি আপানার রোবট ফাইল এ আপনার সাইট ম্যাপ এর অবস্থান নির্দেশ করে দিতে পারেন । আপনি গুগল ওয়েবমাস্টার টুল এ গিয়ে সাইট ম্যাপ সাবমিট করতে পারেন এছাড়া আরএস এস ২.০(রিয়েল সিম্পল সিন্ডিকেশন ) , এমএস এস( মিডিয়া ) , এটম ১.০ ফিড , টেক্সট ফরমেট , ইত্যাদি ফরমেট এ ও সাইটম্যাপ সাবমিট করতে পারেন । তবে এমআরএসএস( মিডিয়া রিয়েল সিম্পল সিন্ডিকেশন ) ব্যাবহার করা হয় গুগল কে আপানার ভিডিও কনটেন্ট সম্পর্কে জানানোর জন্য বা মিডিয়া কনটেন্ট যেমন গান প্রভৃতি সম্পকে জানানোর জন্য । যা দেখতে অনেকটা এমন হয় –

<?xml version=”1.0″ encoding=”UTF-8″?> <rss version=”2.0″ xmlns:media=”http://search.yahoo.com/mrss/” xmlns:dcterms=”http://purl.org/dc/terms/“> <channel> <title>Example MRSS</title> <link>http://www.example.com/examples/mrss/</link> <description>MRSS Example</description> <item xmlns:media=”http://search.yahoo.com/mrss/” xmlns:dcterms=”http://purl.org/dc/terms/“> <link>http://www.example.com/examples/mrss/example.html</link> <media:content duration=”120″> <media:player url=”http://www.example.com/shows/example/video.swf?flash_params” /> <media:title>Grilling Steaks for Summer</media:title> <media:description>Get perfectly done steaks every time</media:description> <media:thumbnail url=”http://www.example.com/examples/mrss/example.png” height=”120″ width=”160″/> </media:content> </item> </channel> </rss>

===========================================================

একটি ভিডিও এর সাইট ম্যাপ এর জন্য নিচের টার্ম গুলো খুব জরুরি ।

  • media:content
  • media:player
  • media:title
  • media:description
  • media:thumbnail

এছাড়া আরও কিছু টার্ম রয়েছে জেগুলো গুগল রিকমেন্ড করে স্পেশাল ভিডিও এর জন্য । যেমন কোন ভিডিও নিদ্দিস্ট কিছু দেশ এ দেখা যাবে এমন বা রেস্ট্রিকটেড ভিডিও , অথবা এমন ভিডিও যা দেখার জন্য ভিসিটর দের অবশ্যই পে করতে হবে ।

  • media:restriction: For videos that can be played only in some territories.
  • dcterms:valid: For videos that have an expiration date.
  • media:price: For videos users must pay to view.

একটি সাইট ম্যাপ এ ৫0,000 এর বেশি ইউ আর এল এর লিস্ট থাকতে পারবে না যদি থাকে তাহের এর জন্য আলাদা সাইটম্যাপ করতে হবে এবং একটি সাইট ম্যাপ এর সাইজ ৫০ এমবি এর বেশি হতে পারবে না । সাধারনত বেশ কিছু সাইট আমরা দেখতে পারি জেগুলো WWW ছাড়া চলে না আবার অনেক দেখি WWW না দিলেও চলে এক্ষেত্রে সে সকল ওয়েব সাইট জেগুলো WWW ছাড়া চলে না তার জন্য আলাদা আলাদা সাইটম্যাপ সাবমিট করতে হবে ।

আপনার ওয়েব সাইট এর কনটেন্ট উপর নির্ভর করে আপানাকে আপনার সাইটম্যাপ তৈরি করতে হবে ।

সাধারন সাইট ম্যাপ xmlns=”http://www.sitemaps.org/schemas/sitemap/0.9

ইমেজ xmlns:image=”http://www.google.com/schemas/sitemap-image/1.1

ভিডিও xmlns:video=”http://www.google.com/schemas/sitemap-video/1.1

মোবাইল xmlns:mobile=”http://www.google.com/schemas/sitemap-mobile/1.0

নিউস বা খবর xmlns:news=”http://www.google.com/schemas/sitemap-news/0.9“.

গুগল নিউস বা খবর টাইপের ওয়েব সাইট এর জন্য আলাদা সাইট ম্যাপ তৈরি করতে রিকমেন্ড করে থাকে । একটি সাইট ম্যাপ এ বিভিন্ন ট্যাগ ব্যাবহার করা হয় যার মধ্যে – [<urlset> , <url> , <loc> , <lastmod> , <changefreq> <priority> ] প্রভৃতি ট্যাগ রয়েছে এবং এর ব্যাবহার ও ভিন্ন ।

  • এবারের নিম্নোক্ত বিষয়গুলো আপনাদের জন্য লিখেছেন রামকৃষ্ণ ভট্টাচার্য-

লিঙ্ক জুইস কি কেন কিভাবে?

"লিঙ্ক জুইস "

লিঙ্ক জুইস

কিঃ আসলে আমরা জানি জুইস (সরবত) এটা অনেক কিছুর মিশ্রণে তৈরি হয় তেমনি লিঙ্ক জুইস টা তৈরি হয় অনেক লিঙ্ক এর মিশ্রণে। জুইস (সরবত) এ যেমন সবকিছু পরিমাণ মত না হলে ওটা মজাদার হবেনা ঠিক তেমনি লিঙ্ক জুইসেও সব লিঙ্ক গুলোর গুনোগত মান ঠিক না হলে আপনার জুইস টি মজাদার হবেনা।

সংজ্ঞাঃ লিঙ্ক জুইস শব্দটা Greg Boser প্রথম উদ্ভাবন করেন। লিঙ্ক জুইস কে প্রাধান্য দিয়ে একটি সাইট কে গুগল পজিসনিং করে থাকে সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট এ, তাই ভাল লিঙ্ক জুইস একটি সাইট এর জন্য খুবই গুরত্তপুর্ণ। এই লিঙ্ক জুইস টা আসে ব্যাকলিঙ্ক থেকে যে সাইট এর ব্যাক লিঙ্ক যত বেশি সে সাইট এর লিঙ্ক জুইস তত বেশি। এটা হচ্ছে মুর্দা কথা কিন্তু শুধু আমি একটা সাইট এ লিঙ্ক বসিয়ে আসলাম আমার লিঙ্ক জুইস বেঁড়ে গেল এটা চিন্তা করা ভুল। কারণ এখানে দেখতে হবে আমি যে সাইট এ আমার লিঙ্ক টা দিয়ে এসেছি ওই সাইট এর লিঙ্ক ভেলু কেমন এর মানে হচ্ছে ওই সাইট এর লিঙ্ক জুইস কেমন আছে। যদি ভাল সাইট হই তখনি আমার লিঙ্ক জুইস বাড়বে এবং সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট এ আমার সাইট সামনে আসবে তা না হলে হবে না।

কেনঃ লিঙ্ক জুইস একটা সাইট কে সার্চ ইঞ্জিন এ রেঙ্ক করতে সাহাজ্য করে শুধু তা নই এটা সাইট এর পেজরেঙ্ক বৃদ্ধি করতেও সাহাজ্য করে। জুইস অর্থাৎ রস এটা সবসময় একটা সাইট থেকে একটা তে যাবে না এর পিছনে কিছু কারন আছে। একটা লিঙ্ক তখনি একটা সাইট কে অনেক লিঙ্ক জুইস দিবে যদি সে লিঙ্ক টাঃ

  • লিঙ্ক টা যদি নো ফোলো করা না থাকে তার মানে ডু ফোলো হতে হবে।
  • পেজ লিঙ্ক টি অবশ্যই ইন্ডেক্স হতে হবে
  • ওই পেজ এর লিঙ্ক সংখ্যা অবশ্যয় কম হতে হবে।
  • যে পেজ এ আমি আমার সাইট এর লিঙ্ক করছি সেই পেজ এর ও অনেক লিঙ্ক জুইস থাকতে হবে।
  • লিঙ্ক দেয়ার সময় যে এঙ্কর টেক্সট ব্যাবহার করেছি তা অবশ্যয় রিলিভেন্ট থাকতে হবে।
  • যে সাইট থেকে আমি লিঙ্ক জুইস পাওয়ার জন্য লিঙ্ক করেছি সে সাইট টি অবশ্যয় সার্চ ইঞ্জিন দ্বারা অথোরিটি সাইট হিসেবে গণ্য হতে হবে।
  • যে পেজ এর mozRank এবং mozTrust অনেক বেশি ওই পেজ গুলো অনেক লিঙ্ক জুইস দিয়ে থাকে।
  • যদি লিঙ্কটি নোফোলো থাকে তাহলে লিঙ্ক জুইস ওই সাইট থেকে আপনার সাইট এ আসবেনা।

কিভাবেঃ একটা উদাহরণ দিয়ে দেখা যাক কিভাবে লিঙ্ক জুইস এক সাইট থেকে অন্য সাইট এ যাই এবং তা কিভাবে গুগল গণনা করে। মনে করেন সাইট ক এবং সাইট খ একই কী ওয়ার্ড এর জন্য সার্চ ইঞ্জিন পজিশনিং এ আসার জন্য ব্যাক লিঙ্ক করছে। তখন গুগল দেখবে তাদের ব্যাক লিঙ্ক এর কোয়ালিটি কেমন। প্রথমবার গুগল দেখলো সাইট ক , গ সাইট থেকে ব্যাক লিঙ্ক পাইছে কিন্তু খ সাইট কোন সাইট থেকে ব্যাক লিঙ্ক পায় নাই। তখন সাইট ক গুগল এর কাছে ভাল সাইট হিসেবে গণ্য হবে এবং খ সাইট কে আউট রেঙ্ক করে ক সাইট কে পজিশন দিবে। দ্বিতীয়বার গুগল দেখলো ক সাইট এবং খ সাইট উভইয়ে গ সাইট থেকে ব্যাক লিঙ্ক পেল তখন গুগল লিঙ্ক জুইস এর প্রধান ফেক্টর গুলো দেখে। তৃতীয়বার গুগল দেখলো ক সাইট এবং খ সাইট ভিন্ন ২ টা সাইট ঘ এবং ঙ সাইট থেকে ব্যাক লিঙ্ক পেয়েছে তাহলে এখনো তাদের মোট ব্যাক লিঙ্ক সংখ্যা সমান অর্থাৎ ক সাইট এর ব্যাক লিঙ্ক ২ এবং খ সাইট এর ব্যাক লিঙ্ক ২ কিন্তু কথা হচ্ছে গুগল কাকে পজিশন দিবে তখন গুগল ঘ সাইট এবং ঙ সাইট এ যাই তাদের লিঙ্ক জুইস চেক করার জন্য। দেখা যাই ঘ সাইট টি একটি অথোরিটি সাইট যা চ, ছ এবং জ এই ৩ টি সাইট থেকে ব্যাক লিঙ্ক পেয়েছে কিন্তু অপরদিকে ঙ সাইট টির কোন ব্যাক লিঙ্ক নেই। তাহলে আপনারাই বলুন কার লিঙ্ক জুইস বেশি এবং গুগল কাকে পজিশন দিবে। সাইট ক গুগলের কাছে প্রিয় হয়ে উঠবে এবং সে পজিশন পাবে। নিচের ছবিটি দেখতে পারেন।

লিঙ্ক জুইস ক্যালকুলেটর হিসেবে এই টুলস টি দেখতে পারেনঃ http://www.seomoz.org/ugc/an-internal-link-juice-tool-14969

কীওয়ার্ড স্টাফিং:

"কীওয়ার্ড "

কীওয়ার্ড

সোজা বাংলাই এটা ব্যাবহার করলে অবশ্যয় আপনার সাইট গুগল এর বিভিন্ন এলগো আপডেট দ্বারা হিট খাবে তাই এটা শধুমাত্র জেনে রাখার জন্য আলোচনা করা। কী ওয়ার্ড স্টাফিং হচ্ছে আপনার সাইট এর যে কোন পেজ এ টার্গেট করা কী ওয়ার্ড টা অনেকবার ইচ্ছা করে অঝথা ব্যাবহার করা। যা করে আমরা মনে করে থাকি গুগল আমার সাইট কে খুব তাড়াতাড়ি রেঙ্কিং করে দিবে প্রচুর ভিজিটর আসবে কিন্তু মুর্দা কথা হচ্ছে খুব কম সময়ের জন্য এটা কাজ করলেও লং টার্ম এ গিয়ে আপনার সাইট কে গুগল আস্তে আস্তে আউট রেঙ্ক করে দেয় সার্চ ইঞ্জিন থেকে এবং ডি ইনডেক্স করে দেয়ার ও আসঙ্কা থাকে। এটা ২ ভাবে করা হয়ে থাকে বিশেষত মেটা কীওয়ার্ড এর মাধ্যমে এবং কনটেন্ট এ কীওয়ার্ড ডেনসিটি বৃদ্ধি করে যেটা কোন ভাবেই ঠিক নয়। তাই সব সময় চেষ্টা করেবেন কীওয়ার্ড ডেনসিটি অঝতা ইচ্ছা করে বৃদ্ধি না করতে এবং মেটা কী ওয়ার্ড এ বেশি কী ওয়ার্ড ট্যাগ ব্যাবহার না করতে।এছাড়া কিছু দিন আগেও কি ওয়ার্ড স্টাফিং করে অনেকেই র‍্যাঙ্ককিং পেত কিন্তু এখন সেই দিন সেশ । কিওয়ার্ড স্টাফিং এর আরেকটি বিষয় ছিল সি এস এস ব্যাবহার করা স্টাফিং করা কি ওয়ার্ড হাইড করে দেয়া ইউসার দের জন্য কিন্তু সার্চ ইঞ্জিন বোট এর জন্য তা কিন্তু ইন্ডেক্সএবেল ছিল । তবে এখন আর এই পদ্ধতি কাজ করে না এখন সার্চ ইঞ্জিন সমূহ আগের যে কোন সময়ের চেয়ে অনেক বেশি আপডেটেড এবং প্রতিনিয়ত আপডেট হয়েই চলেছে ।

আরো বিস্তারিত জানার জন্যঃ http://forums.digitalpoint.com/showthread.php?t=2487434

  • এবারের নিম্নোক্ত বিষয়গুলো আপনাদের জন্য লিখেছেন সানি আহমেদ এবং সম্পাদনা করেছেন সিনবাদ কনিক-

গুগল অ্যালগারিদমঃ-

প্রতি বছর গুগল ৫০০ -৬০০ বার তার এলগরিদম পরিবর্তন করে থাকে কিন্ত এর সব গুল আমরা জানি না বা তেমন একটা আলোচনা হয় না কারন সগুলো মাইনর বা ছোট হওয়ার কারনে আমারা কেবল সেই গুলো সম্পকেই জানি জেগূলো সবচেয়ে বেশি পরিমান আলোচিত হয় । গুগল এলগরিদম আপডেট শুরু হয় ২০০০ সালে এবং এরপর ক্রমান্বয়ে ২০০২ , ২০০৩ – ২০১২ পর্যন্ত গুগুলের অনেক আপদেট ই এসেছে । গুগল এই এলগরিদম আপডেট এর অর্থ হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন কে আরও শক্তিশালী করে তোলা এবং ভাল কনটেন্ট সম্পন্ন সাইট গুলোকে ইউসারদের সামনে তুলে ধরা । তাই গুগল প্রতিনিয়ত আপডেট করেই চলেছে । এই আপডেট গুলো সম্পর্কে ভাল জানা থাকলে এবং তা ভালভাবে বুঝতে সক্তাষম হলে আপনাকে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের সময় সাহাজ্য করবে । এখন পর্যন্ত গুগলের অনেক আপডেট এসেছে । গুগল এর এই সকল আপডেট গুলো সম্পর্কে জানতে আপনি দেখে নিতে পারেন –

http://www.seomoz.org/google-algorithm-change

গুগল এর এখন পর্যন্ত ঘটে যাওয়া এলগরিদম এর একটি সম্পূর্ণ ছবি … ইনফোগ্রাফিক্স …

”Algoithm Changes
এছাড়া বাংলায় সকল আপডেট সম্পকে জানতে … পরে আসুন …

http://www.techtunes.com.bd/how-to/tune-id/147121

http://www.techtunes.com.bd/reports/tune-id/150909

এস ই ও মজ এর এই সাইট এর এই পেজ এ আপনি গুগল এর এখন পর্যন্ত জতগুলো এলগরিদম আপডেট হয়েছে সবগুল দেখে নিতে পারবেন এবং এর সম্পর্কে জানতেও পারবেন । গুগল এর সর্বশেষ আপডেট গুলোর মধ্যে পান্ডা এবং পেনগুইন আপডেট সবচেয়ে আলোচিত বর্তমানে । । বর্তমান সময়ে বহুল আলোচিত ২টি আপডেট নিয়ে এখন আলোচনা করা হবে। সর্বশেষ পান্ডা আপডেট হয় এই মাসের নভেম্বর এর ৫ তারিখ । যা ২১ তম গুগল পান্ডা আপডেট ছিল । এছাড়া আরেকটি অন্যতম আপডেট যা সেপ্টেম্বর এর ২৭ তারিখ হয় তা হল ই এম ডি আপডেট । ই এম ডি (এক্সাট ম্যাচ ডোমেইন ) যার ফলে অনেক ওয়েব সাইট খতিগ্রস্থ হয় ।

গুগল পান্ডা আপডেটঃ

"গুগল পান্ডা "

গুগল পান্ডা

‘গুগল পান্ডা’ হলো গুগল সার্চের অ্যালগারিদম বর্তমান সময়ের একটি বহুল আলোচিত অ্যালগারিদম। ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারিতে গুগল পান্ডা অ্যালগরিদম শুরু করে। পান্ডার মূল কাজ হলো সার্চ রেজাল্টকে আরো উন্নত করা। হাই কোয়ালিটি সাইটকে উপরে তোলা ও লোকোয়ালিটি সাইটকে সনাক্ত করে নিচের দিকে ঠেলে দেওয়া। এছাড়া যে কোন ধরনের স্প্যামিং, ডুপ্লিকেট কন্টেট, ব্যাক লিংক স্পামিংকে সনাক্ত ও রোধ করার জন্য গুগল পান্ডা ব্যবহৃত হয়। এই অ্যালগারিদমটি গুগলের অন্যসব অ্যালগারিদম থেকে অনেক বেশি শক্তিশালী। গুগল পান্ডার ক্ষেত্রে মূল বিষয়টি হলো কোয়ান্টিটি নয়, কোয়ালিটিই মূল বিষয়। তাই কন্টেন্টের কোয়ান্টিটি নয়, কোয়ালিটিকে প্রাধান্য দিতে হবে। প্রতি মাসেই গুগল তাদের অ্যালগরিদমের সাহায্যে ডাটা রিফ্রেশ করে। তাই অ্যালগরিদমের নিয়মানুসারে আপনার সাইটকে তৈরি করলে আপনি টিকে থাকতে পারবেন।

মূল বিষয় যা পান্ডা খেয়াল করেঃ-

১. স্পামিং

২. ডুপ্লিকেট কন্টেট

৩. ব্যাক লিংক স্পামিং

৪. কোয়ালিটি কনটেন্ট

৫. সোশ্যাল মিডিয়া সিগন্যাল

সূত্রঃ- Earntricks.com

গুগল প্যাঙ্গুইন আপডেটঃ-

"গুগল পেনগুইন আপডেট "

গুগল পেনগুইন আপডেট

‘গুগল প্যাঙ্গুইন আপডেট  হলো গুগল সার্চের অ্যালগারিদম সবচে লেটেস্ট একটি আলোচিত অ্যালগারিদম। ২০১২ সালের ২৪শে এপ্রিল থেকে গুগল প্যাঙ্গুইন অ্যালগরিদম কাজ শুরু করে। এর মূল কাজ হলো সার্চ ইঞ্জিনের সেইসব সাইটকে টার্গেট করা যারা সার্চ ইঞ্জিনের নিয়ম ভঙ্গ করছে। যেই সব সাইট গুগলের নিয়ম যেমন ব্ল্যাক হ্যাট এসইও, কীওয়ার্ড স্টাফিং, ডুপ্লিকেট কন্টেট এবং আরও বিভিন্ন কাজ করে র‌্যাঙ্কিং এ আছে তাদের র‌্যাঙ্ক থেকে নামিয়ে দেয়াই এর প্রধান কাজ। এই অ্যালগারিদমটি গুগলের বর্তমান সময়ের  অ্যালগারিদম এর মাঝে অনেক বেশি শক্তিশালী। গুগল প্যাঙ্গুইন আপডেটের ক্ষেত্রে মূল বিষয়টি হলো ক্লিয়ারিটি মানে পরিচ্ছন্নতা। গুগল এর নিয়ম মেনে পরিস্কার ভাবে ইথিকাল ভাবে কাজ করলে অবশ্যই আপনার কাজের মুল্য পাবেন অন্যথায় কিক আউট।

মূল বিষয় যা প্যাঙ্গুইন খেয়াল করেঃ-

১. কোন ভাবে আপনি সাইট এর কাজ কাজ করছেন

২. ব্ল্যাক হ্যাট এসইও

৩. কীওয়ার্ড স্টাফিং

৪. ক্লকিং

৫. ডুপ্লিকেট কন্টেট

৬. ওভার অপটিমাইজেশন ইত্যাদি

আজকে এই পর্যন্তই লিখতে গেলে তা শেস হবে না তাই আমাদের উদ্দেশ্য আপনাকে বেসিক এবং জতটুকু সম্ভব এডভান্স ধারনা দেয়া আর এর সাথে সাথে আপনাকে আরও আরও রিসার্চ করতে হবে নিজেকে আরও আপডেট করার জন্য কারন এস ই ও প্রতিনিয়ত আপডেট ও পরিবর্তিত হচ্ছে । সবাইকে ধন্যবাদ আশা করি সাথেই থাকবেন।

ক্লাস এর ৮ম দিন

অন পেজ অপটিমাইজেশন কি?

প্রথমেই বলে রাখি সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন ২ প্রকার, ১. অন পেজ অপটিমাইজেশন আর ২. অফ পেজ অপটিমাইজেশন।

অনপেজ অপটিমাইজেশন হল একটি ওয়েবসাইট এর এর মধ্যে যে এসইও করা হয় সেটা। অর্থাৎ একটি ওয়েব সাইটকে যে কোন সার্চ ইঞ্জিনের উপযোগী করে গড়ে তোলার জন্য যে অপটিমাইজেশন করা হয় সেটাই অনপেজ অপটিমাইজেশন বা অনপেজ এসইও বলা হয়।
অন-পেজ অপটিমাইজেশন কথাটি দেখলেই বোঝা যায় যে ওয়েব পেজের মধ্যে যে সকল অপটিমাইজেশন করা হয় তাকেই অন-পেজ অপটিমাইজেশন বলা হয়।
আমরা একটু গভীর ভাবে বিষয়টিকে চিন্তা করার চেষ্টা করি।

প্রথমে অমাদের ভাবতে হবে আমরা ওয়েব পেজে কি কি কাজ করে থাকি। সাধারন ভাবে আপনার উত্তর হতে পারে লেখা লেখি করি, ছবি বসাই, গান আপলোড করি ফ্লাশ মিডিয়া বসাই ইত্যাদি। প্রায় ৭০% নতুন ওয়েব ডিজাইনাররা এসব নিয়েই ব্যস্ত থাকে।কিন্তু সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর ক্ষেত্রে এসব বিষয় গুলো প্রধানত প্রধান্য পায় না।এসকল বিষয়কে সার্চ ইঞ্জিনের জন্য উপযোগী করাই হল অন-পেজ অপটিমাইজেশন।ওয়েব পেজে বিভিন্ন ধরনের ট্যাগ ব্যবহার করা, সুন্দর করে কনটেন্ট লেখার কলাকৌশল, লিংকের ব্যবহার ,ইত্যাদি করে অনপেজ অপটিমাইজেশন করা হয়।

কি কি জানতে হবে আপনাকে অনপেজ এসইও শিখতে গেলে?

অন পেজ অপটিমাইজেশন করতে গেলে আপনার বেশি কিছু বিষয়ে ধারনা থাকতে হবে। তা না হলে আপনি ঠিকমতো কাজ করতে পারবেন না। যেমনঃ

  • সার্চ ইঞ্জিন সম্পর্কে ধারনা
  • ওয়েবসাইট সম্পর্কে ধারনা
  • HTML এর সম্পর্কে ধারনা

আসুন এবার কি কি বিষয় অনপেজ অপটিমাইজেশন এর ক্ষেত্রে বিশেষ ভাবে ভুমিকা রাখে তা নিয়ে আলোচনা করি।

ওয়েব কনটেন্ট হল সেরাঃ

কনটেন্ট অর্থ হল আপনার লেখা, আপনার ওয়েবসাইটে আপনি যা লিখেন সেটাই হল কনটেন্ট। আর এই কনটেন্টই হল অন পেজ অপটিমাইজেশন এর মূল বিষয়বস্তু।
সার্চ র্যাং কিং এ প্রথম অবস্থানে থাকার জন্য যে কয়েকটি শর্ত রয়েছে তার মধ্যে কনটেন্ট এর অবস্থাই প্রথম সারিতে। ভাল মানের কনটেন্ট ছাড়া এখন ওয়েবসাইট এর র্যংতকিং এর কথা চিন্তাই করা যায় না। কারণ এই গুগল পাণ্ডা ও পেঙ্গুইন আপডেট এরপর ব্যাকলিংক বিল্ডিং অনেকাংশেই বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে আর বেরেছে ভাল মানের কন্টেন্ট এর মুল্য। ভাল মানের কনটেন্ট বিহীন ওয়েবসাইট র্যাংছক আপ করান এখনকার দিনে খুবই কষ্টসাধ্য। এখন আপনি কিভাবে বুঝবেন যে আপনার ওয়েব সাইটে ভাল মানের কনটেন্ট রয়েছে বা ভাল মানের কনটেন্ট এর বৈশিষ্ট্য গুলো কি। আসুন দেখা যাক ভাল মানের কনটেন্ট এর বৈশিষ্ট্য গুলো কি কি ।

ভালো কনটেন্ট এ সব সময় চাহিদা পূরণ হয়ঃ

ভালো মানের কনটেন্ট হল সেই কনটেন্ট যাতে একজন ভিজিটর তার কাংখিত বিষয়বস্তু খুজে পায়। যেমন আপনার ওয়েবসাইট যদি “কিভাবে অনপেজ অপটিমাইজেশন করাবেন” এই ধরনের হয়ে থাকে এবং আপনার কনটেন্ট যদি হয় “অফ পেজ অপটিমাইজেশন” নিয়ে তাহলে কিন্তু সেই ভিজিটর এর কাংখিত চাহিদা মোটেও পূরণ হল না। অতএব এই ধরনের কনটেন্ট এর কোন মূল্য নেই সার্চ ইঞ্জিনের কাছে। তাছাড়া আপনি কখনই ভালো ভিজিটর ও পাবেন না। যারাও প্রথমে আপনার সাইট ভিজিট করবে ২য় বার আর আপনার সাইটের দিকে ফিরেও তাকাবে না।

লিংক যুক্ত কনটেন্টঃ

যেই কনটেন্ট এর মধ্যে প্রচুর পরিমানে লিংকিং করা থাকে সে সব কনটেন্ট গুলকেও ভালো মানের কনটেন্ট হিসাবে ধরা হয়। উদাহারন হিসাবে আপনার উইকিপিডিয়ার কথা বলতে পারি। আপনার ওয়েবসাইট এ যত বেশি ইন্টারনাল লিংকিং করা থাকবে তত বেশি ইউজার ফ্রেন্ডলি হবে আর সাথে সার্চ ফ্রেন্ডলি তো বটেই।

বেশি করে ইন্টারনাল লিংকিং করা থাকলে একজন ভিজিটর খুব সহজেই অন্য কনটেন্ট এ ভিজিট করতে পারে এবং এতে করে আপনার ওয়েবসাইটের এর গ্রহণযোগ্যতাও অনেকাংশে বেড়ে যায়। অন্য দিকে সার্চ ইঞ্জিন গুলো সবসময় চায় আপনার সাইটের অন্য পেজ গুলকে খুজে বের করে ইনডেক্স করতে। আর তারা যখন একটি কনটেন্ট এর মধ্যে আর কয়েকটি কনটেন্ট এর লিংক খুজে পায় তখন তারা অন্য পেজ গুলতে খুব সহজেই ভিজিট করে ক্রাওলিং করতে পারে। এতে করে আপনার আর্টিকেল ও সার্চ ফ্রেন্ডলি হয়ে যাবে।

ছবি ও ভিডিও যুক্ত কনটেন্টঃ

আপনার ওয়েব সাইটের মধ্যে যদি সুন্দর সুন্দর ছবি দিয়ে পূর্ণ থাকে তাহলে সেটাকেও আমরা ভালো মানের একটি কনটেন্ট হিসাবে ধরতে পারি। তবে তা অবশ্যই হতে হবে আপনার বিষয়বস্তু রিলেটেড। তাছাড়া বিষয়বস্তু অনুযায়ী একটি আর্টিকেল এ ভিডিও থাকলে তা ভিজিটর এর কাছে আর বেশি আকর্ষণীয় করে তুলে এবং ভালো মানের কনটেন্ট হিসাবে প্রাধান্য পায়।

একটি ভালো মানের কনটেন্ট এর উদাহারনঃ

তাহলে আমাদের উপরের লেখা থেকে বুঝতে পারলাম যে ভালো মানের কনটেন্ট হল সেই ধরনের কনটেন্ট যা একজন ইউজার এর কাছে আকর্ষণীয় এবং সার্চ ইঞ্জিন খুব সহজেই ভিজিট করতে পারে। আসুন এবার দেখি একটি কনটেন্ট কিভাবে আপনি সাজাবেন। যাতে একজন কনটেন্ট দেখেও খুশি হয় এবং সাথে সাথে সার্চ ইঞ্জিন ও সহজেই আপনার কনটেন্ট কে রিড করতে পারে।

মেটা ট্যাগ কি কেন কিভাবে

মেটা ট্যাগ হল HTML এর এমন কিছু ট্যাগ যে গুলো আপনার ওয়েব সাইটের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গুলোকে সার্চ ইন্জিনের কাছে প্রকাশ করে থাকে।এসকল ট্যাগের মধ্যকার লেখা গুলো ব্রাউজারে প্রকাশ পায় না (টাইটেল ট্যাগ বাদে). কিন্তু এই ট্যাগ ব্যবহারের ফলে সার্চ ইন্জিন বা অন্য ওয়েব ডেভলপাররা জানতে পারে ওয়েব সাইটের লেখক ,ওয়েব সাইট তৈরীর তারিখ, শেষ আপডেট করার সময় ইত্যাদি। তবে সকল ট্যাগ গুলো SEO তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয় যতটা টাইটেলে,কী ওয়ার্ড,Description ট্যাগ গুলো। এই ৩টি ট্যাগ SEO জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ মূলত আমরা এই তিনটি বিষয় নিয়েই আলোচনা করব।

মেটা ট্যাগ ব্যবহারের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা

এতোক্ষণ ধরে মেটা ট্যাগ নিয়ে আমি যা বললাম তাতে হয়তো মনে আসতে পারে মেটা ট্যাগের প্রয়োজনীয়তা সমন্ধে। আসুন জেনে নিই কি জন্য মেটা ট্যাগের গুলো এতটা গুরুত্বপূর্ণ SEO এর জন্য।

মেটা ট্যাগ ২টি কারণের জন্য SEO তে গুরুত্বর্পর্ণ বিষয় হয়।
১. মেটা ট্যাগ SERPs (Search Engine Result Page) সার্চ ইঞ্জিনের রেজাল্টের পেজে সাইটের তথ্য সরবারাহ করতে সাহায্যে করে।

২. মেটা ট্যাগের মাধ্যমে আপনার ওয়েব সাইটকে SEO তে ভাল স্থানে রাখার পাশাপাশি সাইটের অন্যান্য অংশ বিভিন্ন ভিজিটরদের কাছে প্রকাশ পায়।

এবার আসি মেটা ট্যাগের বর্ণনায়।

টাইটেল ট্যাগের ব্যবহার

টাইটেল ট্যাগ হল একটি HTML এলিমেন্টস বা ট্যাগ। এটি মুলত একটি পেজ এর টাইটেলকে ব্রাউজার এ দেখানর জন্য ব্যবহার করা হয়।

তাছাড়া এই টাইটেল প্রতিটি সার্চ ইঞ্জিনের রেজাল্ট পেজ এ প্রদর্শন করে।

এসইও তে কনটেন্ট এর পরেই টাইটেল ট্যাগ এর অবস্থান। অনপেজ অপটিমাইজেশন এর ক্ষেত্রে টাইটেল এর গুরুত্ব অনেক।আর একটি সুন্দর টাইটেল আপনার সাইটে অধিক ভিজিট (CRT) বাড়তে পারে।

আপনার পছন্দের কী- ওয়ার্ডের দ্বারা টাইটেল ট্যাগ লেখার সময় কিছু কিছু বিষয় মাথায় রেখে কাজ করলে এইসও তে সৌন্দর্য আরো বৃদ্ধি হবে। যেমনঃ-

১. টাইটেলকে ৬৫ অক্ষরের মধ্যে রাখুন।
২. যথাসম্ভব ছোট করে টাইটেল দিন, আবার বেশি ছোট করতে গিয়ে অদ্ভুত করে ফেলার দরকার নেই। টাইটেল আপনার দেয়া টার্গেটকৃত কীওয়ার্ডটি ব্যবহার করুন।
৩. এ ধরণের চিহ্ন যেমন- ( @, #,!,%,^,() ….) ইত্যাদি ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।
৪. টাইটেল ট্যাগটিকে এমন ভাবে লিখবেন যাতে করে যে কেউ আপনার টাইটেল পড়ে সাইটে প্রবেশ করতে আগ্রহী হয়।

যেমন:আপনার সাইটি যদি Hinid Movie কী- ওয়ার্ড দিয়ে বানানো হয় তাহলে ভিজিটররা হিন্দি মুভি সম্পর্কে জানার জন্য ভিজিট করবে।সেখানে যদি আপনি টাইটেলর সাথে কেবল মাত্র Download কথাটি মিলিয়ে Download Hindi Movie করে দেন তাহলে আপনার সাইট যদি ২-৫ নম্বরের মধ্যেও থাকে তবে আপনি অন্যদের তুলনায় বেশি ভিজিটর পেতে পারেন।

ওয়েব পেজ এর ইউআরএল (URL)

অন পেজ অপটিমাইজেশনে ইউআরএল (URL)একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ভালো ইউআরএল না হলে রেংকিং পাওয়া অনেক দুষ্কর যদি না আপনার ওয়েবসাইট অথোরিটি সাইট না হয়।
তাই লিংক স্ট্রাকচার সবসময় এসইও বান্ধব হতে হবে। ওয়েবসাইট এর লিংক হতে পারে yourdomin.com/nedf48718?p=5000 বা yourdomain.com/how-to-get-a-free-seo-tips.html। আচ্ছা বলুনতো কোনটি আপনার কাছে সবচেয়ে সহজবোধ্য মনে হচ্ছে? ঠিক তাই ২য় টিই আপনার কাছে সহজবোধ্য মনে হওয়ার কথা। করণ আপনি ঐ লিংক দেখলেই আপনি বুঝতে পারবেন যে ঐ পেজের মধ্যে কি আছে। তাই আপনার মত সার্চ ইন্জিনদের কাছে ও ২য় লিংকটিই সহজবোধ্য মনে হবে। তাই আপনি যখন কোন পেজ বা ফাইলের নামকরণ করবেন তখন অবশ্যই সেটা অর্থপূর্ণ বা কী-ওয়ার্ড সমৃদ্ধ নাম ব্যবহার করবেন।

দেখুন নিচের ছবিতে top 10 tips seo লিখে সার্চ দিলে যে যে লিংক গুলো আসে তাদের সবার পেজে লিংকে কিন্তু ঐ কী-ওয়ার্ড সমৃদ্ধ নাম ব্যবহার করেছে।

আসুন দেখে নেই এর কিছু টিপস
১. সাইটের লিংকের নামে আপনার টার্গেটকৃত কী-ওয়ার্ডটি রাখুন।ধরুন আপনি “free seo tips for my new website” এই ধরনের কী-ওয়ার্ডকে টার্গেট করে পেজটি বানলেন তাহলে আপনি আপনার পেজের নাম রাখতে পারেন “how-can-get-free-seo-tips-for-my new website.html
২. পেজের লিংকে নাম দেয়ার সময় হাইফেন ( – ) ব্যবহার করুন।_, !, (), @,$ এই ধরনের অক্ষর ব্যবহার করবেন না।কারন সার্চ ইন্জিন এই ধরনের অক্ষর ইনডেক্স করে না।
৩. ফাইল বা পেজের নাম দেয়ার সময় a,in,of,to, এমন অক্ষর গুলো ব্যবহার করবেন না।কারণ এগুলোকে সার্চ ইন্জিন “Skipping Word” বলে
৪. ওয়েব পেজের এক্সটেইনশন .html ,.htm .php রাখা ভালো।
৫. আপনি যদি ওয়ার্ডপ্রেস ইউজ করে তাহলে Permalinks থেকে লিংক স্ট্রাকচার ডিফল্ট থেকে Custom এ গিয়ে %category%/%postname%/ বসিয়ে দিন। তাহলে আপনার লিংক স্ট্রাকচার চেঞ্জ হয়ে যাবে।

Description ট্যাগের ব্যবহার

Description ট্যাগটি ব্যবহার করা হয় আপনার সাইটের বা ওয়েব পেজের একটা ছোট Description বা বর্ণনা দেবার জন্য।আমরা যেমন একটা বিশদ বিষয়ের অনেক সময় সংক্ষেপে প্রকাশ করি তেমনি Description ট্যাগের মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিনকে আমরা আমাদের ওয়েব পেজের একটা সংক্ষিপ্ত বিবরণ দেয়া হয়। আপনি যে ড্রেস্ক্রিপশন ্দিবেন আপনার ওয়েব পেজ এ সেটি SERPs পেজে সার্চ ইঞ্জিন গুলো প্রকাশ করে।

কিছু টিপস এর মাধ্যমে আপনি সুন্দর একটা Description আপনার সাইটের জন্য লিখতে পারবেন যেমন

১.আপনার Description টি ১৬০ অক্ষরের মধ্যে রাখুন। কেননা প্রায় সকল সার্চ ইঞ্জিন ১৬০ অক্ষরের বেশী তাদের SERPs পেজে প্রকাশ করে না।
২. এই ট্যাগে বানান যেন ভুল যায় না সেদিকে খেয়াল রাখুন।
৩. ট্যাগটিতে আপনার বাছাইকৃত কী-ওয়ার্ড লিখুন। তবে খেয়াল রাখবেন কোন কী-ওয়ার্ড বা বিষয় যেমন ৩ বারের বেশি ব্যবহার না করা হয়।
৪. সব পেজের Description ট্যাগটি যাতে একই না হয় সেইদিকে খেয়াল রাখবেন।

তাছাড়া টাইটেলে যেসকল টিপস দেয়া আছে তা আপনি Description ট্যাগে ব্যবহার করতে পারেন

কী-ওয়ার্ড ট্যাগের ব্যবহার

কী-ওয়ার্ড ট্যাগ হল আপনার সাইটে যেসকল কী-ওয়ার্ড ব্যবহার করেন তার একটা সূচিপত্র হিসাবে কাজ করে থাকে। ওয়েব সাইট ডিজাইনের সময় আমরা অনেক ধরনের মেটা ট্যাগ নিয়ে কাজ করি।
এর মধ্যে
<meta name=”keywords” content=”some keyword,another keyword” />
এই ট্যাগটি “মেটা কী-ওয়ার্ড ট্যাগ” নামে পরিচিত।এই মেটা কী-ওয়ার্ড ট্যাগ দ্বারা আপনি আপনার সাইটের কী-ওয়ার্ড ব্যবহারের কাজ করতে পারবেন।এ জন্য আপনি আপনার সাইটের HTML এডিটর পেজে গিয়ে ও ট্যাগ এর মধ্যে আপনার বাছাই করা কী-ওয়ার্ডটি বসিয়ে দিন।

ব্যাস হয়ে গেল আপনার সাইটে মেটা ট্যাগ ব্যবহার করা।আরো অনেক মেটা ট্যাগ আমরা সাইটে ব্যবহার করে থাকি ।এসব ট্যাগের ব্যবহার জানতে এই টিউনটি আপনারা দেখতে পারেন।তবে মেটা ট্যাগ ও কী-ওয়ার্ড এর ব্যবহারের বেশ কিছু নিয়ম বা টিপস মেনে চলা উচিত।ড়তে করে আপনি আরো ভালো ফলাফল পেতে পারেন।
যেমন:

১. আপনর সাইটের যে কী-ওয়ার্ডটির উপর ভিত্তি করে বানাবেন সেই কী-ওয়ার্ডটি যেন আপনার মেটা কী-ওয়ার্ড ট্যাগে ৩ বারের বেশি না থাকে।

২. আপনার সাইটে মেটা কী-ওয়ার্ড ট্যাগ ব্যবহার করুন সর্বোচ্চ ১ বার।

৩. মেটা কী-ওয়ার্ড ট্যাগে একটি কী-ওয়ার্ড বার বার না লিখে অন্য ভাবে তা লেখার চেষ্টা করুন,যেমন প্রথমে যদি লেখেন Download hindi movie hindi movie তা হলে সেটাকে একটু ঘুরিয়ে নিয়ে download hindi movie বা আরএকটু পরিবর্তন করে download hindi movie online করে নিতে পারেন।

৪. প্রতিটি কী-ওয়ার্ডের পর একটি করে কমা(,) ব্যবহার করুন.

৫. অযথা বেশি কী-ওয়ার্ড দিয়ে আপনার মেটা ট্যাগ জ্যাম করে ফেলবেন না। এতে হিতে বিপরীত হতে পারে।

৬. বেশ কিছুদিন আগেও কী-ওয়ার্ডের ট্যাগ তেমন কোন কাজে আসতো না আবার অনেকে বলেছিল যে এই ট্যাগ এখন আর কাজ করে না। কিন্তু ইদানিং গুগল নিজেও এই ট্যাগকে গুরুত্ব সহকারে দেখে। তাই এই কী-ওয়ার্ড ট্যাগ কে বাদ না দেয়াই শ্রেয়।

সাইটে <h >থেকে<h2>ট্যাগ ব্যবহার

আপনার সাইটের পেজ গুলোতে কোন শিরোনাম ব্যবহার করলে তা অবশ্যই h1,h2,h3,h4,h5,h6 ট্যাগ গুলোর মধ্যে ব্যবহার করুন। কারণ সার্চ ইন্জিন গুলো আপনার ওয়েব সাইটের Bold ,Italic Underine এই ট্যাগ গুলো থেকে h1,h2 তাদের এললগারিদমে বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকে।মূলত সার্চ ইঞ্জিন এগুলকে একটি পেজ এর টাইটেল বা শিরোনাম হিসাবে ধরে। আর যদি আপনি গুগল এডেসেন্স ব্যবহার করেন তাহলে ইন্জিন <h1 >থেকে <h3 > ট্যাগ গুলোর মধ্যে যে কী ওয়ার্ড গুগল থাকে ওগুলো থেকে এড দেয়ার চেষ্টা করে। কোন সার্চ ইন্জিন যখন কোন পেজ ক্রাউলিং করে তখন সে যদি <h1 >থেকে <h3> এর মধ্যে কোন ট্যাগ খুজে পায় তাহলে সে সেটিকে ঐ কন্টেট বা পেজ এর হেডলাইন বা শিরোনাম হিসাবে গ্রহণ করে। তাই অন-পেজ অপটিমাইজেশনে এই ট্যাগ গুলো ব্যবহার করলে সার্চ ইন্জিনের জন্য আপনার সাইট অনেক অংশেই তৈরী হয়ে যাবে।আসুন দেখে আসি কিভাবে ব্যবহার করবেন

১. কোন লেখা শুরু করার প্রথমেই <h1>বা  <h2>ট্যাগ ব্যবহার করুন শিরোনাম হিসাবে।
২. এই ট্যাগের মধ্যে আপনি আপনার কাংখিত কী-ওয়ার্ডটি ব্যবহার করুন।
৩. যথা সম্ভব ৬০ অক্ষরের মধ্যে রাখতে চেষ্টা করুন।
৪. একই কী-ওয়ার্ড বার বার ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।না হলে সার্চ ইন্জিন গুলো এটিকে স্প্যামিং হিসাবে ধরে নিবে।
• ৫. লেখার মাঝখানে মাঝখানে < h2>বা অন্য গুলো উপ শিরোনাম হিসাবে ব্যবহার করার চেষ্টা করুন।এতে করে আপনার সাইটটি অনেকটা ন্যাচারেল মনে হবে।আর প্রতিটি সার্চ ইন্জিনই সাইটের নমনীয়তা বা ন্যাচারেল ভাবটিকে সবচেয়ে বেশি পছন্দ করে

ইমেজে ব্যবহার করুন ALT ট্যাগঃ

আমরা যখন কোন কনটেন্ট লিখি তখন সেই কনটেন্ট এর মধ্যে অনেক ইমেজ ব্যবহার করি। কিন্তু গুগলের কাছে সাধারন ভাবে ইমেজ এর কোন মূল্য নেই। তখনি আছে যখন আপনি ওই ইমেজকেও সার্চ এর জন্য অপ্তিমাইজ করবেন। আমরা অনেকেই শুধু ওয়েব সার্চ নিয়েই পড়ে থাকি কিন্তু গুগলের “ইমেজ সার্চ” নিয়ে অনেকেই ভাবি না। কিন্তু সারা বিশ্বের সব সার্চের প্রায় ২০% সার্চ হয় কিন্তু ইমেজ। তাই আপনি যদি এই বিষয়টি বাদ দেন তাহলে আপনার কাঙ্ক্ষিত ফল পেয়ে যাবে। তাই আপনি যদি আপনার সাইট এ কোন ইমেজ ব্যাবহার করে থাকনে তাহলে অবশ্যই ALT tagটি ব্যাবহার করুন। এতে করে সার্চ ইঞ্জিন স্পাইডারটি আপনার ইমেজ এর লিঙ্কটি তার ডাটাবেজ এ নিয়ে নিবে। পরর্বতীতে যদি কেউ আপানার ইমেজ এর মত ইমেজ সার্চ করে তাহলে আপনার ইমেজটি সার্চ এর রেজাল্ট এ চলে আসবে। এখান থেকেও আপানার সাইট কিছু ভিজিটর কাছে পরিচিতি পাবে
আপনি যখন কোন ইমেজ ওয়েব সাইট এ এড করবে তখন ইমেজ এর কোডের পাশে একটা ছোট অংশ জুড়ে দিতে হবে। যেমন যদি আপনার ইমেজ এর কোড এমন হয়<img src=http://www.yourimage.com/image.jpg/> তাহলে তার পাশে ঠিক এভাবে <img src=http://www.yourimage.com/image.jpg alt=”your keyword”/> ALT ট্যাগ বসালেই গুগল বুঝতে পারবে যে আপনি এই ইমেজটিকে ব্যবহার করেছেন সার্চ ইঞ্জিনের জন্য।

মনে করুন আপনি একটি ইমেজকে mobile কী ওয়ার্ড এ ইমেজ সার্চ এ আনতে চাচ্ছেন। তাহলে mobile লেখাটি আপনি আপনার ALT ট্যাগ এর মধ্যে দিয়ে দিন।এখন আপনার ইমেজ যদি ইঊনিক হয় তাহলে গুগল ইমেজ এ যদি কেউ mobile লেখে সার্চ দেয় তাহলে গুগল কি দেখাবে । দেখাবে হল যেই ইমেজ এ অল্টার ট্যাগ বা Keyword mobile ব্যবহার করা হয়েছে সেগুলো। আর এর মধ্যে যদি গুগলের কাছে আপনার ইমেজ ভালো লেগে যায় তাহলে আপনি ও চলে আসতে পারেন র্যাং কিং এ।

আজ এই পর্যন্তই। যথারীতি ভাবে আমাদের পরবর্তী ক্লাশ অনুষ্ঠিত হবে। আর যার যা প্রশ্ন আছে আজকের এই ক্লাশ নিয়ে তারা কমেন্ট এর মাধ্যমে সাবমিট করুন।
ধন্যবাদ।

ক্লাস এর ৯ম দিন

Robots.txt কি এবং কেন

রোবট ফাইল হল এক প্রকার ওয়েব প্রটোকল যা কিনা একটা ওয়েব সাইট এর মাঝে সার্চ ইঞ্জিন রোবট এর প্রবেশ এবং সীমাবদ্ধতা উল্লেখ করে থাকে। যেমন সে কোন কোন তথ্য গুলা নিবে, কোন গুলা নিবে না ইত্যাদি নির্দেশ করাই Robots.txt ফাইলের কাজ ।

Robots.txt ফাইলের উপাদান সমূহ

১। User-agent (সার্চ ইঞ্জিন এর বোট গুলোর নাম নির্দেশ করে )
২। Disallow (সার্চ ইঞ্জিন কোনগুলো মনে রাখবে না তা বলে দে)
৩। Allow (সার্চ ইঞ্জিন কোনগুলো মনে রাখবে তা বলে দে)
৪। Wildcards ( * দিয়ে URL paths এর সকল প্রকার characters (০ সহ) নির্দেশ করে )
৫। Sitemap location ( সাইট এর সাইট ম্যাপ উল্লেখ নির্দেশ করে )
৬। Crawl-Delay ( যদি আপনার সাইট-এ অনেক বেশি পেজ থাকে এবং সার্চ ইঞ্জিন যদি তা Crawl করতে গিয়ে সাইট স্লো করে ফেলে তাহলে আপনি প্রতি সেকেন্ডে কয়টা পেজ সে Crawl করবে তা বলে দিতে পারবেন । )

যেমনঃ
User-agent: *
Crawl-delay: 3.0

Robots.txt ফাইল ছাড়াও সার্চ ইঞ্জিন বোট কে গাইড করার জন্য এবং একেবারে কিছু পেজ কে নির্দিষ্ট করার জন্য কিছু মেটা ট্যাগ উসে করা হয় যা রোবট মেটা ট্যাগ নামে পরিচিত। এইগুলো সাইট এর এর মাঝে ম্যানুয়ালি দিতে হয়।

রোবট মেটা ট্যাগ সমুহঃ

১। INDEX
২। FOLLOW
৩। ARCHIVE
৪। ODP
৫। SNIPPET and
৬। YDIR

যেভাবে Robots.txt ব্যাবহার করবেন

Robots.txt by default আপনার Hosting-এর মাঝে থাকে। আর যারা ব্লগার ব্যাবহার করেন তারা পাবেন Settings>Search Prefference option-এ। একটি সাধারণ Robots.txt নিম্নরূপ হয়ে থাকেঃ

User-Agent: *
Allow: /
Disallow: /example/
Sitemap: http://example.com/mainsitemap.xml

আর আপনি যদি এক্সট্রা কোন ফাইল / ফোল্ডার / পেজ কে ইনডেক্স না করাতে ছান তাহলে Disallow: ট্যাগ এর মাঝে তার URL দিয়ে দিবেন।

যেমনঃ
Disallow: /page/
সেক্ষেত্রে আপনার নতুন Robots.txt টি হবে নিম্নরুপঃ

User-Agent: *
Allow: /
Disallow: /products/
Disallow: /page/
Sitemap: http://example.com/mainsitemap.xml

রোবট মেটা ট্যাগ এর ব্যাবহারঃ

Robots.txt ছাড়াও রোবট মেটা ট্যাগ ব্যাবহার করে আপনি আপনার সাইট এর যেকোনো নির্দিষ্ট অংসসমুহ আড়াল করতে পারেন। রোবট মেটা ট্যাগ গুলো সাধারনত design-এর মাঝে এর ভিতরে ম্যানুয়ালি বসাতে হয় যা কিনা ARCHIVE, ODP (Open Directory Page), SNIPPET and YDIR (Yahoo Directory) ইত্যাদি কে নির্দিষ্টভাবে ইনডেক্স করা থেকে সার্চ ইঞ্জিন বোট কে বিরত রাখে। কিছু প্রয়োজনীয় রোবট মেটা ট্যাগ এর ব্যাবহার দেখে নিন।

[সকল কন্টেন্ট ইনডেক্স করা ]
[সকল কন্টেন্ট ডি-নডেক্স করা ]
[সকল পুরনো কন্টেন্ট ডি-নডেক্স করা ]
[পেজ এর মেটা ডেসক্রিপশন না পেলে Open Directory Page ব্যাবহার না করা ]
[সার্চ Result-এর SNIPPET ব্যাবহার না করা ]

Page Size and Load Time

পেজ সাইজ-এ মূলত পেজ লোড নির্ধারণ করে। তাই আপনারা দুইটাকে প্রাধান্য না দিয়ে প্রথমটাকেই দিন। তা হলে দ্বিতীয় টা আপনাআপনিই কমে যাবে। সার্চ ইঞ্জিন-এ পেজ সাইজ কতটা গুরুত্বপূর্ণ টা ম্যাট কাট এর এই উক্তি টা পরলেই বুঝবেন।

“One thing I would pay attention to isoptimizing for speed…It is a slight factor in google rankings but lots of people have run tests and discovered that if you are able to decrease the speed…the latency when pages are returned within your website, customers end up doing more things… more purchases, more browsing and so you can definitely increase your ROI if you decrease your speed or latency…“
– Matt Cutts

সুতরাং বুঝতেই পারছেন সার্চ ইঞ্জিন এখন পেজ সাইজ কে কেন গুরুত্ব দেই, যদিও এর effect তো বেশি না, কিন্তু এটা আপনার ভিজিটরকে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতে সাহায্য করে । Load Time নির্ভর করে আপনার সাইট এর সার্ভার, স্ক্রিপ্ট, CSS, ছবি, ভিডিও, ইত্তাদির উপরে।

গুগলের Load Time চেক করার টুলঃ

http://pagespeed.googlelabs.com এখানে গিয়ে আপনার সাইট এর এড্রেস দিলে Load Time এর ফলাফল পাবেন এবং কোন কোন কারনে লোড টাইম বেশি নিসছে সেটাও গুগল আপনাকে দেখিয়ে দিবে। আমার মতে স্কোর ৭০ এর উপরে থাকা টাই ভাল।

কীভাবে কমাবেন পেজ সাইজঃ

  • Choosing suitable hosting
  • যত কম সম্ভব স্ক্রিপ্ট ব্যাবহার করুন
  •  আপনি যতটুক জায়গায় পেজ এর ছবি ব্যাবহার করেন ঠিক ততটুকুই ছবি আপলোড করেন। যদি আপনি 640×480 px ছবি এর জন্য ব্যাবহার করেন তাহলেওই মাপেই ছবি অ্যাড করেন । বেশি pixel মানে (640x480px+) এর বেশি যদি ব্যাবহার করেন তখন আপনার পেজ ওইটাকে নিজেই ছোট করতে গিয়ে অতিরিক্ত সময় নেই যা আপনার পেজ লয়াদ বাড়িয়ে দিবে ।
  • Avoid bad requests ( 404 error or 401 error)। আপনার সাইট-এ যত বেশি error জেনারেট হবে সে ওই পেজ খুঁজতে তত বেশি সময় নিবে। তাই error গুলা সর্বদা কম রাখার চেষ্টা করবেন।
  • Use Minimized CSS। এটা আসলে একটু বুদ্ধি করে করা লাগে। PHP ব্যাবহারকারীদের জন্য এটা খুব একটা জরুরী না। কিন্তু HTML or Blogger ব্যাবহারকারীরা চাইলে এটা করতে পারেন। তবে সেজন্য আপনার CSS সম্পর্কে অভিজ্ঞ হতে হবে।

Google Analytic কি এবং কেন ব্যাবহার করা হয়

Analytics সকল ওয়েব মাস্টারদের জন্যই অনেক গুরুত্বপূর্ণ। কেননা এই Analytics দিয়ে একজন ওয়েব মাস্তার তার সাইট এর সকল তত্থ উপাত্ত সংগ্রহ করে থাকে। অনলাইনে অনেক ধরনের Analytics আছে। তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যাবহার হয় গুগলের Analytics।

কেন Google Analytic ব্যাবহার করবেনঃ

  • আপনার সাইট এর ভিসিটর কত জানতে
  • তারা আপনার সাইট-এ কয়বার আসলো এবং মোট কতবার করে আসলো
  • তারা সাইট-এ কতখন থাকলো
  • কোন কিওয়ার্ড এর জন্য আসলো
  •  কোন পেজ-এ গিয়ে বের হয়ে গেল
  •  কোন কোন অঞ্চল থেকে আসলো
  • কোন ধরণের ডিভাইস ব্যাবহার করে আসলো
  • তারা কোন কোন বিজ্ঞাপন-এ ক্লিক করলো

এইটা ছাড়াও আরও অনেক কাজে Google Analytics ব্যাবহার করা হয়ে থাকে। Analytics ব্যাবহার করে আপনি আপনার সাইট এর কোন কোন অংশ গুলা ঠিক করা লাগবে, কিওয়ার্ড ঠিক মত ব্যাবহার হচ্ছে কিনা, কোন কোন কিওয়ার্ড এর জন্য ট্রাফিক আসতেছে তার সকল উপাত্ত সমূহ পাবেন এক সাথে।

এসইও এর জন্য কেমন হওয়া উচিত ওয়েবসাইট স্ট্রাকচার?

আমরা জানি প্রতিটি সার্চ বট গুলো ওয়েব সাইট এর এইচটিএমএল কোডকে ফলো করে ইনডেক্স, ক্রাউলিং ইত্যাদি করে থাকে। তাই আপনার ওয়েবসাইট এর এইচটিএমএল বা স্ট্রাকচার এ যদি সমস্যা থাকে তাহলে হয়তোবা আপনি আপনার ওয়েব সাইটকে নিজের লক্ষ্যে কখনই নিয়ে আসতে পারবেন না। আর এর জন্য আপনার দরকার ভালো একটি ওয়েবসাইট যার রয়েছে সুন্দর এইচটিএমএল এর স্ট্রাকচার। আসুন দেখে নেই কেমন হওয়া উচিত একটি আদর্শ এবং সার্চ ইঞ্জিন বান্ধব ওয়েবসাইট।

১. আপনার ওয়েবসাইট এর যেন কোন এইচটিএমএল এরর না থাকে সেই দিকে ভালো করে লক্ষ্য রাখতে হবে।

২. সবচেয়ে ভালো এবং এসইও এর জন্য ওয়েবসাইট এর সেকশন এমন হওয়া উচিতঃ

  • প্রথমে হেডার , যেখানে আপনার ওয়েবসাইট এর যাবতীয় তথ্য যেমন মেটা ট্যাগ, টাইটেল ট্যাগ, রোবট ট্যাগ ইত্যাদি থাকবে।
  • এর পরের অংশ হল কনটেন্ট অংশ। যা শুরু হয়ট্যাগ এর নিচের অংশ থেকে। যেই অংশে আপনার ওয়েবসাইট এর কনটেন্ট এর বা আর্টিকেল এর লেখা থাকবে।
  • কনটেন্ট এর পরের অংশ হল সাইডবার। এই অংশ ওট্যাগ এর মধ্যে থাকে তবে তা থাকে কনটেন্ট এর পর। এই অংশে আপনার ওয়েবসাইট এর সাইডবার এ যা যা থাকা প্রয়োজন তা রাখা উচিত।
  • সর্বশেষ অংশ হলো ফুটার । এই অংশে আপনার ওয়েবসাইটের ইনফরমেশন বা কপিরাইট অংশ হিসাবে বিবেচিত হয়।

৩. আপনার ওয়েবসাইটের CSS, Java ইত্যাদি ফাইল গুলো আলাদা রুট এ রাখুন। একই পেজে সব ইনার হিসাবে ব্যবহার করবেন না। এতে করে যেমন আপনার ওয়েবসাইট এর কোডিং জটিল হয়ে যাবে এবং সাইট এর লোডিং সময় অনেক বেড়ে যাবে।

৪. ওয়েবসাইট এর ফাইল রুট “http://www.yourwebsite.com/file/style.css” এমন রাখার চেষ্টা করুন। “ /file/style.css” এমন নয়।

৫. আপনি যদি নিজে সাইট ডেভেলপ করে থাকেন তাহলে সাইট এ কোডিং করার সময় বিশেষ করে CSS ফাইল লেখার সময় DIV নেইম এর মধ্যে আপনার সঙ্গত পূর্ণ নাম রাখার চেষ্টা করুন। যেমন আপনি যদি সাইডবার এ যদি DIV দিয়ে লিখতে চান তাহলেএরকম রাখার চেষ্টা করুন।

৬. আপনার ওয়েবসাইট এর ফুটারে Copyright মেসেজ ব্যবহার করার চেষ্টা করুন। এবং এর পাশে আপনার ওয়েবসাইট এর নাম এবং লিংক রাখার চেষ্টা করুন।
আশা করি এমন ভাবে যদি আপনি আপনার ওয়েবসাইট এর স্ট্রাকচার সাজাতে পারেন তাহলে সেটি যেমন দেখতে সুন্দর লাগবে ঠিক তেমন ভাবেই যেকোনো সার্চ ইঞ্জিন বট খুব সহজেই আপনার ওয়েবসাইট ভিজিট করে ইনডেক্স করতে পারবে।

এসইও এর জন্য HTML ফ্যাক্টর সমূহ।

যেহেতু আমরা জেনেছি এইচটিএমএল কোডই কেবল সার্চ ইঞ্জিন বট গুলো পড়তে পারে তাই এসইও এর ক্ষেত্রে বেশ কিছু এসইও ফ্যাক্টর আছে যা আপনাকে র্যা কিং পেতে সাহায্য করে। আসুন দেখে নেই কোন কোন এইচটিএমএল ট্যাগ গুলো এসইও এর ক্ষেত্রে বেশি কাজ দেয়।

১. Title Tag: সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এ সবচেয়ে বেশ গুরুত্বপূর্ণ এইচটিএমএল ট্যাগ হল টাইটেল ট্যাগ। এই ট্যাগ ছাড়া কখনই সার্চে আসা সম্বভ নয়। আর কিভাবে সুন্দর করে টাইটেল ট্যাগ সাজাবেন তা এই পোষ্ট এ গেলেই দেখতে পারেন।

২. Description Tag: এর আগেও জেনেছি ডেসক্রিপশন ট্যাগ এর গুরুত্ব। আরো বিস্তারিত দেখতে পারেন এই পোষ্ট থেকে

৩. Meta Tag:  মেটা ট্যাগ ও একটি ওয়েবসাইট এর জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ। এই মেটা ট্যাগের মাধ্যমেই আসলে একটি সার্চ বটকে দিক নির্দেশনা দেয়া হয় আপনার ওয়েবসাইট কে ইনডেক্স করা বা ক্রাউলিং করার। বিস্তারিত এই পোষ্ট এ

৪. H1-H6: এই সকল ট্যাগকে বলা হয় হেডিং ট্যাগ। এইচটিএমএল এসইও ফ্যাক্টর এর মধ্যে এই ট্যাগ অন্যতম। আর বিস্তারিত পাবেন এখান থেকে

৫. <strong> ট্যাগঃ আমরা অনেকই কোন বিশেষ শব্দ বা লাইনকে বোল্ড করে থাকি যাতে করে অন্য সব শব্দের চেয়ে ওই বোল্ডকৃত শব্দ মানুষের নজরে বেশি পড়ে। ঠিক তেমন ভাবে সার্চ ইঞ্জিনের চোখেও এই বোল্ড ট্যাগ বেশ নজর কাঁড়ে। আমরা এই বোল্ড করার জন্য <strong> বা  <b> এইচটিএমএল কোড ব্যবহার করে থাকি। মূলত একটি ব্রাউজার এর কাছে <strong> বা  <b> ২টিই একই ভ্যালু হিসাবে বিবেচিত হয়।

কিন্তু আপনার মনে হয়তো প্রশ্ন জাগতে পারে তাহলে কি সার্চ ইঞ্জিনের কাছেও ২টি একই ভ্যালু হিসাবে বিবেচিত হয়? অনেকে বলেন না তাদের ভ্যালু এক নয়।  আবার অনেক ওয়েবমাষ্টারগন বলেন যে <strong>  এর চেয়ে  <b> বেশি কার্যকর। কিন্তু বেশ কয়েকজন বড় বড় ওয়েবমাষ্টার বলেন যে সার্চ ইঞ্জিন গুলো <b>  এর চেয়ে <strong> কে একটু বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকে। আমি নিজেও <strong>  ব্যাবহার করে থাকি।

৬. <em> or <i> :  এই এইচটিএমএল ট্যাগটি ও বেশ গুরুত্ব বহন করে ।এই ট্যাগ এর কাজ হল আপনার লেখাকে ইতালিক বা বাঁকা  স্টাইলে রূপান্তর করতে পারেন। আপনার ওয়েবসাইট এর কনটেন্ট এর মধ্যে বিশেষ বিশেষ শব্দ বা লাইনকে ইতালিক এর মধ্যমে সার্চ ইঞ্জিনের কাছেও বেশ গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে পারেন। আর <i>  থেকে <em>  ব্যবহার করা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এ ভালো।

গুগল ওয়েবমাস্টার টুলসঃ

আমারা অনেকেই হয়তো নাম শুনেছি গুগল ওয়েবমাস্টার টুলস এর। গুগল ওয়েবমাস্টার টুলস হলে এমন একটি টুলস যেখানে আপনি আপনার ওয়েবসাইট এর সার্চ ইঞ্জিন বিষয়ক সকল তথ্য পাবেন। যেমন গুগল সার্চ পেজ এ আপনি কত পজিশন এ আছেন, কি কি কী ওয়ার্ড এ আপনি কেমন পেজ ভিউ পেয়েছেন। আপনার ওয়েবসাইট এ কোন ধরনের ক্রাউলিং সমস্যা আছে কিনা আর অনেক কিছু। যার মধ্যে খুব সহজেই আপনি আপনার ওয়েবসাইট এর সম্পূর্ণ এসইও ডাইগোনস্টিক করতে পারেন। আসুন দেখে নেই কিভাবে আপনি ব্যবহার করতে পারেন গুগল ওয়েবমাস্টার টুলস।

১. প্রথমে আপনি http://www.google.com/webmasters/tools/ এই ওয়েবসাইট এ যান।

২. এবার নিচে থেকে ADD Site অপশন এ আপনি যে ওয়েবসাইট এ জন্য গুগল ওয়েবমাস্টার টুলস ব্যবহার করতে চান সেটা দিয়ে সাবমিট করুন

৩. এবার আপনার ওয়েবসাইট এর ওনারশিপ ভেরিফিকেশন এর জন্য আপনাকে একটি কোড অথবা ফাইল দেয়া হবে। যদি আপনি ফাইল দিয়ে ফেরিফিকেশন করতে চান তাহলে আপনাকে আপনার ওয়েবসাইট এর মেইন রুট এ ফাইলটি আপলোড করতে হবে।

৪. আর যদি আপনি HTML কোড এর মাধ্যমে ভেরিফিকেশন করতে চান তাহলে গুগল ওয়েবমাস্টার টুলস এর দেয়া প্রদত্ত এইচটিএমএল কোডটি আপনার ওয়েবসাইট এর হেডার এর সেকশন এর মধ্যে রাখতে হবে।

৫. এবার Verify এ ক্লিক করুন। যদি সব ঠিকঠাক থাকে তাহলে আপনার ওয়েবসাইট এর ভেরিফিকেশন হয়ে যাবে।

আসুন এবার দেখে নেই কি কি অপশন পাবেন আপনি গুগল ওয়েবমাস্টার টুলস এ

ড্যাশবোর্ডঃ আপনার ওয়েবসাইট এর বিভিন্ন তথ্য একনজরে দেখে নিতে পারেন হোম পেজ বা ড্যাশবোর্ড থেকে। এখান থেকে দেখতে পারেন আপনার ওয়েবসাইট এর Current Status গুলো যেমন আপনার ওয়েবসাইট এর ক্রাউলিং কেমন হচ্ছে, কোন ক্রাউলিং এ সমস্যা আছে কি না। আপনার ওয়েবসাইট এর SERP’s এ কেমন অবস্থায় আছে, কতো গুলো কীওয়ার্ড এ আপনার ওয়েবসাইট আছে, কেমন ক্লিক পড়েছে এবং কেমন সার্চ ইম্প্রেশন হয়েছে।

তাছাড়া আপনি আর দেখতে পারেন আপনার ওয়েবসাইট এর সাইটম্যাপ এর অবস্থা। আপনি কতোগুলো লিংক সাবমিট করেছেন সাইট ম্যাপ এর মাধ্যমে এবং এর মধ্যে কতো গুলো ইনডেক্স করা হয়েছে।

কনফিগারেশনঃ এই অপশন এ আপনি পাবেন আপনার ওয়েবসাইট এর যাবতীয় সেটিংস। যেমন আপনার ওয়েবসাইট এর Geographic target করতে চান কিনা অথবা ক্রাউলার রেট কেমন হবে সেটি এখান থেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন।

তাছাড়া আর উল্লেখযোগ্য অপশন এর মধ্যে রয়েছে Site Link, আপনার একাউন্ট এর ইউজার সেটিং অথবা আপনার ওয়েবসাইট এর লিংক পরিবর্তন করা ইত্যাদি।

Health অপশনঃ  গুগল ওয়েবমাস্টার টুলস এর এই অপশন এ আপনি আপনার ওয়েবসাইট এর যাবতীয় হেলথ বিষয়ক তথ্য পেয়ে যাবেন। যেমন আপনার ওয়েবসাইট এ কোন ক্রাউলিং সমস্যা আছে কিনা, আপনার ওয়েবসাইট এ সার্চ বট গুলো কেমন ভিজিট করছে তাদের তথ্য, আপনার সার্ভার এ কোন সমস্যা আছে কিনা , আপনার Robots.txt ঠিকমতো কাজ করছে কিনা , আপনার কোন ৪০৪ এরর পেজ আছে কিনা, আপনার সাইট এর ইনডেক্স এর অবস্থা সহ আর অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিমিষেই পেয়ে যাবেন এখান থেকে। এর মধ্যে আপনার ওয়েবসাইটে যদি কোন ধরনের এসইও সমস্যা থেকে থাকে তা সহজেই বের করতে পারবেন এবং তা প্রয়োজন অনুসারে ঠিক করতে পারবেন।

Traffic অপশনঃ গুগল ওয়েবমাস্টার টুলস এর এই অপশন এ আপনি আপনার ওয়েবসাইট এর ট্র্যাফিক সম্পর্কে তথ্য প্রদান করবে। যেমন আপনার ওয়েবসাইট কি কি কীওয়ার্ড এ রেংক পেয়েছে, এবং তারা কে কোন পজিশন এ আছে, আপনি কতো গুলো ক্লিক পেয়েছেন সার্চ ইঞ্জিন থেকে ইত্যাদি।

তাছাড়া আপনার ওয়েবসাইট এর ইন্টারনাল লিংকিং এর ও একটি তথ্য পাবেন এখান থেকে । পাশা পাশি আপনার ওয়েবসাইট কতোগুলো ওয়েবসাইট থেকে ব্যাক লিংক পেয়েছে সেটাও দেখে নিতে পারেন এ পলকে।
Optimization অপশনঃ এই অপশনকে মূলত ব্যবহার করা হয় আপনার ওয়েবসাইট এর এসইও বিসয়ক সমস্যার অপটিমাইজেশন এর জন্য। আপনি ইচ্ছা করলে আপনার ওয়েবসাইট এর সাইট ম্যাপ এখান থেকে সাবমিট করতে পারবেন। আর কিভাবে গুগল ওয়েবমাস্টার টুলস এ আপনার সাইট ম্যাপ সাবমিট করবেন তার জন্য দেখে নিতে পারেন এই টিউন

এছাড়াও আপনি ইচ্ছা করলে এই অপশন ব্যবহার করে আপনার যে কোন লিংক সার্চ থেকে রিমুভ করিয়ে নিতে পারেন। আর রয়েছে আপনার ওয়েবসাইট বর্তমান এ কি কি কীওয়ার্ড আছে সেটি দেখার অপশন। রয়েছে Structured Data অপশন, যার মাধ্যমে আপনি মাইক্রফরমেট কোড ব্যবহার করে আপনার সার্চকে করতে পারেন আর তথ্য সমৃদ্ধ। আরো পাবেন Data Highlighter টুলস, যা থেকে আপানর ওয়েবসাইট এর ডাটা গুলো গুগলে হাইলাইট করতে পারেন খুব সহজেই।
আশা করি আপনাদেরকে গুগল ওয়েবমাস্টার টুলস সম্পর্কে ভালো একটি ধারনা দিতে পেরেছি। যদিও গুগল ওয়েবমাস্টার টুলস এমন কোন ম্যাজিক টুলস নয় যা আপনার সাইটকে র্যাংগক আপ করাবে, কিন্তু এই টুলস এর মাধ্যমে আপনি আপনার সাইট এর যাবতীয় সার্চ তথ্য পেয়ে যাবেন এবং পেয়ে যাবেন আপনার সমস্যা গুলো, যা ঠিক করা হলে বা এনালাইসিস করা হলে আপনি পাবেন আর ভালো সার্চ র্যাং কিং।

আজ এই পর্যন্তই। সবাই ভালো থাকবেন। আপনাদের কোন প্রশ্ন থাকলে নিচে কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।

 

ক্লাস এর ১০ম দিন

 

  • ব্যাকলিংক কি এবং কেন এই ব্যাকলিংকঃ-

 

ব্যাকলিংক এর মানে হলো একটি সাইট থেকে আপনার সাইটের জন্য লিংক পাওয়া।মনে করুন আপনার একটি ওয়েব সাইট আছে এবং সেই সাইটের লিংকটি আপনি অন্য একটি সাইটে রাখলেন।তাহলে আপনি আপনার সাইটের জন্য একটি ব্যাকলিংক পাবেন সেই সাইট থেকে যেখানে আপনি আপনার সাইটের লিংক দিয়েছিলেন।

আপনার সাইট যদি A হয় এবং আপনি যে সাইটে আপনার সাইটের লিংকটি দিবেন সেটি যদি B হয় তাহলে ব্যাকলিং হিসাবে বলতে গেলে আপনি B সাইট থেকে একটি ব্যাকলিংক পেলেন।এভাবে আপনি আপনার সাইটের লিংক যতগুলো সাইটে দিবেন আপনি ততো ব্যাকলিংক পাবেন।আর সার্চ ইন্জিন অপটিমাজেশন এ এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসাবে ধরা হয়।

অর্থ্যাৎ আমরা এক কথায় বলতে পারি যে’অন্য সাইট থেকে আমরা আমাদের নিজেদের সাইটে যে ইনকামিং লিংক পাই তাকে ব্যাকলিংক বলে”।

লিংক

লিংক

 

কেন এই ব্যাকলিংক –

 

ব্যাকলিংক এর কথা মনে পড়লেই আমার মনে পড়ে আমাদের দেশের বড় বড় নেতাদের কথা,কি অবাক হচ্ছেন আমার কথা শুনে?আমি ব্যাকলিংক এর প্রয়োজনীয়তার কথা বললেই সবাকেই এই নেতাদের সাথে তুলনা করতে বলি।কিভাবে?

লোকবল সবচেয়ে বড় বল।মনে করুন আপনার অনেক টাকা পয়সা আছে কিন্তু কাজ করার জন্য কোন লোকেই আপনি পেলেন না তাহলে কি টাকা পয়সার কোন মুল্য আছে? না নেই।সেভাবেই একজন প্রভাবশালী নেতাও কিন্তু একা কোন মূল্য নেই।দেখবেন যে সে সবসময় চায় তার অনেক অনেক সাঙ্গ-পাঙ্গ ( লোকবল ) থাকুক।কেননা লোকবল যত বেশি হবে তার ক্ষমতার প্রভাবও ততো বেশি হবে।ফলে সে সব জায়গায় সে তার প্রভাব আরো বেশি করে খাটাতে পারবে।কিংবা যখন সে কোন কাজ করতে যাবে তখন যদি তার পক্ষেই সবাই ভোট বা সম্মতি দেয় তাহলে তার কাজ ও গ্রহনযোগ্যতাও অনেকাংশে বাড়বে।অতএবে সে বনে যাবে একজন পাওয়ার ফুল ম্যান হিসাবে

সার্চ ইন্জিন এর কাছে ব্যাকলিংক ও তেমনি।একটি সাইটের গুরুত্ব ও গ্রহনযোগ্যতা বাড়াতে ব্যাকলিংক বড়ানোর কোন বিকল্পই হয় না।এক একটি ব্যাকলিংক আপনার জন্য ভোট স্বরূপ।এর জন্য সার্চ ইন্জিন সবসময় খুজে বেড়ায় কোন সাইটের ব্যাকলিংক বেশি।কেননা আপনি ও হয়তো কখনো চাইবেন না একজন অযোগ্য প্রার্থীকে একটি গুরুত্বপূর্ণ আসনে বসাতে।এর জন্য সার্চ ইন্জিন ও তাদের প্রথম পেজটির জন্য বেশি গুরুত্ব দেয় ব্যাকলিংককে।

 

আর গুগল এই গুরুত্বকে সবার সামনে প্রকাশ করার জন্যই ব্যাবস্থা রেখেছে PageRank এর।পেজরেংক এর মাধ্যেম গুগল প্রকাশ করে যে ওয়েবসাইটটির গুরুত্ব বা রেংক কতটুকু।

 

অতএবে এ থেকে প্রমাণিত হয় যে আপনার পেজ রেংক বাড়ানোর জন্য ও সবচেয়ে দরকার ব্যাকলিংক বাড়ানো।

 

আবার মনে করুন একজন মানুষের পিছনে ১০০ লোক আছে।এর মধ্যে ৬০ জনই হল অন্ধ,বোবা, খোড়া ইত্যাদি।তাহলে কি হলো? তার কি ১০০ জন মানুষের কাজ ঐ লোক গুলো দিয়ে করা সম্ভব?কখনোই না।কারণ ১০০ জন লোক থাকলে ও তাদের জোর ও ক্ষমতা ২০ পরিপূরণ মানুষের সমান।তাছাড়া কোন কম্পানীও কিন্তু এমন অযোগ্য প্রথীকে কোন বড় পদে নিয়োগ দেয় না।

সার্চ ইন্জিন ও তার ব্যাতিক্রম নয়।আপনার হয়তো ১০০ টি ব্যাকলিংক আছে।কিন্তু আপনি যে পেজ থেকে আপনি ব্যাকলিংক পেয়েছেন সেগুলো যদি সার্চ ইন্জিনের কাছে কোন গুরুত্ব নাই থাকে তাহলে সেই ১০০টি ব্যাকলিং দিয়ে কোন লাভ নেই।সেগুলো হবে ভালো ভালো ২০টি ব্যাক লিংকের সমান।এমন আছে যে আপনার ১ টি PR 5-9 ব্যাকলিংকই পেজরেংক শূন্য ১০০টি ব্যাকলিংক এর সমান।

তাই যেন তেন বা মূল্যহীন ব্যাকলিংক বাড়ানোর জন্য অযথা সময় নষ্ট করবেন না ।সময় দিন এমন ব্যাকলিংক পেতে যেখান থেকে আপনি নিশ্চিত সুফল পাবেন। যদিও একটু বেশি সময় বা কষ্ট হয় তার পর ও আপনি চেষ্টা করে যাবেন।

 

আশা করি আপনারা সহজেই বুঝতে পারলেন যে ব্যাকলিংক কতটা গুরুত্বপূর্ণ।তাই সবসময় চেষ্টা করুন অন পেজ অপটিমাইজেশনের সাথে সাথে ব্যাকলিংক ও বড়ান সমান ভাব।প্রতেহ্য রুটিনের সাথে ২০-৩০ মিনিট বা তার ও বেশি সময় দিন শুধুমাত্র ব্যাকলিংক বাড়ানোর জন্য।

সময় ভাগ করে কার করুন অনপেজ অপটমাজেশন ও অফপেজ অপটিমাইজেশন নিয়ে।সাফল্য আপনার হাতে আসবেই আসবে।

 

 

  • লিঙ্ক বিল্ডিং কি এবং এর কিছু উপায়ঃ-

 

১৯৯০ সাল হতে সার্চ ইঞ্জিন লিঙ্ককে ভোট হিসাবে বিবেচনা করে আসছে। এটা এক ধরনের ডেমোক্রেসি বলা যায় যেখানে লিঙ্ক এর প্রাধান্য এর বিচারে কোন সাইট এর গুরুত্ত অনুধাবন করা হয়। তাই যেই সাইটের লিঙ্ক যত বেশি ভাল কোয়ালিটি সম্পন্ন সেই সাইট সার্চ ইঞ্জিনে প্রাধান্য পেয়ে থাকে। আর নিজের সাইটের জন্য এই লিঙ্ক সংগ্রহের উপায়কেই বলা হয় লিঙ্ক বিল্ডিং। অর্থ্যাৎ যেই মাধ্যমে বিভিন্ন উৎস হতে কোন সাইটের জন্য অন্য সাইট হতে ব্যাকলিঙ্ক নেয়া হয়ে থাকে তাকেই সংক্ষেপে লিঙ্ক বিল্ডিং বলে। আরেকটু বিস্তারিত বললে কোন সাইটকে সার্চ ইঞ্জিনে ভাল র‌্যাঙ্কিং এ নিয়ে যেতে এবং ভাল ট্রাফিক পাবার জন্য ওই সাইটের রিলেটেড ভাল, কোয়ালিটি সম্পন্ন সাইটের সাথে সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার উপায়কেই লিঙ্ক বিল্ডিং বলে। একটা কথা বলা বাঞ্ছনীয় যে মনে রাখবেন শুধুমাত্র লিঙ্ক বিল্ডিং মানেই এসইও না।

link-building-done-right

 

লিঙ্ক বিল্ডিং নিয়ে পরিস্কার এবং পরিপূর্ণ ধারণা পেতে আমি SEOMOZ এই আর্টিকেলটা পড়ার জন্য অনুরোধ করব সবাইকে – http://www.seomoz.org/beginners-guide-to-seo/growing-popularity-and-links

 

সাধারণত দুইভাবে সাইটের জন্য লিঙ্ক পেতে পারি আমরা। তাহল এক(লিঙ্ক বিল্ডিং)যেটা নিয়ে আমরা আলোচনা করছি দুই(লিঙ্ক আর্নিং) যেটা নিয়ে পরে আমরা আলোচনা করব।

 

লিঙ্ক বিল্ডিং এর বিভিন্ন মাধ্যম আছে যাকে কিনা আমরা সাধারণ ভাষাতে অফ পেইজ এসইও বলে থাকি। যেমন – সোশাল বুকমার্কিং, আর্টিকেল সাবমিশন, ফোরাম পোস্টিং, ব্লগ কমেন্টিং, গেস্ট ব্লগিং, ডাইরেক্টরি সাবমিশন ইত্যাদি। আমরা নিচে কিছু মাধ্যম নিয়ে আলোচনা করব।

 

  • সোশাল বুকমার্কিংঃ-

এই বিষয় নিয়ে রামকৃষ্ণ ভট্টাচার্য অনেক আগেই লিখেছেন ওই লিখাটাই এখানে ব্যবহার করা হল-

 

সোশালবুকমারকিংকিঃ সাধারণ অর্থে আমারা যখন আমাদের ব্রাউজার এ আমাদের পছন্দের কোন সাইট কে বুকমার্ক করে রাখি ঠিক তেমনি এটা হচ্ছে কিছু বুকমারকিং সাইট এ আমাদের সাইট কে বুকমার্ক করে রাখা। কিন্তু এখানে একটা বড় পার্থক্য আছে যা হল আপনি যখন আপনার একটা সাইট অথবা ব্লগ পোস্ট কোন সোশাল বুকমারকিং সাইট এ এড করেন, ওখানে অনেক ব্যাবহারকারী তাদের পছন্দের সাইটগুলো ও এড করে ফলে তা বড় একটা পছন্দের সাইটের ডাটাবেজ এ পরিণত হই এবং সবাই একে অন্যের সাইট দেখতে পারে। এটাই হচ্ছে ওয়েব ব্রাউজারের বুকমার্ক এবং সোশাল বুকমার্ক এর সাথে অমিল। এটাই সংক্ষেপে সামাজিক বুকমার্ক. যাই হোক সোশাল বুকমার্ক কি তাতে আর নাই বা গেলাম তা সবাই জানে এখন আসি এটা কেন ব্যাবহার করা হয়।

socialbookmarks

এটাকেনব্যাবহারকরাহয়ঃ যদি আপনার একটি সাইট অথবা ব্লগ থেকে থাকে যেখানে আপনি কোন নতুন ভিজিটর আশা করেননা, তাহলে আপনি এটা বাদ দিতে পারেন। কিন্তু সোশাল বুকমারকিং সাইটগুলো আপনাকে আপনার সাইট এর কন্টেন্ট রিলেটেড ট্যাগ এবং বিভাগ ব্যাবহার করে বুকমারকিং করার মাধ্যমে সাইট এ ট্রাফিক এনে দেয়ার সুযোগ করে দিবে। এছারাও বেকলিঙ্ক তৈরি তে সাহায্য করবে। আপনার সাইটের পেজ রেঙ্ক বাড়াতে সাহায্য করবে। শেষ কথায় যা বলতে চাই সোশাল বুকমারকিং ব্যাবহার করার বিশেষ কারণ গুলো হলঃ

  • কোয়ালিটি ব্যাকলিঙ্ক যা হচ্ছে একটা পপুলার অফপেজ সার্চ ইঙ্গিন মেথড যা ব্যাকলিঙ্ক দিবে আপনার সাইট কে বুকমার্ক করার মাধ্যমে।
  • টারগেটেড ট্রাফিক যা হচ্ছে কন্টেন্ট এবং সাইট কে ট্যাগ অথবা ক্যাটাগরি অনুযায়ী সোশাল বুকমারকিং সাইট এ সাবমিট করার মাধ্যমে টারগেটেড ট্রাফিক পাওয়া যাবে।
  • সাইট কে ব্রান্ডিং করার জন্য যা হচ্ছে যদি একটা ভাল বুকমারকিং সাইটে যথাযথ টাইটেল বা কী ওয়ার্ড দেয়ার মাধ্যমে আপনার রেগুলার আপডেট করা পোস্ট গুলো বুকমার্ক করা হয় তাহলে তা আস্তে আস্তে সাইটকে ব্র্যান্ড করতে সাহায্য করে।

 

কিভাবেসঠিকভাবেকরাযায়ঃ উপরের লেখাগুলো থেকে যা বুজলাম সোশাল বুকমারকিং খুবই প্রয়োজনীয় তাই এটা সঠিকভাবে করাটা খুবই জরুরি। তাহলে আমারা চলে আসি ধাপে ধাপে কিভাবে সঠিকভাবে বুকমার্ক করতে হয়।

  • বুকমার্ক করার জন্য অবশ্য প্রথম ধাপ হবে কিছু ভাল সোশাল বুকমারকিং সাইট খুজে বাহির করা।
  • এরপর সাইটগুলো তে রেজিস্ট্রেশান করা email, username, password ব্যাবহার করে। অতঃপর ইমেইল থেকে রেজিস্ট্রেশান কনফার্ম করা। এবার আমরা নির্দিষ্ট একটি সোশাল বুকমার্ক সাইট এর রেজিস্টারড মেম্বার হয়ে গেলাম।
  • এরপর আমরা আমাদের সাইট সাবমিট করব “ সাবমিট এ নিউ স্টোরি “ তে ক্লিক করার মাধ্যমে এরপর যে তথ্যগুলো আমাদের দিতে হবে সেদিকে সঠিক নজর রাখাটাই হচ্ছে প্রধান কাজ। প্রথমত আপনার টারগেটেড URL এবং টারগেটেড টাইটেল যা হবে আপনার মেইন কী ওয়ার্ড যেমন সাইটঃ lifescisoft [dot] com যার জন্য কী ওয়ার্ড হচ্ছে Life science software. এরপর হচ্ছে ক্যাটাগরি আপনার সাইটের সাথে মিল রেখে আপনি হুবুহু না হলেও কাছাকাছি একটি ক্যাটাগরি খুজে নিবেন যেমন এই সাইট এর জন্য “science or technology” যদি কিছু না থাকে তাইলে “news” দিয়ে দিবেন।
  • এরপর যা আসছে তা খুবই দরকারি বুকমারকিং এ যা হল (TAG) ট্যাগ। এটা আপনার কন্টেণ্ট এর প্রতিটা ওয়ার্ড কে ব্যাবহার করে সার্চ করতে সাহায্য করবে যা একধরনের শর্টকাট। তাই ট্যাগ এর সঠিক ব্যাবহার জানতে হবে। ট্যাগ বলতে একটি শব্দ অথবা দুটি যা পোস্ট সম্পর্কে বর্ণনা করবে সার্চ ইঞ্জিন কে।  যেমন, life science, life, science research, science. তাই সব সময় চেষ্টা করতে হবে যে কিভাবে ট্যাগ দিয়ে আমার পোস্ট হাইলাইট করা যায়।
  • এরপর (Description) বর্ণনা যা হবে আপনার পোস্ট অথবা সাইট এর সারমর্ম। অনেক সময় দেখা যাই কিছু বুকমার্ক সাইট আপনার দেয়া সারমর্ম গ্রহণ করেনা স্পাম কন্টেণ্ট দেখায় তখন চেষ্টা করবেন ওই সারমর্মতে একটু ভিন্নতা আনার তাতেই হয়ে যাবে।
  • অতঃপর ক্যাপচা এরপর সাবমিট।

 

কিছুবেক্তিগতটিপসঃ ১. টাইটেল এ অবশ্যই আপনার টারগেটেড কী ওয়ার্ড কে হাই লাইট করবেন। যদি ২ টা কী ওয়ার্ড থাকে একটা URL এর জন্য তাহলে আপনি টাইটেল এ এভাবে দিতে পারেন “Magento Help | Magento support”  ২. ট্যাগ এ অবশ্যয় আপনার অপশনাল কী ওয়ার্ড গুলো দেয়ার চেষ্টা করবেন।  যে সাইট গুলো তে ট্যাগ থাকবেনা ওগুলো তে ক্যাটাগরিটাই প্রধান তাই ওটা সঠিকভাবে দেয়ার চেষ্টা করুন। ৩. সবসময় চেষ্টা করবেন সোশাল বুকমারকিং সাইট গুলকে সোশাল ভাবেই ব্যাবহার করতে শুধু একটা লিঙ্ক সাবমিট করে ওটাকে ভুলে যাবেননা।  ৪. আপনার বুকমার্ক করা সাইটগুলো কে অন্য অ্যাকাউন্ট এর মাধ্যমে ভোট দেয়ার চেষ্টা করুন। ৫. আপনার সোশাল বুকমার্ক সাইট গুলকে ইন্টারলিঙ্ক করার চেষ্টা করুন যেমনঃ Linkedin প্রোফাইল এ Stumbleupon এর লিঙ্ক Stumbleupon এ Delecious এর লিঙ্ক আবার ওই প্রোফাইল গুলোর সাথে সোশাল মিডিয়া গুলকে লিঙ্কাপ করার চেষ্টা করুন। ৬. নতুন বুকমার্ক করা লিঙ্ক গুলো অবশ্যই পিং করতে ভুলবেন না।

 

শেষ কথা যা হল যদি আপনি সোশাল মিডিয়া সাইটের মত সোশাল বুক মারকিং সাইট গুলো ব্যাবহার করেন তাহলে অবশ্যই ব্যাকলিঙ্ক, ট্রাফিক, SERP পজিশন সবকিছুতেই সুবিধা পাবেন।

 

  • ফোরাম পোস্টিংঃ-

 

ফোরাম পোস্টিং এর বিষয়ে কথাগুলো লিখেছেন আমাদের ফোরাম মাষ্টার শুভ মঞ্জুরী ভাই

 

আমরা সকলেই জানি off-page SEO and traffic generation এ forum posting এর ভুমিকা। Forum posting হচ্ছে Traffic বাড়ানোর একটা ভাল উৎস এবং পাশাপাশি রিলেভেন্ট ব্যাকলিঙ্ক পাবার ক্ষেত্রে অন্যতম একটি উপায়। এটার গুরুত্ত আমরা কম বেশি সবাই জানি তাই এটা নিয়ে নতুন করে আর লিখলাম না।

 

FORUM POSTING এ করনীয়ঃ

 

# প্রথম কাজ হল relevant forum খুজে বের করা। relevant forum site খোজার জন্য নিচের process follows করুনঃ

How to Find Relevant Forums

KEYWORDS “powered by phpbb” inurl:/forum

KEYWORDS “powered by vbulletin” inurl:/forum

KEYWORDS “powered by smf” site: /forum

KEYWORDS “powered by phpbb” inurl:/community

KEYWORDS “powered by vbulletin” inurl:/community

KEYWORDS “powered by smf” inurl:/community

How to Find Relevant .edu forums

“powered by vbulletin” site:.edu

“powered by phpbb” site:.edu

“powered by smf” site:.edu

keyword+”forum”

keyword+”viwe topics”

Forum-Posting-www-seolix-com

 

#এরপরের কাজ হল forum registration করা । Registration করার সময় অবশ্যই অবশ্যই forum rules গুলো ভালোভাবে পড়ে নিতে হবে।

 

#Forum account create করার সময় personal mail account use না করে business mail account use better।

 

#Account create হয়ে গেলে mail validation process complete করুন.

Now registration process is complete.

USER CONTROL PANEL:

এই UCP তেই আপনার main কাজ। Registration complete করার পর আপনি আপনার profile complete করুন।যেমনঃ

1.upload avatar.

2.fill up your contact address like-mail id,social network id etc.

3.edit your signature.

EDIT SIGNATURE is an important step. Because, this is the key of your marketing strategy and promoting your site.

Signature এ এমন একটি keyword use করতে হবে যা একটি অথবা দুটি word দিয়ে আপনার total site কে represent করে।

 

NOW POSTING STAGE:

 

#AGAIN READ THE FORUM RULES BEFORE POSTING.

 

#Introduce yourself to the forum community.

 

#Stay on topic. Forum site যে topics এর ওপর সেই topics নিয়ে আলোচনা করুন। Irrelevant কোন কিছু আলোচনা করবেন না।

 

#Thread এর মাঝে কোন direct link দিবেন না. Mind it marketing করার দায়িত্ত আপনার Signature এর।আপনার না।আপনি শুধু quality post দারা visitor কে attract করতে পারেন।

 

#আপনার post অবশই unique, quality informative হতে হবে।

 

#Forum এ topic এর title must attractive হতে হবে। যেন visitor এক লাইনে আপনার post এর description বুঝতে পারে.

 

নিচের টপিকটি ভালমত পড়ূন –

 

#Don’t spam around the forum, otherwise you will be deleted from the forum permanently. এই ক্ষেত্রে না বললেই না যে এখন ফোরাম হচ্ছে স্পামিং এর সবচে ভাল উপায়। এবং তা আমরাই করেছি। কিন্তু যদি ঠিক মত ব্যবহার করা যাই ফোরাম পোস্টিং এখনো কাজের জিনিষ। তাই বলব স্পামিং না করে ফোরাম প্রোফাইল্ ঠিক মত সাজান। সব ইনফো এড করুন। প্রতিদিন না পারলেও সপ্তাহে ২/৩ বার ফোরামে এক্টিভ থাকুন যাতে স্পামিং না হয় এবং ন্যাচারাল লাগে। এক কথায় ফোরাম প্রোফাইল্ কে লাইভ রাখুন। তাহলে অবশ্যই কাজ হবে।

 


6 responses to “এস ই ও ক্লাস

  1. […] এস ই ও এর ধারাবাহিক ক্লাস এর থেকে প্রতিদিন জানুন আর অনুশিলন করুন। Share this:TwitterFacebookLike this:LikeBe the first to like this. […]

  2. […] হাসান,আপনাদের দোয়ায় আমার এই বাংলা এস ই ও ক্লাস শুরু করলাম।আজ যেহেতু প্রথম ক্লাস আজ […]

  3. […] এস এ ও শেখার আমার এই ওয়েব সাইট এ আপনাদের […]

  4. Ripon says:

    Mr Hasan,
    Pls write next tropics . we are waiting for your post

  5. অসাধারণ ছিল Post গুলো। অনেক ধন্যবাদ। পরবর্তী Post এর অপেক্ষায় রইলাম।

  6. rashel hoq says:

    gratefule for an excellent bangla post of seo learning where bangla is very rare in website. again tanx to lecturer for his funny and easy trics

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s